সন্ত্রাস, চাঁদাবাজি, মাদক ও অবৈধ অস্ত্র উদ্ধারে সারা দেশে বিশেষ অভিযান পরিচালনার নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী সালাহউদ্দিন আহমদ।
শনিবার রাজারবাগ পুলিশ অডিটোরিয়ামে ‘ত্রৈমাসিক অপরাধ পর্যালোচনা সভা’ শেষে সাংবাদিকদের এ তথ্য জানান তিনি।
স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, ‘সারা দেশে অবৈধ ও থানা থেকে লুণ্ঠিত হওয়া অস্ত্র উদ্ধারে অভিযান চলছে। পাশাপাশি মাদক চোরাচালান, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজি ধরার জন্যও বিশেষ অভিযান চলবে।’
অভিযানে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তা নেওয়া হবে জানিয়ে তিনি বলেন, গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর ইন্টেলিজেন্স সাপোর্ট নিয়ে এসব কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। অভিযান আরও জোরদার করতে সভায় বিভিন্ন পরামর্শ ও কৌশল প্রণয়ন করা হয়েছে।
তবে এসব কৌশলের বিস্তারিত জানাতে রাজি হননি স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কিছু কৌশল প্রণয়ন করেছি। যেটা এখানে আমার বলা ঠিক হবে না।’
অপরাধ দমনে পুলিশের দায়বদ্ধতার বিষয়টি তুলে ধরে সালাহউদ্দিন আহমদ বলেন, সন্ত্রাসী, চাঁদাবাজ ও মাদক কারবারিদের বিরুদ্ধে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে কর্মকর্তাদের নির্দিষ্ট সময়সীমা বেঁধে দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে প্রত্যাশিত অগ্রগতি দেখাতে ব্যর্থ হলে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের বিরুদ্ধে কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
তিনি আরও বলেন, সারা দেশে অবৈধ অস্ত্র, মাদক, চোরাচালান ও চাঁদাবাজি রোধে গোয়েন্দা সংস্থাগুলোর সহায়তায় বিশেষ কৌশলগত অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে।
আইজিপি মো. আলী হোসেন ফকিরের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব মনজুর মোর্শেদ চৌধুরী। স্বাগত বক্তব্য দেন পুলিশের অতিরিক্ত আইজিপি (ক্রাইম অ্যান্ড অপারেশন্স) খন্দকার রফিকুল ইসলাম।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন পুলিশ সদর দপ্তরের অতিরিক্ত আইজিপি (প্রশাসন) একেএম আওলাদ হোসেন, বিভিন্ন রেঞ্জের ডিআইজি, বিভিন্ন মেট্রোপলিটন এলাকার পুলিশ কমিশনার, অতিরিক্ত পুলিশ কমিশনার এবং জেলার পুলিশ সুপাররা (এসপি) । এ সময় মন্ত্রী তাদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন এবং অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি নিয়ে মতবিনিময় করেন।
এফএস