মৃত সরকারি কর্মকর্তা-কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করলে আজীবন পারিবারিক পেনশন পাবেন। তবে পেনশন চালু রাখতে সাধারণভাবে বছরে একবার পুনর্বিবাহ না করার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে জমা দিতে হবে।
তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবাদের ক্ষেত্রে এ অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র জমা দেওয়ার শর্ত থাকছে না।
রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও অবসরকালীন সুবিধা নিয়ে নতুন বিধান নির্ধারণ করে প্রজ্ঞাপন জারি করেছে অর্থ মন্ত্রণালয়ের অর্থ বিভাগ। প্রজ্ঞাপনে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, নিট পেনশন, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের নিয়ম নির্ধারণ করা হয়েছে। নতুন বিধানগুলো গত ১ জুলাই থেকে কার্যকর হবে।
প্রজ্ঞাপনে বলা হয়েছে, মৃত সরকারি কর্মচারীর বিধবা স্ত্রী বা বিপত্নীক স্বামী পুনর্বিবাহ না করা পর্যন্ত আজীবন পারিবারিক পেনশন পাওয়ার যোগ্য থাকবেন। পারিবারিক পেনশন গ্রহণের সময় পুনর্বিবাহ করেননি—এ মর্মে বছরে একবার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র সংশ্লিষ্ট হিসাবরক্ষণ কর্মকর্তার কার্যালয়ে দাখিল করতে হবে।
তবে ৫০ বছরের বেশি বয়সী বিধবাদের জন্য এ শর্তে ছাড় দেওয়া হয়েছে। ফলে তাদের প্রতি বছর পুনর্বিবাহ না করার অঙ্গীকারনামা বা প্রত্যয়নপত্র জমা দিতে হবে না।
এ ছাড়া নতুন প্রজ্ঞাপনে সরকারি কর্মচারীদের পেনশন ও অবসরকালীন বিভিন্ন সুবিধা নির্ধারণের কাঠামোও স্পষ্ট করা হয়েছে। চাকরিকালের ভিত্তিতে পেনশনের হার সর্বোচ্চ ৯০ শতাংশ পর্যন্ত নির্ধারণ করা হয়েছে। বিদ্যমান পেনশনভোগীদের ক্ষেত্রে নিট পেনশনের সর্বোচ্চ সীমা ৭০ হাজার ২০০ টাকা নির্ধারণ করা হয়েছে।
প্রজ্ঞাপনের মাধ্যমে সরকারি চাকরিজীবীদের অবসরকালীন সুবিধা নির্ধারণে পেনশনযোগ্য চাকরিকাল, আনুতোষিক, পারিবারিক পেনশন ও ছুটি নগদায়নের ক্ষেত্রে প্রযোজ্য নিয়মগুলোও নির্ধারণ করা হয়েছে।
আরএন