📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ২৪ জুন ২০২৬, ১০ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম
কোন আসনে কে জয়ী?
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: বৃহস্পতিবার, ১২ ফেব্রুয়ারি, ২০২৬, ৮:২৫ পিএম আপডেট: ১৩.০২.২০২৬ ২:৫৯ পিএম
X Advertisement

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোট অনুষ্ঠিত হয়েছে বৃহস্পতিবার। সকাল সাড়ে ৭টা থেকে বিকেল সাড়ে ৪টা পর্যন্ত সারাদেশে একযোগে ভোটগ্রহণ চলে। এখন চলছে ভোট গণনা। একে একে বেসরকারি ভাবে আসতে শুরু করেছে বিভিন্ন আসনের ফলাফল।

ঢাকা বিভাগ

ঢাকা-১: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী খোন্দকার আবু আশফাক।
 
ঢাকা-২: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো. আমানউল্লাহ আমান।
 
ঢাকা-৩: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী গয়েশ্বর চন্দ্র রায়।
 
ঢাকা-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সৈয়দ জয়নুল আবেদীন।
 
ঢাকা-৫: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোহাম্মদ কামাল হোসেন।
 
ঢাকা-৬: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ইশরাক হোসেন।
 
ঢাকা-৭: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হামিদুর রহমান।
 
ঢাকা-৮: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মির্জা আব্বাস উদ্দিন আহমেদ।
 
ঢাকা-৯: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী হাবিবুর রশিদ।
 
ঢাকা-১০: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শেখ রবিউল আলম।
 
ঢাকা-১১ আসনে সবগুলো কেন্দ্রের ফলাফলে জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) প্রার্থী মো. নাহিদ ইসলাম শাপলা কলি প্রতীকে ৯৩ হাজার ৮৭২ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী হয়েছেন। নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি প্রার্থী এম এ কাইয়ুম পেয়েছেন ৯১ হাজার ৮৩৩ ভোট, যা নাহিদ ইসলামের চেয়ে ২ হাজার ৩৯ ভোট কম।
 
ঢাকা-১২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী সাইফুল আলম।
 
ঢাকা-১৩: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ববি হাজ্জাজ।
 
ঢাকা-১৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মীর আহমাদ বিন কাসেম।
 
ঢাকা-১৫: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মোঃ শফিকুর রহমান।
 
ঢাকা-১৬: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল বাতেন।
 
ঢাকা-১৭ আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান ৫৪ হাজার ৮২৫ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে জয়ী হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত প্রার্থী ডা. খালিদুজ্জামান ৪৬ হাজার ৮৪০ ভোট পেয়েছেন। তিনি ডা. খালিদুজ্জামানের চেয়ে ৭ হাজার ৯৮৫ ভোট বেশি পেয়েছেন।
 
ঢাকা-১৮: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এস, এম, জাহাঙ্গীর হোসেন।
 
ঢাকা-১৯: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী দেওয়ান মোহাম্মদ সালাউদ্দিন।
 
ঢাকা-২০: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো. তমিজ উদ্দিন।
 
নারায়ণগঞ্জ-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া।
 
নারায়ণগঞ্জ-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. নজরুল ইসলাম আজাদ।
 
নারায়ণগঞ্জ-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজহারুল ইসলাম মান্নান।
 
নারায়ণগঞ্জ-৫: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম।
 
কিশোরগঞ্জ-১: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মোহাম্মদ মাজহারুল ইসলাম।
 
কিশোরগঞ্জ-২: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী অ্যাডভোকেট মো. জালাল উদ্দীন।
 
কিশোরগঞ্জ-৩: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী ড. মুহাম্মদ ওসমান ফারুক।
 
কিশোরগঞ্জ-৪: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো. ফজলুর রহমান।
 
কিশোরগঞ্জ-৫: স্বতন্ত্র প্রার্থী শেখ মজিবুর রহমান ইকবাল।
 
কিশোরগঞ্জ-৬: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মো. শরীফুল আলম।
 
মুন্সীগঞ্জ-১: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী শেখ মো. আব্দুল্লাহ।
 
মুন্সীগঞ্জ-২: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আব্দুস সালাম আজাদ।
 
মুন্সীগঞ্জ-৩ আসনে (সদর-গজারিয়া) বেসরকারি ভাবে নির্বাচিত হয়েছেন বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. কামরুজ্জামান রতন। ধানের শীষ প্রতীকে তিনি পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৫৮৫ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী মো. মহিউদ্দিন ফুটবল প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ১১ হাজার ২২৭ ভোট। এছাড়া ১১ দলীয় জোটের খেলাফত মজলিসের প্রার্থী নূর হোসাইন নূরানী রিকশা প্রতীকে পেয়েছেন ৫৯ হাজার ৫৪১ ভোট।
 
মানিকগঞ্জ-১: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী এস এ জিন্নাহ কবীর।
 
মানিকগঞ্জ-২: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী মঈনুল ইসলাম খান।
 
মানিকগঞ্জ-৩: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী আফরোজা খানম।
 
শরীয়তপুর-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সাঈদ আহমেদ আসলাম।
 
শরীয়তপুর-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শফিকুর রহমান কিরণ।
 
শরীয়তপুর-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মিয়া নুরুদ্দিন আহাম্মেদ অপু।
 
মাদারীপুর-১ (শিবচর) আস‌নে বেসরকা‌রি ফলাফলে বাংলা‌দেশ খেলাফত মজ‌লি‌শ মনোনীত রিকশা প্রতী‌কের প্রার্থী সাইদ উদ্দিন আহমাদ হানজালা জয়ী হয়েছেন। তিনি পে‌য়ে‌ছেন ৬৪ হাজার ৯০৯ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএন‌পি ম‌নোনীত ধা‌নের শীষ প্রতী‌কের প্রার্থী না‌দিরা আক্তার ৬৪ হাজার ৫২৪ ভোট পে‌য়েছেন।

মাদারীপুর-২ (রা‌জৈর ও সদরের একাংশ) আসনে বেসরকা‌রি ফলাফলে বিএন‌পি ম‌নোনীত ধা‌নের শীষ প্রতী‌কের প্রার্থী জাহান্দার আলী মিয়া জয়ী হয়েছেন। তিনি ৬১ হাজার ৭৪৪ ভোট পে‌য়ে‌ছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী স্বতন্ত্র প্রার্থী মিল্টন বৈদ‌্য ৪৬ হাজার ৪৭৬ ভোট পে‌য়ে‌ছেন।

মাদারীপুর-৩ আসন (কাল‌কি‌নি, ডাসার ও সদ‌রের একাংশ) আসনে বেসরকা‌রি ফলাফলে বিএন‌পি ম‌নোনীত ধা‌নের শীষ প্রতী‌কের প্রার্থী আনিসুর রহমান তালুকদার জয়ী হয়েছেন। তিনি ৯৭ হাজার ২০২ ভোট পে‌য়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলা‌মী মনোনীত দাঁড়িপাল্লা প্রতী‌কের র‌ফিকুল ইসলাম মৃধা ৮৭ হাজার ৩৩১ ভোট পে‌য়ে‌ছেন।
 
রাজবাড়ী-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খৈয়ম।
 
রাজবাড়ী-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. হারুন-অর-রশিদ।
 
ফরিদপুর-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী ড. ইলিয়াস মোল্যা।
 
ফরিদপুর-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শামা ওবায়েদ ইসলাম রিংকু।
 
ফরিদপুর-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী চৌধুরী নায়াব ইউসুফ আহমেদ।
 
ফরিদপুর-৪: বিএনপি প্রার্থী শহিদুল ইসলাম বাবুল।
 
গোপালগঞ্জ-১ আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সেলিমুজ্জামান মোল্যা ৬৮ হাজার ৮৬৭ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গণঅধিকার পরিষদের মো. কাবির মিয়া পেয়েছেন ৫৩ হাজার ৯৬১ ভোট।
 
গোপালগঞ্জ-২ আসনে বিএনপি মনোনীত কে এম বাবর ৪০ হাজার ৪৮ ভোট পেয়ে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী এম এইচ খান মঞ্জু পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৩৯ ভোট।
 
গোপালগঞ্জ-৩ আসনে বিএনপি মনোনীত এস এম জিলানী ৬০ হাজার ১৬৬ ভোট পেয়ে জয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী গোবিন্দ চন্দ্র প্রামাণিক পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৮৬৭ ভোট।
 
