মহাষষ্ঠীর মধ্য দিয়ে আজ শুক্রবার থেকে শুরু হচ্ছে সনাতন ধর্মাবলম্বীদের সবচেয়ে বড় ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। এদিন সকালে কল্পারম্ভ ও ষষ্ঠীপূজার মাধ্যমে মণ্ডপে মণ্ডপে দেবীর রূপ উন্মোচিত হচ্ছে এবং সন্ধ্যায় অনুষ্ঠিত হবে শ্রীশ্রী দেবীর বোধন, আমন্ত্রণ ও অধিবাস।
এর আগে গত ১০ অক্টোবর শুভ মহালয়ার মধ্য দিয়ে মর্ত্যে দেবীপক্ষের আগমন ঘটেছিল। গত কয়েক দিন ধরে রাজধানীসহ দেশের বিভিন্ন প্রান্তের পূজামণ্ডপগুলোতে প্রতিমা তৈরি, প্রতিমায় রং তুলির শেষ স্পর্শ প্রদান এবং চোখধাঁধানো আলোকসজ্জার কাজ সম্পন্ন করেন শিল্পীরা। মণ্ডপ ও তোরণ নির্মাণের কাজও ইতোমধ্যে শেষ হয়েছে।
বাংলাদেশ পূজা উদযাপন পরিষদের দেয়া তথ্য অনুযায়ী, এ বছর সারা দেশে মোট ৩৩ হাজার ৮৫১টি মণ্ডপে দুর্গাপূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে। গত বছরের (৩৩,৩৫৫টি) তুলনায় এবার মণ্ডপের সংখ্যা বেড়েছে ৪৯৬টি। তবে ঢাকা মহানগরে এবার ২৫৮টি মণ্ডপে পূজা অনুষ্ঠিত হচ্ছে, যা গত বছরের (২৬১টি) চেয়ে তিনটি কম।
উৎসবমুখর ও শান্তিপূর্ণ পরিবেশে পূজা আয়োজনের লক্ষ্যে পরিষদের পক্ষ থেকে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ের কমিটিগুলোকে ২২ দফা নিরাপত্তামূলক নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে প্রতিটি মণ্ডপে সার্বক্ষণিক নিজস্ব স্বেচ্ছাসেবী রাখা, সিসিটিভি ক্যামেরা স্থাপন, অগ্নিনির্বাপণ ব্যবস্থা জোরদার করা এবং যেকোনো জরুরি পরিস্থিতিতে স্থানীয় প্রশাসন ও আইন প্রয়োগকারী সংস্থাকে দ্রুত অবহিত করার বিষয়টি বাধ্যতামূলক করা হয়েছে।
এদিকে ঢাকা মহানগরীসহ সারা দেশে দুর্গাপূজাকে কেন্দ্র করে নেওয়া হয়েছে বহুমাত্রিক নিরাপত্তা ব্যবস্থা। প্রধান প্রধান পূজামণ্ডপ ও স্পর্শকাতর এলাকাগুলোতে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর বাড়তি সদস্য মোতায়েনের পাশাপাশি নজরদারি জোরদার করা হয়েছে।
এসএ