ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 মঙ্গলবার, ১৩ অক্টোবর ২০২৬, ২৮ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
ফ্যামিলি কার্ডের তথ্য সংগ্রহ শুরু, এ বছর ভাতা পাবেন আরও ৪০ লাখ নারী
✎ অবজারভার প্রতিবেদক
⏲ প্রকাশিত: সোমবার, ১২ অক্টোবর, ২০২৬, ৫:৫৭ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

দেশের সব পরিবারের আর্থসামাজিক তথ্য সংগ্রহের মাধ্যমে ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পূর্ণাঙ্গ বাস্তবায়ন শুরু করেছে সরকার। সোমবার (১২ অক্টোবর) থেকে দেশব্যাপী একযোগে বাড়ি বাড়ি গিয়ে তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম শুরু হয়েছে। আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে প্রায় ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করে কেন্দ্রীয় ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করার পরিকল্পনা রয়েছে। চলতি ২০২৬-২৭ অর্থবছরে নতুন করে ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়ার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।

সোমবার (১২ অক্টোবর) সচিবালয়ে তথ্য অধিদফতরের সম্মেলন কক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে এসব তথ্য জানান সমাজকল্যাণ এবং মহিলা ও শিশু বিষয়কমন্ত্রী অধ্যাপক ডা. এ জেড এম জাহিদ হোসেন। এ সময় ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির অগ্রগতি, উপকারভোগী নির্বাচনের পদ্ধতি, তথ্য সংগ্রহ কার্যক্রম ও ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা তুলে ধরেন তিনি।

সমাজকল্যাণ মন্ত্রী বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচি বাস্তবায়নে ২০২৬-২৭ অর্থবছরে ১৪ হাজার ৫০০ কোটি টাকা বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। এর মধ্যে ১২ হাজার ৩০০ কোটি টাকা রাখা হয়েছে ভাতা বিতরণের জন্য। কর্মসূচিটি সুষ্ঠুভাবে বাস্তবায়নে ইতোমধ্যে ‘ফ্যামিলি কার্ড বাস্তবায়ন নীতিমালা, ২০২৬’ প্রণয়ন করা হয়েছে।’ 

সবাই কার্ড পাবেন, ভাতা পাবেন তিন শ্রেণির পরিবার

সমাজকল্যাণমন্ত্রী জানান, ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির আওতায় দেশের সব পরিবারকে আর্থসামাজিক অবস্থার ভিত্তিতে পাঁচটি শ্রেণিতে ভাগ করা হচ্ছে। এগুলো হলো- অতিদরিদ্র, দরিদ্র, ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত, মধ্যবিত্ত ও উচ্চবিত্ত। প্রতিটি পরিবারের নারীপ্রধান ফ্যামিলি কার্ড পাবেন। তবে প্রথম তিন শ্রেণির অর্থাৎ অতিদরিদ্র, দরিদ্র ও ঝুঁকিপূর্ণ নিম্নবিত্ত পরিবারের নারীপ্রধানরা ভাতার সুবিধা পাবেন।

তিনি বলেন, ‘এটি সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকারপ্রাপ্ত কর্মসূচি। নারীর অর্থনৈতিক ক্ষমতায়ন নিশ্চিত করার পাশাপাশি পরিবারের সিদ্ধান্ত গ্রহণের ক্ষেত্রে তাদের অংশগ্রহণ ও মর্যাদা বাড়ানোই এর অন্যতম উদ্দেশ্য। এখানে ধর্মীয় বা রাজনৈতিক পরিচয়ের ভিত্তিতে কাউকে বাদ দেওয়ার সুযোগ নেই।’

মন্ত্রণালয়ের তথ্য তুলে ধরে তিনি বলেন, ‘বাংলাদেশ পরিসংখ্যান ব্যুরোর (বিবিএস) হালনাগাদ করা প্রক্সি মিন্স টেস্ট (পিএমটি) পদ্ধতির মাধ্যমে পরিবারের আর্থসামাজিক অবস্থান নির্ধারণ করা হবে। এই পদ্ধতিতে ৮৬০ বা তার কম স্কোর পাওয়া নারী পরিবারপ্রধানরা ভাতা পাওয়ার যোগ্য হিসেবে বিবেচিত হবেন।’ 