টাঙ্গাইল-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ফকির মাহবুব আনাম।
 
টাঙ্গাইল-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আব্দুস সালাম পিন্টু।
 
টাঙ্গাইল-৩: স্বতন্ত্র প্রার্থী মো. লুৎফর রহমান খান আজাদ।
 
টাঙ্গাইল-৫: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সুলতান সালাউদ্দিন টুকু।
 
টাঙ্গাইল-৬: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. রবিউল আওয়াল।
 
টাঙ্গাইল-৭ (মির্জাপুর) আসনে বিএনপির মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ধানের শীষ প্রতীকে পেয়েছেন ১ লাখ ৪১ হাজার ২৫৩ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল্লাহ তালুকদার দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে পেয়েছেন ৭১ হাজার ৪০ ভোট। টাঙ্গাইলের সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা সুরাইয়া ইয়াসমিন ভোটের এই ফল জানিয়েছেন।
 
টাঙ্গাইল-৮: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অ্যাডভোকেট আহমেদ আযম খান।
 
গাজীপুর-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. মজিবুর রহমান।
 
গাজীপুর-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এম মন্জুরুল করিম রনি।
 
গাজীপুর-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী এসএম রফিকুল ইসলাম।
 
গাজীপুর-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী অধ্যক্ষ সালাহউদ্দিন আইউবী।
 
গাজীপুর-৫: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী একেএম ফজলুল হক মিলন।
 
নরসিংদী-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী খায়রুল কবির খোকন।
 
নরসিংদী-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী ড. আব্দুল মঈন খান।
 
নরসিংদী-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনজুর এলাহী।
 
নরসিংদী-৪: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন।
 
নরসিংদী-৫: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মো. আশরাফ উদ্দিন।


রাজশাহী বিভাগ

রাজশাহী-১: জামায়াত ইসলামের প্রার্থী মজিবুর রহমান।
 
রাজশাহী-২: বিএনপির প্রার্থী মিজানুর রহমান মিনু।
 
রাজশাহী-৩: বিএনপির প্রার্থী শফিকুল হক মিলন।
 
রাজশাহী-৪: জামায়াত ইসলামের প্রার্থী আবদুল বারী সরদার।
 
রাজশাহী-৫: বিএনপির প্রার্থী নজরুল ইসলাম।
 
রাজশাহী-৬: বিএনপির প্রার্থী আবু সাইদ চাঁদ।
 
বগুড়া-২: বিএনপির প্রার্থী মীর শাহে আলম।

বগুড়া-৩ (দুপচাঁচিয়া-আদমদীঘি) আসনে বিএনপি প্রার্থী আবদুল মহিত তালুকদার ১১৮ কেন্দ্রে এক লাখ ২৮ হাজার ৭০৫ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম জামায়াতে ইসলামীর নূর মোহাম্মদ পেয়েছেন, এক লাখ আট হাজার ৯৬৭ ভোট।

বগুড়া-৬ (সদর) আসনে বিএনপি চেয়ারম্যান তারেক রহমান (ধানের শীষ) পেয়েছেন ১ লাখ ৬১ হাজার ৬৫১ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবিদুর রহমান সোহেল (দাঁড়িপাল্লা) পেয়েছেন ৭২ হাজার ১৮০ ভোট।

নাটোর-৩ (সিংড়া) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যক্ষ আনোয়ারুল ইসলাম আনু ১ লাখ ১৯ হাজার ৫৮৫ ভোট পেয়ে বিজয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিবন্ধী বিএনপির (বহিষ্কৃত) বিদ্রোহী প্রার্থী দাউদার মাহমুদ ঘোড়া প্রতিকে পেয়েছেন ৬৫ হাজার ৩০৯ ভোট।

চট্টগ্রাম বিভাগ

চট্টগ্রাম-১৫ (লোহাগাড়া-সাতকানিয়া) আসনে জামায়াত প্রার্থী আলহাজ্ব শাহজাহান চৌধুরী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ৭২ হাজার ৬১ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী ধানের শীষ প্রতীকে ভোট পেয়েছেন ১ লাখ ২৭ হাজার ২৫ ভোট।

