আজ বৃহস্পতিবার (১৫ অক্টোবর) পঞ্চমী। আগামীকাল শুক্রবার মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে শুরু হচ্ছে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজার আনুষ্ঠানিকতা। এদিন দেবী দুর্গার বোধনের মধ্য দিয়ে শুরু হবে পূজার মূল আয়োজন।
মহাষষ্ঠী উপলক্ষে দেশের বিভিন্ন পূজামণ্ডপে দেবী দুর্গার বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাসের আয়োজন করা হবে। উৎসবকে সামনে রেখে প্রতিমা নির্মাণ ও সাজসজ্জার শেষ মুহূর্তের কাজ শেষ করতে ব্যস্ত সময় পার করছেন শিল্পী ও কারিগররা। পাশাপাশি পূজামণ্ডপগুলোতে চলছে সাজসজ্জা ও অন্যান্য প্রস্তুতি।
বাংলা পঞ্জিকা অনুযায়ী, শনিবার মহাসপ্তমীতে নবপত্রিকা প্রবেশ ও পূজা অনুষ্ঠিত হবে। দেবীর বিভিন্ন রূপের প্রতীক হিসেবে নয়টি উদ্ভিদ একত্র করে নবপত্রিকা তৈরি করা হয় এবং ধর্মীয় আচার অনুসারে এর পূজা করা হয়।
রোববার মহাষ্টমীতে অনুষ্ঠিত হবে দুর্গাপূজার অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ আচার সন্ধিপূজা। অষ্টমী ও নবমী তিথির সন্ধিক্ষণে এ পূজা অনুষ্ঠিত হয়। সোমবার মহানবমীর পূজার মধ্য দিয়ে মূল পূজার আনুষ্ঠানিকতা শেষ হবে। মঙ্গলবার বিজয়া দশমীতে প্রতিমা বিসর্জনের মধ্য দিয়ে শেষ হবে পাঁচ দিনব্যাপী দুর্গোৎসব।
হিন্দু ধর্মীয় বিশ্বাস অনুযায়ী, মহিষাসুরের বিরুদ্ধে দেবী দুর্গার বিজয় অশুভ শক্তির ওপর শুভ শক্তির জয়ের প্রতীক। ধর্মীয় তাৎপর্যের পাশাপাশি দুর্গাপূজা বাংলাদেশের সাংস্কৃতিক ঐতিহ্য ও সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির একটি গুরুত্বপূর্ণ অংশ।
এদিকে, দুর্গাপূজা উপলক্ষে সরকার বাড়তি নিরাপত্তাব্যবস্থা, সরকারি অনুদান বৃদ্ধি এবং ছুটির মেয়াদ বাড়ানোর উদ্যোগ নিয়েছে বলে মূল প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে অনুদানের পরিমাণ, পূজামণ্ডপের সংখ্যা ও ছুটির সময়সূচি প্রকাশের আগে সংশ্লিষ্ট সরকারি সূত্রের সঙ্গে মিলিয়ে নেওয়া প্রয়োজন।
এসএস