ওবায়দুল কাদেরসহ আওয়ামী লীগের সাত শীর্ষ নেতার মৃত্যুদণ্ডের রায়ের পর সুপ্রিম কোর্ট প্রাঙ্গণে নীরব প্রতিবাদ করেছেন আওয়ামীপন্থি আইনজীবীরা। মঙ্গলবার দুপুরে এনেক্স ভবনের অ্যাডভোকেট লাউঞ্জের সামনে জড়ো হয়ে তাঁরা এ প্রতিবাদ জানান।
এ সময় তাঁদের কোনো স্লোগান দিতে শোনা যায়নি। তবে অনেককে ‘জয় বাংলা, জয় বঙ্গবন্ধু’ উচ্চারণ করতে শোনা গেছে।
এর আগে জুলাই গণ-অভ্যুত্থানের সময় সংঘটিত মানবতাবিরোধী অপরাধে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক ওবায়দুল কাদেরসহ যুবলীগ-ছাত্রলীগের সাত শীর্ষ নেতাকে মৃত্যুদণ্ড দেন ট্রাইব্যুনাল। একই সঙ্গে পাঁচজনের ৫০ শতাংশ সম্পদ বাজেয়াপ্ত করে সরকারি অনুকূলে নিয়ে জুলাই অভ্যুত্থানে শহীদ ও আহতদের মধ্যে বণ্টনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
আজ দুপুর সোয়া ১২টায় এ রায় ঘোষণা করেন আন্তর্জাতিক অপরাধ ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান বিচারপতি নজরুল ইসলাম চৌধুরীর নেতৃত্বাধীন তিন সদস্যের বিচারিক প্যানেল। প্যানেলের বাকি দুই সদস্য হলেন বিচারক মো. মঞ্জুরুল বাছিদ ও বিচারক নূর মোহাম্মদ শাহরিয়ার কবীর।
রায় পড়ার শুরুতেই এ মামলার তদন্ত কর্মকর্তা, প্রসিকিউশন, সাংবাদিকসহ সংশ্লিষ্ট সবাইকে ধন্যবাদ জানান বিচারপতি নজরুল ইসলাম। একই সঙ্গে মামলার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র ২৫ কেজি হয়েছিল বলে জানান তিনি। এ ছাড়া আসামিরা উপস্থিত থাকলে পুরো রায় পড়া যেত বলেও মন্তব্য করেন তিনি। এরপর চার অভিযোগে কাকে কী দণ্ড দেওয়া হয়েছে, তা ঘোষণা করেন ট্রাইব্যুনাল-২-এর চেয়ারম্যান।
মৃত্যুদণ্ড পাওয়া বাকি ছয়জন হলেন—আওয়ামী লীগের যুগ্ম-সাধারণ সম্পাদক আ ফ ম বাহাউদ্দিন নাছিম, সাবেক তথ্য ও সম্প্রচার প্রতিমন্ত্রী মোহাম্মদ আলী আরাফাত, যুবলীগের সভাপতি শেখ ফজলে শামস পরশ, সাধারণ সম্পাদক মাইনুল হোসেন খান নিখিল, ছাত্রলীগের সভাপতি সাদ্দাম হোসেন ও সাধারণ সম্পাদক ওয়ালি আসিফ ইনান।