ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
শিশুর ক্যানসারের যেসব লক্ষণ চোখে পড়লে যা করা জরুরি
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ১২:৪৭ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

শিশুর অতিরিক্ত ক্লান্তি, শরীর ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া কিংবা হঠাৎ শরীরে কালশিটে দাগ—এসবকে অনেক সময় সাধারণ অসুস্থতার লক্ষণ বলে মনে করেন অভিভাবকেরা। কিন্তু কিছু ক্ষেত্রে এগুলো ক্যানসারেরও প্রাথমিক লক্ষণ হতে পারে।

বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার (WHO) হিসাবে, বিশ্বে প্রতিবছর শূন্য থেকে ১৯ বছর বয়সী আনুমানিক ৪ লাখ শিশু-কিশোর ক্যানসারে আক্রান্ত হয়। শিশুদের মধ্যে লিউকেমিয়া বা রক্তের ক্যানসার, মস্তিষ্কের টিউমারসহ কয়েক ধরনের ক্যানসার বেশি দেখা যায়।

শিশুদের ক্যানসারের সমস্যা হলো, শুরুর অনেক লক্ষণই সাধারণ অসুখের মতো। তাই একটি লক্ষণ দেখেই আতঙ্কিত হওয়ার প্রয়োজন নেই।

তবে একই সঙ্গে কয়েকটি লক্ষণ দেখা দিলে, দীর্ঘদিন থাকলে বা ধীরে ধীরে খারাপ হলে চিকিৎসকের পরামর্শ নেওয়া জরুরি।
শিশু ক্যানসার বিশেষজ্ঞদের মতে, যেসব লক্ষণের দিকে বিশেষভাবে নজর রাখা দরকার, সেগুলোর মধ্যে রয়েছে—
•    অস্বাভাবিক বা অতিরিক্ত ক্লান্তি
•    শরীর খুব ফ্যাকাসে হয়ে যাওয়া
•    কোনো কারণ ছাড়াই বারবার কালশিটে দাগ পড়া
•    শরীরে গুটি বা ফোলা দেখা দেওয়া এবং তা ক্রমে বড় হওয়া
•    দীর্ঘদিনের জ্বর
•    বারবার বা তীব্র মাথাব্যথা
•    হাড়ে দীর্ঘস্থায়ী ব্যথা
•    কারণ ছাড়াই ওজন কমে যাওয়া

WHO বলছে, শিশুদের ক্যানসার সাধারণত আগে থেকে প্রতিরোধ বা নিয়মিত পরীক্ষার মাধ্যমে শনাক্ত করা কঠিন।

তাই লক্ষণ দ্রুত চিনতে পারা, সঠিক রোগনির্ণয় এবং দ্রুত চিকিৎসা শুরু করাই সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ।
দ্রুত রোগ শনাক্ত হলে চিকিৎসায় সাড়া দেওয়ার সম্ভাবনা বাড়ে এবং অনেক ক্ষেত্রে চিকিৎসাও তুলনামূলক কম জটিল হয়। বিপরীতে দেরিতে রোগ ধরা পড়া, ভুল রোগনির্ণয়, চিকিৎসা পেতে দেরি এবং প্রয়োজনীয় চিকিৎসার সুযোগ না পাওয়া নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশগুলোতে শিশু ক্যানসারে মৃত্যুর বড় কারণ।

উচ্চ আয়ের দেশগুলোতে ক্যানসারে আক্রান্ত ৮০ শতাংশের বেশি শিশু সুস্থ হয়ে ওঠে। কিন্তু অনেক নিম্ন ও মধ্যম আয়ের দেশে এই হার ৩০ শতাংশেরও কম। চিকিৎসাসেবায় এই বড় বৈষম্য কমাতে ২০৩০ সালের মধ্যে বিশ্বজুড়ে শিশু ক্যানসারে বেঁচে থাকার হার অন্তত ৬০ শতাংশে নেওয়ার লক্ষ্য নিয়ে কাজ করছে WHO।

বিশেষজ্ঞদের পরামর্শ, কোনো একটি সাধারণ উপসর্গ নিয়ে আতঙ্কিত না হয়ে লক্ষ্য করতে হবে সেটি বারবার হচ্ছে কি না, দীর্ঘস্থায়ী হচ্ছে কি না এবং সঙ্গে অন্য অস্বাভাবিক লক্ষণ যোগ হচ্ছে কি না। সন্দেহ হলে দ্রুত শিশু বিশেষজ্ঞ বা চিকিৎসকের কাছে নেওয়াই নিরাপদ।

 এসএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement