মানবেতর জীবনযাপন করছেন যশোরের শার্শার দাউদখালী গেট এলাকার বাসিন্দা সাহেব আলী (৬৪) ও জোবেদা খাতুন (৫০) দম্পতি। বয়সের ভারে নুয়ে পড়েছে শরীর। ঠিকমতো চলতে-ফিরতে পারেন না। এর ওপর শরীরে বেঁধেছে ব্যাধি। ওষুধ কেনার টাকাও নেই। থাকেন সরকারি জমিতে। সবমিলিয়ে অনাহারে-অর্ধহারে দিন কাটছে।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, প্রায় দুই বছর আগে ব্রেন স্ট্রোক করেন সাহেব আলী। এরপর থেকে তার শরীরের একাংশ অবশ হয়ে পড়ে। হারিয়ে ফেলেন স্বাভাবিক কর্মক্ষমতা। পরবর্তীতে তার হৃদরোগ ও কিডনি জটিলতা ধরা পড়ে।
অন্যদিকে, তার স্ত্রী জোবেদা খাতুনও দীর্ঘদিন ধরে হৃদরোগে আক্রান্ত। সামান্য হাঁটাহাঁটি করলেই তিনি হাঁপিয়ে ওঠেন। কানেও শোনেন না তিনি। এ অবস্থায় মানুষের দুয়ারে চেয়েচিন্তে তাদের দিন চলছে।
চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, দুজনেরই নিয়মিত উন্নত চিকিৎসা ও সঠিক ওষুধ প্রয়োজন। বর্তমানে প্রতি মাসে তাদের অন্তত তিন হাজার টাকার ওষুধ লাগে। কিন্তু ভিক্ষাবৃত্তি করে সংসার চালানো এই দম্পতির পক্ষে নিয়মিত ওষুধ কেনা তো দূরের কথা, দুবেলা দুমুