টাঙ্গাইলের ধনবাড়ী উপজেলায় বিদ্যুৎ সংকটের কারণে ঘন ঘন লোডশেডিং হচ্ছে। এতে শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা বিপর্যস্ত হওয়ার পাশাপাশি ব্যবসায়ীরাও আর্থিক ক্ষতির মুখে পড়ছেন।
সময়মতো বিদ্যুৎ না থাকায় লেখাপড়ায় মনোযোগ হারাচ্ছে শিক্ষার্থীরা। বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসায় লোকসানের পাল্লা ভারী হওয়ার ঝুঁকিতে পড়েছেন অনেক ব্যবসায়ী। তীব্র গরমে অতিষ্ঠ হয়ে পড়েছে জনজীবন। বাড়ছে রোগব্যাধি, আক্রান্ত হচ্ছে শিশু ও বয়স্করা। আধুনিক যুগে বিদ্যুতের এমন লোডশেডিংয়ে সবচেয়ে বেশি প্রভাব পড়ছে শিক্ষা ও ব্যবসা-বাণিজ্য খাতে।
বিদ্যুতের এ সমস্যার কারণে তীব্র গরম ও আলোর অভাবে পড়তে বসতে পারছে না কোমলমতি শিক্ষার্থীসহ স্কুল-কলেজের শিক্ষার্থীরা। ভ্যাপসা গরমের কারণে রাতে ঠিকমতো ঘুমাতেও পারছে না শিশু থেকে শুরু করে বিভিন্ন বয়সী মানুষ।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ২ ঘণ্টা থেকে আড়াই ঘণ্টা পরপর বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকছে। ২৪ ঘণ্টার মধ্যে গড়ে মাত্র ৮ ঘণ্টা বিদ্যুৎ পাওয়া যায়। বাকি সময় বিদ্যুৎ ছাড়াই থাকতে হচ্ছে গ্রামাঞ্চলের মানুষকে। এতে অতিষ্ঠ জনজীবনে চরম দুর্ভোগে পড়েছেন শিক্ষার্থী ও ব্যবসায়ীরা।
সবচেয়ে বেশি বিপাকে পড়েছেন ব্যাটারিচালিত ইজিবাইক ও ভ্যানচালকরা। সময়মতো ব্যাটারি চার্জ দিতে না পারায় তাদের আয় প্রায় অর্ধেকে নেমে এসেছে।
ধনবাড়ী পল্লী বিদ্যুৎ জোনাল অফিসের ডিজিএম প্রকৌশলী নাঈমুল হাসান জানান, ধনবাড়ী উপজেলায় দৈনিক ১৫ থেকে ১৬ মেগাওয়াট বিদ্যুতের চাহিদা থাকলেও বর্তমানে গ্রিড থেকে সরবরাহ পাওয়া যাচ্ছে মাত্র ৯ থেকে ১১ মেগাওয়াট। ফলে বাধ্য হয়েই লোডশেডিং করতে হচ্ছে।
এইচআর/আরএন