রাজধানীর যাত্রাবাড়ী, মালিবাগ, আগারগাঁও, মহাখালী, বাবুবাজার, বঙ্গবাজার, গুলিস্তান ও মগবাজার মোড়ে ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এসব ঘটনায় যাত্রাবাড়ীতে এক রিকশাচালক আহত হয়েছেন। অন্য ঘটনাগুলোতে তাৎক্ষণিকভাবে কোনো হতাহত হওয়ার তথ্য পাওয়া যায়নি।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) বিকেল থেকে সন্ধ্যার মধ্যে এই ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
পুলিশ জানায়, সন্ধ্যা পৌনে ৮টার দিকে যাত্রাবাড়ী মোড়ে পরপর পাঁচটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটানো হয়। এতে এক পথচারী আহত হন। তাকে হাসপাতালে নেওয়া হয়েছে। আহত ব্যক্তির পরিচয় জানার চেষ্টা চলছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।
যাত্রাবাড়ী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আহমেদ রাজু বলেন, দুর্বৃত্তরা পরপর কয়েকটি ককটেল বিস্ফোরণ ঘটিয়েছে। ঘটনায় একজন পথচারী আহত হয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করা হচ্ছে।
এর কিছুক্ষণ আগে সন্ধ্যার দিকে মহাখালীর আমতলী মোড়ে একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। বনানী থানার পরিদর্শক (অপারেশন্স) এ কে এম মহিন উদ্দিন জানান, ফ্লাইওভার থেকে ককটেলটি ছোড়া হয়েছিল। এতে কেউ আহত হয়নি। ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ পর্যালোচনা করে জড়িতদের শনাক্তের চেষ্টা চলছে।
প্রায় একই সময়ে আগারগাঁওয়ে বাংলাদেশ বেতার ভবনের কাছে সড়কের ওপর একটি বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। শেরেবাংলা নগর থানার ওসি মনিরুল ইসলাম জানান, বিস্ফোরণের শব্দ পাওয়া গেলেও ঘটনাস্থলে ককটেল বা বোমা বিস্ফোরণের কোনো আলামত পাওয়া যায়নি।
এর আগে বিকালে শাহজাহানপুর থানার মালিবাগ রেলগেট সংলগ্ন প্রধান সড়কে দুটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। পুলিশ জানায়, মালিবাগ ফ্লাইওভারের ওপর থেকে অজ্ঞাত ব্যক্তিরা ককটেল দুটি নিক্ষেপ করে। সেগুলো সড়কে পড়ে বিস্ফোরিত হয়। এতে কোনো হতাহত হয়নি।
শাহজাহানপুর থানার ওসি মো. আমিরুল ইসলাম বলেন, ওই এলাকায় পুলিশের চেকপোস্ট কার্যক্রম চলার সময় ফ্লাইওভারের ওপর থেকে পরপর দুটি ককটেল নিক্ষেপ করা হয়। নিচ থেকে নিক্ষেপকারীদের শনাক্ত করা সম্ভব হয়নি। ঘটনাস্থল ও আশপাশের সিসিটিভি ফুটেজ সংগ্রহ করে বিশ্লেষণ করা হচ্ছে।
পুলিশ জানিয়েছে, এসব ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত ও আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার প্রক্রিয়া চলছে।
এর আগে গত মঙ্গলবার (১৫ সেপ্টেম্বর) রাতেও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় এলাকায় তিনটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে। জগন্নাথ হল গেট ও টিএসসি এলাকায় এসব বিস্ফোরণ হয়। একই দিন দুপুরে সুপ্রিম কোর্ট এলাকাতেও একটি ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটে।
আরএন