এ আসনে পোস্টাল ব্যালটে ভোট নিবন্ধন করেছিলেন ১৪ হাজার ২৭২ জন। পোস্টাল ভোটে দাঁড়িপাল্লা প্রতীক পেয়েছে ১০ হাজার ২৫৫ ভোট। ধানের শীষ প্রতীক পেয়েছে ২ হাজার ৩৫৪ ভোট।

কুমিল্লা-১ আসনে বিএনপির ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন জয়ী।

কুমিল্লা-২ আসনে বিএনপির সেলিম ভূঁইয়া জয়ী।

কুমিল্লা-৩ আসনে বিএনপির মোফাজ্জল হোসেন কায়কোবাদ জয়ী।

কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে জামায়াতে ইসলামী নেতৃত্বাধীন ১১ দলীয় জোট মনোনীত প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক হাসনাত আব্দুল্লাহকে বেসরকারি ভাবে বিজয়ী ঘোষণা করেছেন সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দেবিদ্বার উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাকিবুল ইসলাম।

তিনি বলেন, দেবিদ্বার আসনে ১১৬টি ভোটকেন্দ্র রয়েছে। সবগুলো কেন্দ্রতেই হাসনাত আবদুল্লাহ বিজয়ী হয়েছেন। 

এ আসনে হাসনাতের প্রতিদ্বন্দ্বী প্রার্থী ছিলেন গণঅধিকার পরিষদের মনোনীত এবং বিএনপির সমর্থিত ট্রাক প্রতীকের প্রার্থী জসীম উদ্দিন। বিকেল ৫টার দিকে ফেসবুক লাইভে এসে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন জসীম উদ্দিন।

কুমিল্লা-৬ আসনে বিএনপির মনিরুল হক চৌধুরী জয়ী।

কুমিল্লা-৮ আসনে বিএনপির জাকারিয়া তাহের জয়ী।

কুমিল্লা-৯ আসনে বিএনপির আবুল কালাম জয়ী।

কুমিল্লা-১০ আসনে বিএনপির মোবাশ্বের আলম জয়ী।

কুমিল্লা-১১ জামায়াতের আব্দুল্লাহ মোহাম্মদ তাহের জয়ী।

ফেনী-১: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মুন্সি রফিকুল আলম মজনু।
 
ফেনী-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অধ্যাপক জয়নাল আবদিন ভিপি।
 
ফেনী-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আবদুল আউয়াল মিন্টু।

লক্ষ্মীপুর-১ (রামগঞ্জ): মোট কেন্দ্র ৯৩। ধানের শীষ (শাহাদাত হোসেন সেলিম) ৮৫,৪৫৭, শাপলাকলি (মাহবুব আলম) ৫৬,৪৩৭। ২৯,০২০ ভোটে ধানের শীষ এগিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী।

লক্ষ্মীপুর-২ (রায়পুর ও সদর আংশিক): মোট কেন্দ্র ১৫১। ধানের শীষ (আবুল খায়ের ভূইঁয়া) ১,৪৫,১২৪, দাঁড়িপাল্লা (রুহুল আমিন ভূইঁয়া) ১,২৭,৯৪৯। ১৭,১৭৫ ভোটে ধানের শীষ বিজয়ী।

লক্ষ্মীপুর-৩ (সদর): মোট কেন্দ্র ১৩০ (সব কেন্দ্রের ফল)। ধানের শীষ (শহিদ উদ্দিন চৌধুরী এ্যানি) ১,৩৩,৭৬৫, দাঁড়িপাল্লা (রেজাউল করিম) ১,১৭,৭৭৯। ১৫,৯৮৬ ভোটে ধানের শীষ বিজয়ী।

লক্ষ্মীপুর-৪ (রামগতি-কমলনগর): মোট কেন্দ্র ১২২। ধানের শীষ (এবিএম আশরাফ উদ্দিন নিজান) ১,১৩,৭২৫, দাঁড়িপাল্লা (মো. আশরাফুর রহমান হাফিজ উল্যা) ৭১,১৫৯। ৪২,৫৬৬ ভোটে ধানের শীষ এগিয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী।

কক্সবাজার-১ (চকরিয়া-পেকুয়া) আসনে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাহউদ্দিন আহমদ ধানের শীষ প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ২ লাখ ২০ হাজার ৫৬৬ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোট প্রার্থী আবদুল্লাহ আল ফারুখ দাঁড়িপাল্লা প্রতীক নিয়ে পেয়েছেন ১ লাখ ২৪ হাজার ৭২৬ ভোট।

কক্সবাজার-২: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আলমগীর মুহাম্মদ মাহফুজ উল্লাহ।
 
কক্সবাজার-৩: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী লুৎফুর রহমান কাজল।
 
কক্সবাজার-৪: বিএনপি মনোনীত প্রার্থী শাহজাহান চৌধুরী।

বান্দরবান: বিএনপি সমর্থিত প্রার্থী সাচিং প্রু জেরী।

রাঙ্গামাটি আসনে বিএনপির দ্বীপিন দেওয়ান জয়ী।

খাগড়াছড়ি আসনে বিএনপির ওয়াদুদ রিয়া জয়।

খুলনা বিভাগ

খুলনা-১ (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আমীর এজাজ খান ১ লাখ ২১ হাজার ৩৫২ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী পেয়েছেন ৭০ হাজার ৩৪৬ ভোট।

খুলনা-২ (খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১৬ থেকে ৩১ নং ওয়ার্ডসমূহ) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী শেখ জাহাঙ্গীর হুসাইন হেলাল ৯৩ হাজার ৭৮৯ ভোট পেয়ে জয়লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মঞ্জু পেয়েছেন ৮৮ হাজার ১৯৭ ভোট।

খুলনা-৩ (খুলনা সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ১৫ নং ওয়ার্ডসমূহ এবং দিঘলিয়া উপজেলার আড়ংঘাটা ও যোগীপোল ইউনিয়ন) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুল ৭৮ হাজার ৮৪৫ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মোহাম্মদ মাহফুজুর রহমান পেয়েছেন ৬৬ হাজার ১০ ভোট।

খুলনা-৪ (রূপসা উপজেলা, দিঘলিয়া উপজেলা (আড়ংঘাটা ও যোগীপোল ইউনিয়ন ব্যতীত) এবং তেরখাদা উপজেলা) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী আজিজুল বারী হেলাল ১ লাখ ২৩ হাজার ১৬২ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী খেলাফত মজলিস মনোনীত প্রার্থী মাওলানা সাখাওয়াত হোসাইন পেয়েছেন ১ লাখ ৯ হাজার ৫৩০ ভোট।

খুলনা-৫ (গিলাতলা ক্যান্টনমেন্ট এলাকা, ফুলতলা ও ডুমুরিয়া) আসনে আলি আসগর লবি ১ লাখ ৪৮ হাজার ৮৫৪ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াত ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার পেয়েছেন ১ লাখ ৪৬ হাজার ২৪৬ ভোট।

খুলনা-৬ (পাইকগাছা ও কয়রা) আসনে জামায়াত মনোনীত প্রার্থী আবুল কালাম আজাদ ১ লাখ ৫০ হাজার ৭২৪ ভোট পেয়ে জয় লাভ করেছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী মনিরুল হাসান বাপ্পি পায় ১ লাখ ২৪ হাজার ৭১০ ভোট।

বাগেরহাট-১: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মাওলানা মশিউর রহমান।
 
বাগেরহাট-২: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী শেখ মঞ্জুরুল হক রাহাদ।
 
বাগেরহাট-৩: বিএনপির শেখ ফরিদুল ইসলাম।
 
বাগেরহাট-৪: বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আব্দুল আলিম।

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকুপা) আসনে ১ লাখ ৭৩ হাজার ৩৮১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে বিএনপির মো. আসাদুজ্জামান নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু সালেহ মো. মতিয়ার রহমান পেয়েছেন ৫৭ হাজার ৫৫ ভোট।

ঝিনাইদহ-২ (হরিণাকুণ্ডু-সদর উপজেলা (মহারাজপুর, ফুরসন্দি, ঘোড়শাল ও নলডাঙ্গা ইউনিয়ন ব্যতীত)) আসনে ১ লাখ ৯৫ হাজার ৭০ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আলী আজম মো. আবুবকর নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির মো. আবদুল মজিদ পেয়েছেন  ১ লাখ ৭৫ হাজার ৯৮৪ ভোট। 