মন্ত্রী জানান, একটি পরিবারের আয় ও সম্পদের অবস্থা, শিক্ষাগত যোগ্যতা, জমি, বসতবাড়ি, পানি ও স্যানিটেশন সুবিধাসহ বিভিন্ন সূচক বিবেচনায় পিএমটি স্কোর নির্ধারণ করা হয়। তথ্য সংগ্রহকারীরা সরাসরি কাউকে ভাতার জন্য নির্বাচন করতে পারবেন না। সংগৃহীত তথ্যের ভিত্তিতে সফটওয়্যারের মাধ্যমে স্বয়ংক্রিয়ভাবে যোগ্যতা নির্ধারিত হবে।

তথ্য সংগ্রহে ৬৬ হাজার ৮১৫ কর্মী

সংবাদ সম্মেলনে তিনি বলেন, ‘সারা দেশে তথ্য সংগ্রহের জন্য ৬৬ হাজার ৮১৫ জন তথ্য সংগ্রহকারী এবং ৬ হাজার ৬৮১ জন সুপারভাইজার নিয়োগ করা হয়েছে। তাদের প্রথম পর্যায়ের প্রশিক্ষণও সম্পন্ন হয়েছে।’ 

তথ্য সংগ্রহকারীরা বিশেষায়িত ট্যাবলেট ডিভাইস ব্যবহার করে প্রতিটি বাড়িতে গিয়ে পরিবারের সদস্যদের তথ্য সংগ্রহ করবেন। এসব তথ্য সরাসরি অনলাইন ডেটাবেইজে সংরক্ষিত হবে। তথ্য সংগ্রহের কার্যক্রম পর্যবেক্ষণে জিআইএসভিত্তিক প্রযুক্তি ও অনলাইন মনিটরিং ব্যবস্থা ব্যবহার করা হবে।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ডের জন্য কাউকে কোথাও যেতে হবে না। তথ্য সংগ্রহকারীরা প্রত্যেকের বাড়িতে যাবেন। কোনও অফিসে বসে কিংবা একটি স্থানে কয়েকটি পরিবারের তথ্য একসঙ্গে সংগ্রহ করার সুযোগ নেই।’

তিনি জানান, প্রতিটি তথ্য সংগ্রহকারীকে দৈনিক আট ঘণ্টা কাজের মধ্যে ১০ থেকে ১৫টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহের লক্ষ্য দেওয়া হয়েছে। তথ্যের নির্ভুলতা নিশ্চিত করতে স্থানীয় পর্যায় থেকে কেন্দ্রীয় পর্যায় পর্যন্ত তদারকি ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

ইউনিয়ন, উপজেলা, জেলা ও বিভাগীয় পর্যায়ে সংশ্লিষ্ট সরকারি কর্মকর্তাদের সমন্বয়ে গঠিত কমিটি তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাই কার্যক্রম পর্যবেক্ষণ করবে। জাতীয় পর্যায়েও কর্মসূচি বাস্তবায়নের অগ্রগতি পর্যালোচনার ব্যবস্থা রয়েছে।

একাধিক সরকারি ভাতা নেওয়ার সুযোগ থাকবে না

মন্ত্রী জানান, একই ব্যক্তি যাতে একাধিক সরকারি সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচি থেকে একই ধরনের সুবিধা নিতে না পারেন, সে জন্য তথ্য যাচাইয়ের বিশেষ ব্যবস্থা রাখা হয়েছে।

তিনি বলেন, ‘প্রথমে পিএমটি স্কোরের মাধ্যমে যোগ্য পরিবার চিহ্নিত করা হবে। এরপর অর্থ মন্ত্রণালয়ের আইবাসসহ সংশ্লিষ্ট তথ্যব্যবস্থার মাধ্যমে যাচাই করা হবে, ওই ব্যক্তি আগে থেকে অন্য কোনও সরকারি ভাতা বা সুবিধা পাচ্ছেন কিনা।’

