ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬, ২১ আষাঢ় ১৪৩৩
শিরোনাম
Advertisement
চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে অভিবাসী পৌঁছানো কমেছে ৪১ শতাংশ
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: রবিবার, ৫ জুলাই, ২০২৬, ১০:২৭ এএম
ফাইল ছবি
X Advertisement

ফাইল ছবি

চলতি বছরের প্রথম ছয় মাসে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছানো অনিয়মিত অভিবাসীর সংখ্যা আগের বছরের একই সময়ের তুলনায় ৪১ শতাংশ কমেছে। ব্রিটিশ হোম অফিসের প্রকাশিত এক পরিসংখ্যানে এই তথ্য জানানো হয়েছে।

হোম অফিসের তথ্য অনুযায়ী, ২০২৬ সালের ১ জানুয়ারি থেকে ৩০ জুন পর্যন্ত ছোট নৌকায় করে মোট ১১ হাজার ৮৮৪ জন অনিয়মিত অভিবাসী ব্রিটিশ উপকূলে পৌঁছেছেন। ২০২৫ সালের একই সময়ে এই সংখ্যা ছিল ১৯ হাজার ৯৮২ জন।

২০২৬ সালের প্রথমার্ধের এই পরিসংখ্যান ২০২৪ সালের একই সময়ের তুলনায়ও কম। ২০২৪ সালের প্রথম ছয় মাসে ১৩ হাজার ৪৮৯ জন অভিবাসী ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে যুক্তরাজ্যে পৌঁছেছিলেন। অর্থাৎ এবার সেই সংখ্যার তুলনায়ও ১২ শতাংশ কম আগমন রেকর্ড করা হয়েছে।

এই পরিসংখ্যান ক্ষমতাসীন লেবার পার্টির জন্য ইতিবাচক হিসেবে দেখা হচ্ছে। তবে জাতীয় জনমত জরিপে দলটি বেশ কয়েক মাস ধরে নাইজেল ফারাজের নেতৃত্বাধীন অভিবাসনবিরোধী দল রিফর্ম ইউকের চেয়ে পিছিয়ে রয়েছে।

বিদায়ী ব্রিটিশ প্রধানমন্ত্রী কিয়ার স্টারমার ক্ষমতায় এসে মানবপাচারকারী চক্র ভেঙে দেওয়ার অঙ্গীকার করেছিলেন। তবে তার সরকার দায়িত্বে থাকার সময় ২০২৫ সালে ইংলিশ চ্যানেল পাড়ি দিয়ে অভিবাসী আগমনের সংখ্যা ২০১৮ সালের পর দ্বিতীয় সর্বোচ্চ পর্যায়ে পৌঁছায়। ২০১৮ সাল থেকেই এই রুটে অনিয়মিতভাবে যুক্তরাজ্যে যাওয়ার প্রবণতা উল্লেখযোগ্যভাবে বাড়তে শুরু করে।

দশ দিন আগে কিয়ার স্টারমার প্রধানমন্ত্রীর পদ থেকে পদত্যাগের ঘোষণা দিয়েছেন। তার স্থলাভিষিক্ত হিসেবে শিগগিরই লেবার পার্টির নেতা ও গ্রেটার ম্যানচেস্টারের সাবেক মেয়র অ্যান্ডি বার্নহ্যাম দায়িত্ব নিতে পারেন।

এদিকে, আশ্রয় ও অভিবাসন ব্যবস্থা সংস্কারের লক্ষ্যে ব্রিটিশ সরকার মঙ্গলবার (৩০ জুন) পার্লামেন্টে একটি বিল উত্থাপন করেছে। স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী শাবানা মাহমুদের উত্থাপিত এই প্রস্তাবের লক্ষ্য অনিয়মিত অভিবাসন নিরুৎসাহিত করা এবং অবৈধভাবে অবস্থানকারীদের দ্রুত নিজ দেশে ফেরত পাঠানোর প্রক্রিয়া জোরদার করা।

প্রস্তাবিত আইনে শরণার্থী মর্যাদা স্থায়ী না রেখে অস্থায়ী করার পরিকল্পনা রয়েছে। এছাড়া যুক্তরাজ্যে ইউরোপীয় মানবাধিকার কনভেনশনের প্রয়োগ সীমিত করা এবং আধুনিক দাসত্ববিষয়ক আইন সংশোধনেরও প্রস্তাব রাখা হয়েছে। সরকারের দাবি, এর ফলে আবেদন প্রত্যাখ্যাত আশ্রয়প্রার্থীদের আইনি আপিলের সুযোগ কমবে।

অনিয়মিত অভিবাসন মোকাবিলায় যুক্তরাজ্য ইতোমধ্যে জার্মানিসহ কয়েকটি দেশের সঙ্গে চুক্তি করেছে। এর আওতায় জার্মানি মানবপাচারকারীদের ব্যবহৃত নৌকার যন্ত্রাংশ মজুতের গুদামগুলোতে নজরদারি জোরদার করতে সম্মত হয়েছে। এছাড়া ইরাকের সঙ্গে অনিয়মিতভাবে অবস্থানকারী অভিবাসীদের ফেরত পাঠানোর বিষয়েও সমঝোতা হয়েছে।

চলতি বছরের এপ্রিলে ফ্রান্সের সঙ্গে তিন বছরের একটি চুক্তিও সই করে যুক্তরাজ্য। এর আওতায় ছোট নৌকা যেসব সৈকত থেকে ছেড়ে যায় সেখানে টহল জোরদারে ফ্রান্সকে ৬৬ কোটি ২০ লাখ পাউন্ড অর্থাৎ প্রায় ৭৭ কোটি ১০ লাখ ইউরো দেওয়া হবে। ইনফোমাইগ্রেন্টস।


এসএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000.

Phone: PABX- 41053001-06; Online: 41053014; 01550707297 Advertisement: 41053012; 01550707292, E-mail: [email protected] [email protected]
🔝