সদ্য সাবেক রাষ্ট্রপতি মো.শাহাবুদ্দিন জানিয়েছেন, নতুন রাষ্ট্রপতি মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের শপথ অনুষ্ঠানে তাঁকে কোনো আমন্ত্রণ জানানো হয়নি। এ কারণে বঙ্গভবনে অনুষ্ঠিত গুরুত্বপূর্ণ রাষ্ট্রীয় অনুষ্ঠানে তিনি উপস্থিত ছিলেন না।
আজ সাংবাদিক ও গণমাধ্যমকর্মী হেলাল উদ্দিনের এক ফেসবুক পোস্টে বিষয়টি জানা যায়। পোস্টে বলা হয়- টেলিফোনে মো.শাহাবুদ্দিন সঙ্গে কথা বলে তাঁর শারীরিক অবস্থার খোঁজ নেওয়ার পর নতুন রাষ্ট্রপতির শপথ অনুষ্ঠানে তাঁকে দেখা না যাওয়ার বিষয়টি জানতে চান হেলাল উদ্দিন। এ সময় তিনি জানতে চান, সাবেক রাষ্ট্রপতি অনুষ্ঠানের দাওয়াত পেয়েছিলেন কি না।
জবাবে মো. শাহাবুদ্দিন বলেন, “ভাই, দাওয়াত না দিলে আমি যাব কীভাবে? দাওয়াত ছাড়া তো আর বঙ্গভবনে নিজে থেকে যাওয়া যায় না।”
একজন সাবেক রাষ্ট্রপতিকে তাঁর উত্তরসূরির শপথ অনুষ্ঠানে আমন্ত্রণ না নিয়ে নানা মন্তব্য রাষ্ট্রীয় সৌজন্য করা হলো না বলে মনে করেন সংশ্লিষ্টরা।
বিশেষ করে ৫ আগস্ট-পরবর্তী রাজনৈতিক পরিস্থিতিতে রাষ্ট্রপতি হিসেবে মো. শাহাবুদ্দিনের নেওয়া বিভিন্ন সাংবিধানিক ও রাষ্ট্রীয় সিদ্ধান্ত বাংলাদেশের সাম্প্রতিক ইতিহাসের গুরুত্বপূর্ণ অংশ। তাঁর পূর্বের ভূমিকা, আওয়ামী রাষ্ট্রপতি নিয়ে বিতর্ক বা ভিন্নমত থাকলেও সাবেক রাষ্ট্রপতি হিসেবে তাঁর সাংবিধানিক পদমর্যাদা ও রাষ্ট্রীয় সম্মানের বিষয়টি আলাদাভাবে বিবেচনার দাবি রাখে বলে মনে করেন অনেকে।
এদিকে একই অনুষ্ঠানে অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের সাবেক প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস উপস্থিত ছিলেন এবং তাঁকে ভিভিআইপি আসনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের পাশে বসানো হয়েছে বলে হেলালের ওই পোস্টে দাবি করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়েও রাজনৈতিক অঙ্গনে আলোচনা তৈরি হয়েছে।
তবে এ বিষয়ে বঙ্গভবন বা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের আনুষ্ঠানিক বক্তব্য পাওয়া গেলে বিষয়টির প্রকৃত প্রেক্ষাপট আরও স্পষ্ট হবে।
-টিএস