ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 রবিবার, ২৩ আগস্ট ২০২৬, ৮ ভাদ্র ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
গুম-খুন ও নির্যাতনের শিকারদের জন্য নতুন অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: রবিবার, ২৩ আগস্ট, ২০২৬, ৭:৪৪ পিএম
X

গত ১৭ বছরে গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি এবং ক্ষতিগ্রস্ত পরিবারের কল্যাণ, সুচিকিৎসা, আইনি সুরক্ষা ও পুনর্বাসনের জন্য মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে নতুন একটি অধিদপ্তর গঠনের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

রোববার (২৩ আগস্ট) মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের সভাকক্ষে অনুষ্ঠিত আন্তমন্ত্রণালয় সভায় এ বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা ও পর্যালোচনা করা হয়।

সভায় মুক্তিযুদ্ধমন্ত্রী আহমেদ আযম খান বলেন, জুলাই গণ-অভ্যুত্থানে ক্ষতিগ্রস্তদের রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়া হয়েছে এবং তাদের জন্য পৃথক অধিদপ্তর গঠন করা হয়েছে। একইভাবে দীর্ঘ আন্দোলন-সংগ্রামের মাধ্যমে গণতন্ত্র পুনরুদ্ধারে যারা গুম, খুন, বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ড, নির্যাতন, পঙ্গুত্ব কিংবা মিথ্যা মামলার শিকার হয়েছেন, তাদের ত্যাগেরও রাষ্ট্রীয় স্বীকৃতি দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

তিনি বলেন, ভবিষ্যতে যেন কোনো শক্তি জনগণের গণতান্ত্রিক অধিকার হরণ করতে না পারে এবং কোনো পরিবারকে স্বজন হারানোর মতো বর্বরতার শিকার হতে না হয়, সে জন্য স্থায়ী প্রতিরোধ ব্যবস্থা গড়ে তোলার লক্ষ্যেই এ উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।

সভায় মুক্তিযুদ্ধ প্রতিমন্ত্রী ইশরাক হোসেন বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের মূল চেতনা ছিল- মানুষ স্বাধীনভাবে জীবনযাপন করবে, মানবাধিকার সুরক্ষিত থাকবে, রাষ্ট্রীয় বলপ্রয়োগ বন্ধ হবে এবং প্রত্যক্ষ ভোটাধিকারের মাধ্যমে একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্রব্যবস্থা প্রতিষ্ঠিত হবে।

তিনি বলেন, ২০০৯ সালের পর থেকে ভোটের অধিকার হরণ, রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষকতায় গুম ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের মাধ্যমে মুক্তিযুদ্ধের সেই মৌলিক চেতনা ক্ষুণ্ন করা হয়েছে। মুক্তিযুদ্ধের আদর্শ প্রতিষ্ঠার আন্দোলনে যারা জীবন দিয়েছেন, নির্যাতনের শিকার হয়েছেন, গুম হয়েছেন কিংবা আর্থিকভাবে নিঃস্ব হয়েছেন, তাদের জন্য রাষ্ট্রের কিছু করার দায়িত্ব রয়েছে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।

সভায় মন্ত্রণালয়ের কার্যপ্রণালি বা ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর প্রথম তফসিল সংশোধন করে নতুন এই দায়িত্ব মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের আওতাভুক্ত করার বিষয়ে বিস্তারিত আলোচনা হয়।

এ ক্ষেত্রে জাতিসংঘের ‘বেসিক প্রিন্সিপলস অ্যান্ড গাইডলাইনস অন দ্য রাইট টু আ রেমিডি অ্যান্ড রেপারেশন’ নীতিমালা এবং বাংলাদেশের সংবিধান অনুসরণ করে তিনটি বিষয়কে অগ্রাধিকার দেওয়ার কথা বলা হয়েছে।

যেসব উদ্যোগ নেওয়ার প্রস্তাব

১. মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের অধীনে একটি নতুন অধিদপ্তর প্রতিষ্ঠা।

২. গুম, খুন, নির্যাতন ও বিচারবহির্ভূত হত্যাকাণ্ডের শিকার ব্যক্তি ও তাদের পরিবারের পূর্ণ অধিকার এবং ক্ষতিপূরণ নিশ্চিত করতে সময়োপযোগী আইন প্রণয়ন।

৩. ‘রুলস অব বিজনেস, ১৯৯৬’-এর প্রথম তফসিল  সংশোধন করে এ-সংক্রান্ত দায়িত্ব আনুষ্ঠানিকভাবে মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের কার্যাবলির মধ্যে অন্তর্ভুক্ত করা।

-টিএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