ঝিনাইদহ-৩ (কোটচাঁদপুর-মহেশপুর) আসনে ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮৫৭ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মতিয়ার রহমান (দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী (ধানের শীষ) মেহেদী হাসান পেয়েছেন ১ লাখ ৪৯ হাজার ৮৫৭ ভোট।  

ঝিনাইদহ-৪ (সদর উপজেলার মহারাজপুর, ফুরসন্দি, ঘোড়শাল ও নলডাঙ্গা ইউনিয়ন এবং কালীগঞ্জ উপজেলা) আসনে ১ লাখ ৫ হাজার ৯৯৯ ভোট পেয়ে বেসরকারি ভাবে জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী আবু তালিব (দাঁড়িপাল্লা) নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী (বিএনপির বিদ্রোহী) স্বতন্ত্র প্রার্থী (কাপ পিরিচ) পেয়েছেন ৭৭ হাজার ১০৪ ভোট। 

যশোর-৬ আসনে জামায়াতের মুক্তার আলী জয়ী।

মেহেরপুর-১ (সদর ও মুজিবনগর) আসনে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী তাজউদ্দীন খান ১ লাখ ২২ হাজার ৮২৯ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী মাসুদ অরুন পেয়েছেন ১ লাখ ৪ হাজার ২২৪ ভোট। এ আসনে বিজয়ের ব্যবধান দাঁড়িয়েছে ১৮ হাজার ৬০৫ ভোটে।

মেহেরপুর-২ (গাংনী) আসনে জামায়াত সমর্থিত প্রার্থী নাজমুল হুদা ৯৪ হাজার ১৬৮ ভোট পেয়ে বিজয়ী হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপির প্রার্থী আমজাদ হোসেন পেয়েছেন ৮৫ হাজার ৬৮৯ ভোট। দু’জনের মধ্যে ভোটের ব্যবধান ৮ হাজার ৪৭৯।

ঝিনাইদহ-১ (শৈলকূপা) আসনে বিএনপির মনোনীত ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী ও সাবেক অ্যাটর্নি জেনারেল মো. আসাদুজ্জামান জয়ী হয়েছেন। এ আসনে ১১৭টি ভোটকেন্দ্রে আসাদুজ্জামান পেয়েছেন ১ লাখ ৭১ হাজার ৫৯৮ ভোট। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী আবু সালেহ মো. মতিয়ার রহমান পেয়েছেন ৫৫ হাজার ৫৭৭ ভোট। বেসরকারি ফল অনুযায়ী, আসাদুজ্জামান ১ লাখ ১৬ হাজার ২১ ভোটের ব্যবধানে বিজয়ী হয়েছেন।

রংপুর বিভাগ

রংপুর-১ (গংগাচড়া ও রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ১ থেকে ৮ নং ওয়ার্ডসমূহ) আসনের মোট ১৩৯টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াত মনোনীত প্রার্থী মো. রায়হান সিরাজী পেয়েছেন ১ লাখ ৪৫ হাজার ৮৮ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ধানের শীষ প্রতীকের মোকারম হোসেন সুজন পেয়েছেন ৬৯ হাজার ৪০৭ ভোট। হাতপাখা প্রতীকের এ টি এম গোলাম মোস্তফা পেয়েছেন ২ হাজার ৩২৫ ভোট।

রংপুর-২ (তারাগঞ্জ-বদরগঞ্জ) আসনের ১৩৭টি কেন্দ্রের ফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াত প্রার্থী এ টি এম আজহারুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬৮০ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের মোহাম্মদ আলী সরকার পেয়েছেন ৭৯ হাজার ৯১০ ভোট। লাঙ্গল প্রতীকের আনিছুর ইসলাম মণ্ডল পেয়েছেন ৩৩ হাজার ৬৮৯ ভোট এবং হাতপাখা প্রতীকের মো. আশরাফ আলী পেয়েছেন ৫ হাজার ৫৫৬ ভোট।