তথ্য যাচাইয়ের ক্ষেত্রে জাতীয় পরিচয়পত্রকে (এনআইডি) ভিত্তি হিসেবে ব্যবহার করা হচ্ছে বলে জানান তিনি।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী আরও বলেন, ‘ফ্যামিলি কার্ড শুধু ভাতা বিতরণের মাধ্যম হিসেবে সীমাবদ্ধ থাকবে না। এতে পরিবারের সদস্যদের তথ্যও সংযুক্ত থাকবে। ভবিষ্যতে এটি একটি সমন্বিত পারিবারিক তথ্যভান্ডার তৈরিতে সহায়ক হবে।’ 

তিনি বলেন, ‘আগামী ডিসেম্বরের মধ্যে আনুমানিক ৪ কোটি ৪৫ লাখ পরিবারের তথ্য সংগ্রহ ও ডেটাবেইজে অন্তর্ভুক্ত করা হবে। প্রতি পরিবারে গড়ে পাঁচ জন সদস্য ধরে এ হিসাব নির্ধারণ করা হয়েছে। তবে সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণমন্ত্রী নভেম্বরের শেষ নাগাদ দেশব্যাপী তথ্য সংগ্রহের কাজ শেষ করার আশা প্রকাশ করেন।’ 

মন্ত্রী জানান, পাইলটিং কার্যক্রমের অভিজ্ঞতার ভিত্তিতে ধারণা করা হচ্ছে, পূর্ণাঙ্গ তথ্য সংগ্রহ শেষে প্রায় ১ কোটি ৬০ লাখ থেকে ২ কোটি ১৫ লাখ পরিবার ভাতার যোগ্য হিসেবে চিহ্নিত হতে পারে। তবে চূড়ান্ত সংখ্যা নির্ধারিত হবে তথ্য সংগ্রহ ও যাচাই-বাছাইয়ের পর।

চলতি অর্থবছরে নতুন ৪০ লাখ নারী পরিবারপ্রধানকে ভাতা দেওয়ার পাশাপাশি পরবর্তী তিন অর্থবছরে পর্যায়ক্রমে যোগ্য সব নারী পরিবারপ্রধানকে কর্মসূচির আওতায় আনার পরিকল্পনা রয়েছে। 

পাইলটিংয়ে ভাতা পেয়েছেন ৭১ হাজার ৮৩১ নারী

মন্ত্রী জানান, গত ১০ মার্চ প্রধানমন্ত্রী ফ্যামিলি কার্ড কর্মসূচির পাইলটিং কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন। জুন পর্যন্ত দেশের আট বিভাগের ৪৪ জেলার ৫৫ উপজেলা ও সিটি করপোরেশনের মোট ৫৭টি ইউনিটে পাইলটিং কার্যক্রম পরিচালিত হয়েছে।

এ সময় ১ লাখ ১২ হাজার ৯৪টি পরিবারের তথ্য সংগ্রহ করা হয়। পিএমটি স্কোরের ভিত্তিতে যাচাই-বাছাই করে ৭১ হাজার ৮৩১ জন যোগ্য উপকারভোগীকে ফ্যামিলি কার্ড ও ভাতা দেওয়া হয়েছে।

পাইলটিং কার্যক্রমে বরাদ্দ ছিল ৮৬ কোটি ৬০ লাখ টাকা। এর বিপরীতে ব্যয় হয়েছে ৬৫ কোটি ৭৩ লাখ টাকা। ব্যয়ের মধ্যে ৫৭ কোটি ২০ লাখ টাকা সরাসরি ভাতা হিসেবে বিতরণ করা হয়েছে। 

মন্ত্রী জানান, পাইলটিং চলাকালে কয়েকটি এলাকায় তথ্য সংগ্রহে ত্রুটি পাওয়া যায়। বিশেষ করে যশোরের একটি এলাকায় ভৌগোলিক সীমানা নির্ধারণসংক্রান্ত সমস্যার কারণে একটি গ্রামের তথ্য বাদ পড়েছিল। পরবর্তী সময়ে তা সংশোধন করা হয়েছে।

