চিকিৎসার জন্য সিঙ্গাপুরে অবস্থানরত ক্ষমতাচ্যুত সাবেক প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা ও রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের মধ্যে ফোনালাপের কোনো তথ্য পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের কাছে নেই বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম। তবে এমন কোনো ঘটনা ঘটে থাকলে তা তদন্ত করা হবে বলেও জানান তিনি।
বৃহস্পতিবার (২৩ জুলাই) বিকেলে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে তিনি এসব কথা বলেন।
শামা ওবায়েদ বলেন, “এ বিষয়ে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় কোনো সুনির্দিষ্ট তথ্য পায়নি। যদি বিষয়টি সত্য হয়ে থাকে, তাহলে অবশ্যই পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও সরকার বিষয়টি তদন্ত করবে।”
মার্কিন দূতের ঢাকা সফর প্রসঙ্গে পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী বলেন, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে বাংলাদেশের বহুপাক্ষিক সম্পর্ক রয়েছে। দুই দেশের বাণিজ্যিক সম্পর্ক, কূটনীতি ও অর্থনৈতিক কূটনীতি আরও এগিয়ে নেওয়ার বিষয়গুলো নিয়ে আলোচনা হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
ভারতে চলমান ছাত্র আন্দোলন এবং সেখানে অবস্থানরত বাংলাদেশিদের বিষয়ে বাংলাদেশের উদ্বেগ আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে শামা ওবায়েদ বলেন, বাংলাদেশ একটি গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র হিসেবে এ অঞ্চলে শান্তি ও স্থিতিশীলতা বজায় রাখতে চায়।
তিনি বলেন, “ভারত বিশ্বের বৃহত্তম গণতান্ত্রিক দেশ। আমরা আশা করব, তারা তাদের জনগণের অবস্থান বিবেচনায় নিয়ে দ্রুত সমস্যার সমাধানের দিকে এগিয়ে যাবে।”
এদিকে বাংলাদেশি পাসপোর্টের মানের কোনো অবনমন হয়নি বলেও দাবি করেছেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী। তিনি বলেন, ভিসা জটিলতার সঙ্গে বাংলাদেশি পাসপোর্টের মানের কোনো সম্পর্ক নেই; বরং অবৈধভাবে বিদেশ যাওয়ার প্রবণতাসহ বিভিন্ন কারণে কিছু দেশে ভিসা জটিলতা তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, “বাংলাদেশি পাসপোর্টের মানের কোনো অবনমন হয়নি। সরকার গঠনের পর থেকে এ বিষয়ে কাজ চলছে। বিশেষ করে সংযুক্ত আরব আমিরাত ও মালয়েশিয়াসহ কয়েকটি দেশে ভিসা সমস্যার বিষয়টি নিয়ে আলোচনা করা হচ্ছে।”
ভিসা সমস্যার সমাধানে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এবং প্রবাসী কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের মধ্যে একাধিক বৈঠক হয়েছে বলেও জানান তিনি।
শামা ওবায়েদ বলেন, সংশ্লিষ্ট দেশগুলোর সঙ্গে আলোচনার মাধ্যমে ভিসা সংক্রান্ত জটিলতা নিরসনের চেষ্টা চলছে।
এসআর