করোনা মহামারি সম্পর্কিত সরকারি নথি গোপন করা ও পাবলিক রেকর্ডস আইন এড়ানোর ষড়যন্ত্রের দায় স্বীকার করেছেন সংক্রামক রোগ বিশেষজ্ঞ অ্যান্থনি ফাউচির সাবেক উপদেষ্টা ডেভিড মোরেন্স। মহামারি চলাকালীন ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব অ্যালার্জি অ্যান্ড ইনফেকশাস ডিজিজেসে (এনআইএআইডি) ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা হিসেবে কাজ করেছেন। খবর রয়টার্সের।
মঙ্গলবার (১৮ আগস্ট) মেরিল্যান্ডের গ্রিনবেল্টে একটি ফেডারেল আদালতে শুনানিকালে নিজের দোষ স্বীকার করেন তিনি।
প্রসিকিউটরদের মতে, ২০২০ সালের এপ্রিল থেকে করোনাভাইরাস গবেষণার অনুদান সম্পর্কে এনআইএআইডি’র কাছে আসা জনস্বার্থ-সংশ্লিষ্ট অনুরোধগুলোকে বাধা দিয়েছেন মোরেন্স। আগামী ১২ নভেম্বর তার বিরুদ্ধে রায় ঘোষণা করবেন আদালত। এতে তার সর্বোচ্চ পাঁচ বছরের কারাদণ্ড হতে পারে।
তার আইনজীবী টিমোথি বেলেভেটজ এক বিবৃতিতে বলেছেন, ‘দোষ স্বীকার করে নেয়ার মাধ্যমে ড. মোরেন্স তার কৃতকর্মের দায়ভার গ্রহণ করেছেন।’
করোনাভাইরাসের উৎপত্তির রহস্য এখনও অমীমাংসিত। ২০২৩ সালে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা এফবিআই জানিয়েছিল, উহানের একটি গবেষণাগার থেকে ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার কারণেই সম্ভবত এই মহামারি শুরু হয়েছিল। তবে চীন এই দাবিকে ‘সম্পূর্ণ ভিত্তিহীন’ বলে উড়িয়ে দেয়।
২০২৫ সালের জানুয়ারিতে আরে মার্কিন গোয়েন্দা সংস্থা সিআইএ জানায়, ল্যাব থেকে করোনাভাইরাস ছড়িয়ে পড়েছে, এমন তত্ত্বে তাদের ‘আস্থা খুবই কম’। অন্যদিকে, যুক্তরাষ্ট্রের আরও চারটি গোয়েন্দা সংস্থা এবং ন্যাশনাল ইন্টেলিজেন্স কাউন্সিলের বিশ্বাস, কোনও প্রাণী থেকে প্রাকৃতিকভাবে সংক্রমণের মাধ্যমেই এই ভাইরাসটির আবির্ভাব ঘটার সম্ভাবনা সবচেয়ে বেশি।
এসএ