ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ১ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ১৭ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত মৌলভীবাজারে
✎ অবজারভার সংবাদদাতা
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল, ২০২৬, ১:১৮ পিএম আপডেট: ২৮.০৪.২০২৬ ২:৪৭ পিএম
ছবি: এআই দিয়ে তৈরি।
X
Advertisement

ছবি: এআই দিয়ে তৈরি।

সিলেট বিভাগে চলতি মৌসুমে সর্বোচ্চ বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারে। গত ২৪ ঘণ্টায় ভারী বর্ষণে বিভাগের বিভিন্ন এলাকায় পানি জমে জনজীবনে ভোগান্তি দেখা দিয়েছে।

বাংলাদেশ আবহাওয়া অধিদপ্তর (বিএমডি) ও বাংলাদেশ বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র (এফএফডব্লিউসি)-এর তথ্য অনুযায়ী, সোমবার সকাল ৯টা থেকে মঙ্গলবার সকাল ৯টা পর্যন্ত ২৪ ঘণ্টায় উল্লেখযোগ্য বৃষ্টিপাতের পরিমাণ রেকর্ড হয়।

তথ্য অনুযায়ী, সবচেয়ে বেশি ১৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে মৌলভীবাজারে। এছাড়া শেরপুর ও সিলেটের ওসমানীনগরে ১৮০ মিলিমিটার, শ্রীমঙ্গলে ১৭৭ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জে ১৩৭ মিলিমিটার এবং কুলাউড়ায় ১৩৫ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

এদিকে, সুনামগঞ্জের তাহিরপুরের লাউড়েরগড়ে ১৩৩ মিলিমিটার, সিলেটে ১২৭ মিলিমিটার, মধ্যনগরের মহেশখোলায় ১০৬ মিলিমিটার এবং মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জে ১০৬ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে।

এছাড়া, হবিগঞ্জে ১০৪ মিলিমিটার, বড়লেখার দখিনাবাগে ১০৪ মিলিমিটার, সুনামগঞ্জের ছাতকে ৭৬ মিলিমিটার, বড়লেখার লাতুতে ৭৫ মিলিমিটার, হবিগঞ্জের চুনারুঘাটের চাঁদপুর বাগানে ৬২ মিলিমিটার, বিয়ানীবাজারের শেওলায় ৫৯ মিলিমিটার, জৈন্তাপুরের লালাখালে ৫১ মিলিমিটার, গোয়াইনঘাটের জাফলংয়ে ৪৬ মিলিমিটার এবং জকিগঞ্জে ৪৪ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত হয়েছে।

আবহাওয়া সংশ্লিষ্ট সূত্রগুলো জানিয়েছে, টানা বৃষ্টিপাত অব্যাহত থাকলে নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতা ও পাহাড়ি ঢলের আশঙ্কা রয়েছে। এতে সিলেট বিভাগের নদ-নদীর পানি বৃদ্ধি পেতে পারে বলে সতর্ক করা হয়েছে।

এদিকে, মৌলভীবাজারে টানা ভারী বৃষ্টিপাতে জনজীবন বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় জেলায় ১৯০ মিলিমিটার বৃষ্টিপাত রেকর্ড করা হয়েছে, যার ফলে বিভিন্ন সড়ক ও নিম্নাঞ্চলে জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হয়েছে। এতে ভোগান্তিতে পড়েছেন সাধারণ মানুষ।

বিশেষ করে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক পানির নিচে তলিয়ে যাওয়ায় যান চলাচল ব্যাহত হচ্ছে। অনেক এলাকায় বাসা-বাড়িতেও পানি ঢুকে পড়ার খবর পাওয়া গেছে।

এদিকে, অব্যাহত বৃষ্টির কারণে মনু নদীর পানি দ্রুত বৃদ্ধি পাচ্ছে। এতে হাওরাঞ্চলসহ জেলার বিস্তীর্ণ কৃষি জমিতে জলাবদ্ধতার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। আগাম বন্যার শঙ্কায় ধান নিয়ে দুশ্চিন্তায় পড়েছেন কৃষকরা। 

স্থানীয় কৃষকদের আশঙ্কা, পানি আরও বৃদ্ধি পেলে পাকা ও আধা পাকা ধান নষ্ট হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে, যা তাদের বড় ধরনের আর্থিক ক্ষতির মুখে ফেলতে পারে।

স্থানীয় প্রশাসন পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করছে বলে জানা গেছে। একইসঙ্গে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্টদের সতর্ক থাকার আহ্বান জানানো হয়েছে।

আরএ/এমএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement