আগামী সেপ্টেম্বরে ভারতের রাজধানী নয়াদিল্লিতে অনুষ্ঠেয় ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান যোগ দেবেন কি না, সে বিষয়ে এখনো কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন তার তথ্য উপদেষ্টা জাহেদ উর রহমান।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) তথ্য অধিদপ্তরে নিয়মিত ব্রিফিংয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা জানান।
জাহেদ উর রহমান বলেন, বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য নয়; সম্মেলনে পর্যবেক্ষক হিসেবে আমন্ত্রণ জানানো হয়েছে। প্রধানমন্ত্রী সম্মেলনে যাবেন কি না, সে বিষয়ে সরকারের পর্যায়ে এখনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তিনি গেলে বিভিন্ন দেশের নেতাদের সঙ্গে বৈঠকের সুযোগ তৈরি হতে পারে।
আগামী ১২ ও ১৩ সেপ্টেম্বর নয়াদিল্লিতে ব্রিকসের ১৮তম শীর্ষ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। ১১ সদস্য দেশের এই জোটের সম্মেলনে আয়োজক দেশ বিভিন্ন রাষ্ট্রকে বিশেষ অতিথি হিসেবে আমন্ত্রণ জানাতে পারে।
সম্প্রতি দুই দেশের সম্পর্ক উন্নয়নের প্রক্রিয়ার মধ্যে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে ব্রিকস সম্মেলনে যোগ দেওয়ার আমন্ত্রণ জানান ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি।
বাংলাদেশ ব্রিকসের সদস্য হতে চায় কি না- এমন প্রশ্নের জবাবে তথ্য উপদেষ্টা বলেন, এ বিষয়ে এখনো সুনির্দিষ্ট কোনো সিদ্ধান্ত হয়নি। তবে বহুপাক্ষিক বিভিন্ন প্ল্যাটফর্মে যুক্ত হওয়ার বিষয়টি সরকারের বিবেচনায় রয়েছে।
এদিকে রাষ্ট্রপতি পদে থাকাকালে কোনো কর্মকাণ্ডের জন্য আইনি পদক্ষেপ নেওয়ার সুযোগ না থাকলেও দায়িত্বের আগে বা পরে সংঘটিত অপরাধের ক্ষেত্রে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া যেতে পারে বলেও জানান জাহেদ উর রহমান।
তিনি বলেন, ৩২ জন যুগ্ম সচিবকে বিধি মেনেই বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠানো হয়েছে। চাকরির বয়স ২৫ বছর পূর্ণ হলে সরকার বিধি অনুযায়ী কাউকে বাধ্যতামূলক অবসরে পাঠাতে পারে।
২০১৮ সালের নির্বাচনকে ইতিহাসের সবচেয়ে বড় অপরাধ উল্লেখ করে ওই নির্বাচনের তদন্ত হওয়া প্রয়োজন বলেও মন্তব্য করেন তিনি। একই সঙ্গে শাপলা চত্বর হত্যা মামলার বিচারপ্রক্রিয়ায় সরকারের বাধা দেওয়ার কোনো কারণ নেই বলেও জানান তথ্য উপদেষ্টা।
এছাড়া পর্যটন নগর কক্সবাজারকে পৌরসভা থেকে সিটি করপোরেশনে উন্নীত করার প্রক্রিয়া শুরু হয়েছে বলেও জানান তিনি।
-টিএস