আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় গঙ্গা ও গড়াই নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। এ সময়ে চাঁপাইনবাবগঞ্জ, ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও মাগুরার কিছু এলাকায় নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে বলে আভাস দিয়েছে বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্র।
শনিবার (১২ সেপ্টেম্বর) বন্যা পূর্বাভাস ও সতর্কীকরণ কেন্দ্রের প্রকাশিত বৃষ্টিপাত ও নদ-নদীর পরিস্থিতি এবং পূর্বাভাস প্রতিবেদনে এ তথ্য জানানো হয়েছে।
প্রতিবেদনে বলা হয়, দেশের সব প্রধান নদ-নদীর পানি বর্তমানে বিপৎসীমার নিচ দিয়ে প্রবাহিত হচ্ছে। আগামী তিন দিন দেশের উত্তরাঞ্চল, উত্তর-পূর্বাঞ্চল, দক্ষিণ-পূর্বাঞ্চলের পার্বত্য এলাকা এবং এসব এলাকার সংলগ্ন উজানে মাঝারি থেকে মাঝারি-ভারি বৃষ্টিপাত হতে পারে।
গঙ্গার পানি আগামী দুই দিন স্থিতিশীল থেকে পরের তিন দিন কমতে পারে। পদ্মার পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে এবং আগামী পাঁচ দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। তবে আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় চাঁপাইনবাবগঞ্জের কিছু এলাকায় গঙ্গার পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে।
এদিকে গত ২৪ ঘণ্টায় গড়াই ও মাথাভাঙার পানি বেড়েছে। আগামী এক দিন এ দুই নদীর পানি আরও বাড়তে পারে এবং পরের দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে। আগামী ২৪ থেকে ৪৮ ঘণ্টায় ফরিদপুর, রাজবাড়ী ও মাগুরার কিছু এলাকায় গড়াই নদীর পানি সতর্কসীমায় প্রবাহিত হতে পারে। একই সময়ে নদীসংলগ্ন নিম্নাঞ্চল সাময়িকভাবে প্লাবিত হতে পারে।
সিলেট অঞ্চলের মনু, ধলাই ও খোয়াই নদীর পানি গত ২৪ ঘণ্টায় বেড়েছে। আগামী এক দিন এসব নদীর পানি বাড়তে পারে। এরপর দুই দিন পানি কমতে পারে।
সুরমার পানি গত ২৪ ঘণ্টায় স্থিতিশীল এবং কুশিয়ারার পানি কমেছে। সুরমার পানি আগামী তিন দিন কমতে পারে। কুশিয়ারার পানি আগামী এক দিন বাড়তে পারে এবং পরের দুই দিন স্থিতিশীল থাকতে পারে।
উত্তরাঞ্চলের ধরলা ও দুধকুমারের পানি স্থিতিশীল রয়েছে। আগামী তিন দিন এ দুই নদীর পানি স্থিতিশীল থাকতে পারে। অন্যদিকে তিস্তার পানি গত ২৪ ঘণ্টায় কমেছে। আগামী এক দিন তিস্তার পানি স্থিতিশীল থেকে পরের দুই দিন কমতে পারে।
এসএস