রংপুর-৩ (সদর উপজেলা এবং রংপুর সিটি কর্পোরেশনের ৯ থেকে ৩৩ নং ওয়ার্ডসমূহ) আসনের পূর্ণাঙ্গ ফলাফল ঘোষণার পর দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের প্রার্থী মো. মাহবুবুর রহমান (বেলাল) ১ লাখ ৭৫ হাজার ৮২৭ ভোটে বিজয়ী হয়েছেন। বিএনপি প্রার্থী শামসুজ্জামান সামু ৮৪ হাজার ৫৭৮ ভোট পান। এ আসনে জাতীয় পার্টির চেয়ারম্যান গোলাম মোহাম্মদ কাদের ৪৩ হাজার ১৮৫ ভোট পায়।

রংপুর-৪ (কাউনিয়া-পীরগাছা) আসনের ১৬৩টি কেন্দ্রের সবগুলোর ফলাফলে ১১ দলীয় জোটের শরীক শাপলা কলি প্রতীকের জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) সদস্য সচিব আখতার হোসেন পেয়েছেন ১ লাখ ৪৭ হাজার ৯৪৭ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের এমদাদুল হক ভরসা পেয়েছেন ১ লাখ ৩৯ হাজার ৬১৬ ভোট।

রংপুর-৫ (মিঠাপুকুর) আসনের ১৫২টি কেন্দ্রের ফলাফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াত প্রার্থী মো. গোলাম রব্বানী পেয়েছেন ১ লাখ ৭৫ হাজার ২০৮ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের প্রার্থী পেয়েছেন ১ লাখ ১৪ হাজার ১৪১ ভোট।

রংপুর-৬ (পীরগঞ্জ) আসনের ১১৪টি কেন্দ্রের ফলে দাঁড়িপাল্লা প্রতীকের জামায়াত প্রার্থী নুরুল আমীন পেয়েছেন ১ লাখ ১৮ হাজার ৮৯০ ভোট। ধানের শীষ প্রতীকের সাইফুল ইসলাম পেয়েছেন ১ লাখ ১৬ হাজার ৯১৯ ভোট। লাঙ্গল প্রতীকের নুর আলম মিয়া পেয়েছেন ১ হাজার ২৬৪ ভোট। স্বল্প ব্যবধানে এ আসনে বিজয়ী হয়েছে জামায়াত।

পঞ্চগড়-১ (সদর-তেঁতুলিয়া-আটোয়ারী) আসনে বেসরকারি ভাবে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছেন ব্যারিস্টার মোহাম্মদ নওশাদ জমির। ধানের শীষের প্রতিকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৭৪ হাজার ৪৩০ ভোট। এছাড়া পোষ্টাল ব্যালটে তিনি পেয়েছেন এক হাজার ৭৩৯ বোট। 

তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ১১ দলীয় জোটের প্রার্থী জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)’র সারজিস আলম শাপলা কলি প্রতিকে পেয়েছেন এক লাখ ৬৬ হাজার ১২৬ ভোট। সারজিস পোষ্টাল ব্যালটে পেয়েছেন এক হাজার ৯২৩ ভোট। 

পঞ্চগড়-২ (বোদা-দেবীগঞ্জ) আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছে বিএনপির ফরহাদ হোসেন আজাদ। ধানের শীষ প্রতিকে তিনি পেয়েছেন এক লাখ ৭৪ হাজার ৬৫০ ভোট। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী জামায়াতের সফিউল আলম (সফিউল্লাহ সুফি) দাঁড়িপাল্লা প্রতিকে পেয়েছেন এক লাখ ২৮ হাজার ৮৬২ ভোট।

বরিশাল বিভাগ

পটুয়াখালী-৪ আসনে বিএনপির মোশাররফ হোসেন জয়ী।

বরগুনা-১ আসনে ইসলামী আন্দোলন মনোনীত প্রার্থী মাহমুদুল হাসান অলিউল্লাহ ১,৪০,২৯১ ভোট পেয়ে বেসরকারি ফলে নির্বাচিত হয়েছেন। তার নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী বিএনপি মনোনীত প্রার্থী নজরুল ইসলাম মোল্লা ১,৩৬,১৪৫ ভোট পেয়েছেন। তিনি ৪,১৪৬ ভোটে পরাজিত হয়েছেন।
Loading...
Loading...
আরো দেখুন

Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
E-mail: online@dailyobserverbd.com mailobserverbd@gmail.com
🔝

Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
E-mail: online@dailyobserverbd.com mailobserverbd@gmail.com
🔝