ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট ২০২৬, ১০ ভাদ্র ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
ভারতের পানি আগ্রাসন ঠেকাতে বাংলাদেশ আরও সজাগ থাকবে: পানিসম্পদ মন্ত্রী
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২৫ আগস্ট, ২০২৬, ১১:২৬ পিএম
X

ভারতীয় পানি আগ্রাসন প্রসঙ্গে পানিসম্পদ মন্ত্রী মো. শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেছেন, বাংলাদেশ ভারতের প্রতিবেশী ও বন্ধুত্বপূর্ণ দেশ। দুই দেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্ক কতটা ইতিবাচক হওয়া উচিত, ভারতকে সেটি বিবেচনা করতে হবে। তিনি আশা করেন, ভারত এ বিষয়ে সর্বোচ্চ সজাগ থাকবে এবং বন্ধুপ্রতীম বাংলাদেশের সঙ্গে ভালো সম্পর্ক বজায় রাখবে।

মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) দুপুরে ফেনীর পরশুরাম উপজেলার সুবার বাজার সড়কের মুহুরী সেতু এলাকায় মুহুরী নদীর বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ পরিদর্শন শেষে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, ‘কোনো ধরনের আগ্রাসনের শিকার যেন আমাদের দেশের মানুষ না হন, সেজন্য আমরা আরও বেশি সজাগ থাকব। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের নেতৃত্বে দেশবাসীও সজাগ থাকবে।’

দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ থাকবে উল্লেখ করে শহীদ উদ্দীন চৌধুরী এ্যানি বলেন, দীর্ঘ ১৭ বছর দুর্নীতি ও দুঃশাসনের ট্রেন্ড ছিল। এখন জনগণ আমাদের নির্বাচিত করেছে, আমরাও দায়িত্ব নিয়ে দেশ পরিচালনা করছি। এ মুহূর্তে জিরো টলারেন্সে চলে যাব—এমনটা বলব না। তবে দুর্নীতির বিরুদ্ধে প্রতিরোধ ও চ্যালেঞ্জ থাকবে। প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে এই চ্যালেঞ্জটুকু আমরা হাতে নিয়েছি।

তিনি বলেন, ‘যেহেতু আমি নিজেও বৃহত্তর নোয়াখালীর সন্তান, সেই হিসেবে এ প্রকল্পসহ দেশের সব প্রকল্প যথাযথভাবে শেষ করা, দুর্নীতি প্রতিরোধ করা এবং দুর্নীতির ঊর্ধ্বে থেকে কাজ করা আমার নিজেরও দায়িত্ব। দায়িত্বটুকু পালন করছি খুব সতর্কতার সঙ্গে। কোনো ধরনের প্রভাবশালীর প্রভাব, দুর্নীতি বা কেউ যেন ক্ষতি করতে না পারে, সেই বিষয়ে আমরা সজাগ থাকব।’

একনেকে অনুমোদিত প্রকল্প নিয়ে প্রত্যাশার কথা জানিয়ে পানিসম্পদ মন্ত্রী বলেন, এ প্রকল্পে জমি অধিগ্রহণে কেউ ক্ষতিগ্রস্ত হলে প্রয়োজনীয় ক্ষতিপূরণ দেওয়া হবে। তবে প্রকল্পের প্রথম পর্যায়ে জমি অধিগ্রহণ নেই। দ্বিতীয় পর্যায়ে কিছু জমি অধিগ্রহণের প্রয়োজন হলে ক্ষতিগ্রস্তদের প্রাপ্য অনুযায়ী ক্ষতিপূরণ দিয়েই কাজ করা হবে।

তিনি বলেন, সবমিলিয়ে এ প্রকল্প বাস্তবায়ন হলে নদীভাঙন, জলাবদ্ধতা, বাঁধের ভাঙন ও বন্যায় মানুষ যে ক্ষতির মুখে পড়েন, তা থেকে রক্ষা পাবেন। সামগ্রিকভাবে বৃহত্তর এ অঞ্চলের মানুষ প্রকল্পটির সুফল পাবেন।

তিনি আরও বলেন, আগামী মাসের যেকোনো সময় বা মাসের শেষ দিকে প্রধানমন্ত্রী ফেনীতে এসে এ প্রকল্পের কাজের উদ্বোধন করবেন। এখানকার মানুষের সঙ্গে তিনি কথা বলবেন। ২০৩০ সালের মধ্যে প্রকল্পটির কাজ শেষ করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন মন্ত্রী।

এ সময় ফেনী-১ আসনের সংসদ সদস্য রফিকুল আলম মজনু, সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য রেহানা আক্তার রানু, জেলা পরিষদের প্রশাসক অধ্যাপক এমএ খালেক, জেলা প্রশাসক মনিরা হক, পুলিশ সুপার প্রত্যুষ কুমার মজুমদার, পানি উন্নয়ন বোর্ড ফেনী কার্যালয়ের নির্বাহী প্রকৌশলী মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম, জেলা বিএনপির সদস্য সচিব আলাল উদ্দিন আলালসহ সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা ও বিএনপির বিভিন্ন পর্যায়ের নেতাকর্মী উপস্থিত ছিলেন।

প্রসঙ্গত, এর আগে গত ১৬ জুন প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে একনেকে ১ হাজার ৫৪২ কোটি ১৬ লাখ টাকার ‘মুহুরী-কহুয়া বন্যা নিয়ন্ত্রণ, নিষ্কাশন ও সেচ প্রকল্পের পুনর্বাসন (প্রথম পর্যায়)’ অনুমোদন দেওয়া হয়। তবে প্রকল্পটির বাস্তবায়ন কাজ এখনো শুরু হয়নি।

এ প্রকল্পের আওতায় ৬৭ দশমিক ৯২ কিলোমিটার বাঁধ পুনর্বাসন, ১১ দশমিক ৭৩ কিলোমিটার নদীতীর সংরক্ষণ, ৮৩ দশমিক ৫০ কিলোমিটার নদী ও জলাধার পুনঃখনন, ২৭টি সেচ অবকাঠামো পুনর্বাসন এবং ৭৭টি ইনলেট নির্মাণ করা হবে। পরবর্তী পর্যায়ে মুহুরী ও কহুয়া নদীতে নতুন বাঁধ নির্মাণ এবং সিলোনিয়া নদীতেও বাঁধ নির্মাণ, নদী খনন ও সংস্কারের পরিকল্পনা রয়েছে।

Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