এটিএম, মোবাইল ব্যাংকিংয়ে ভাতা উত্তোলনের সুবিধা

ফ্যামিলি কার্ডে আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের কথাও জানিয়েছেন সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘কার্ডটিতে ডুয়েল চিপ, কিউআর কোড ও নিয়ার ফিল্ড কমিউনিকেশন (এনএফসি) প্রযুক্তির সুবিধা থাকবে। এটি সরকারের ‘টাকাপে’ পেমেন্ট ব্যবস্থার সঙ্গে সংযুক্ত থাকবে।’ 

উপকারভোগীরা ব্যাংকের এটিএম বুথ, বিপণিবিতানের পয়েন্ট অব সেলস (পিওএস) এবং মোবাইল ফিন্যান্সিয়াল সার্ভিসেসের (এমএফএস) মাধ্যমে ভাতা উত্তোলন করতে পারবেন।

সমাজকল্যাণমন্ত্রী বলেন, ‘কার্ডে পরিবারের একাধিক সদস্যের তথ্য সংরক্ষিত থাকবে। ফলে ব্যক্তিগত তথ্যের নিরাপত্তাকে বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে। অনুমোদন ছাড়া কেউ যাতে এসব তথ্য ব্যবহার করতে না পারে, সে জন্য প্রযুক্তিগত সুরক্ষাব্যবস্থা রাখা হয়েছে।’ 

দুই মাস অন্তর তথ্য হালনাগাদের পরিকল্পনা

ফ্যামিলি কার্ডের তথ্যভান্ডারকে স্থায়ী বা অপরিবর্তনীয় হিসেবে রাখা হবে না বলে জানান সমাজকল্যাণমন্ত্রী। তিনি বলেন, ‘সময়ের সঙ্গে পরিবারের আর্থিক অবস্থা ও সদস্যসংখ্যার পরিবর্তন হতে পারে। এসব বিষয় বিবেচনায় তথ্যভান্ডারকে ‘ডায়নামিক সোশ্যাল রেজিস্ট্রি’ হিসেবে গড়ে তোলা হচ্ছে।’ 

এ ব্যবস্থায় স্থানীয় সমাজকর্মী ও সমাজকল্যাণ কর্মকর্তাদের মাধ্যমে নিয়মিত তথ্য যাচাই এবং দুই মাস অন্তর পরিবর্তিত তথ্য পর্যবেক্ষণের পরিকল্পনা রয়েছে।

ভাতার অর্থ কীভাবে ব্যবহার হচ্ছে, সেটিও মূল্যায়ন করবে সরকার। বিশেষ করে শিশুদের শিক্ষা ও স্বাস্থ্য, হাঁস-মুরগি পালন, সবজি চাষ, কুটিরশিল্প এবং পরিবারভিত্তিক আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে এই অর্থের প্রভাব পর্যালোচনা করা হবে।

মন্ত্রী বলেন, ‘আমরা চাই এই অর্থ শুধু দৈনন্দিন খরচের মধ্যে সীমাবদ্ধ না থাকুক। নারীরা যেন পরিবারের শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও আয়বর্ধক কর্মকাণ্ডে সিদ্ধান্ত নিতে পারেন এবং নিজেদের অর্থনৈতিক সক্ষমতা বাড়াতে পারেন।’

তিনি আরও জানান, কর্মসূচির কার্যকারিতা মূল্যায়নে দেশি-বিদেশি বিশ্ববিদ্যালয় ও উন্নয়ন সহযোগীদের আগ্রহ রয়েছে। পাইলটিংয়ের উপকারভোগীদের ওপর ভাতার প্রভাব যাচাইয়ের উদ্যোগও নেওয়া হচ্ছে।

সরকারের লক্ষ্য, ফ্যামিলি কার্ডের মাধ্যমে সামাজিক নিরাপত্তা কর্মসূচিকে আরও সমন্বিত, প্রযুক্তিনির্ভর ও স্বচ্ছ করা এবং পর্যায়ক্রমে দেশের সব যোগ্য নারী পরিবারপ্রধানের কাছে আর্থিক সহায়তা পৌঁছে দেওয়া। 

সংবাদ সম্মেলনে সমাজকল্যাণ প্রতিমন্ত্রী ফারজানা শারমীন ও তথ্য অধিদফতরের প্রধান তথ্য কর্মকর্তা সৈয়দ আবদাল আহমেদসহ সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন। 

টিআই
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement