ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের (ঢামেক) জরুরি বিভাগের মর্গে ১৫ বছর বয়সী এক কিশোরীর মরদেহ পড়ে আছে সাত দিন ধরে। তার নাম-পরিচয় এখনো জানা যায়নি।
গত ১২ আগস্ট বেলা ১১টার দিকে জরুরি বিভাগের গেটের সামনে ওই কিশোরীকে ফেলে পালিয়ে যান দুই ব্যক্তি। তাদের বয়স ৩৫ থেকে ৪০ বছর বলে জানা গেছে। তাদেরও পরিচয় জানা যায়নি।
কিশোরীর গলায় ফাঁস লাগানোর চিহ্ন এবং দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন ছিল। ওই দিনই কিশোরীকে মৃত ঘোষণা করেন জরুরি বিভাগের চিকিৎসক।
এ বিষয়ে শাহবাগ থানার উপ-পরিদর্শক (এসআই) মাহফুজা আক্তার বলেন, এখনো আমরা ওই কিশোরীর পরিচয় শনাক্ত করতে পারিনি। মরদেহ দেখতে একজন এসেছিলেন। পরে পরিচিত না বলে চলে গেছেন।
তিনি বলেন, ওই কিশোরীর গলা ও দুই হাতে আঘাতের চিহ্ন রয়েছে। ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন পেলে মৃত্যুর সঠিক কারণ জানা যাবে।
এসআই বলেন, আমরা ঢাকা মেডিকেলের ট্রলিম্যান আব্দুর রউফের কাছে থেকে জানতে পারি- ওই দিন বেলা ১১টার দিকে দুই ব্যক্তি কিশোরীকে একটি অটোরিকশায় ঢামেক জরুরি বিভাগের সামনে নিয়ে আসেন। পরে টিকিট কাটার কথা বলে পালিয়ে যান।
মাহফুজা আক্তার বলেন, আমরা কিশোরীর পরিচয় জানার চেষ্টা করছি। একই সঙ্গে সিসিটিভি ফুটেজ বিশ্লেষণ করে পালিয়ে যাওয়া দুই ব্যক্তিকে শনাক্তে তদন্ত শুরু করেছি।
টিআইএস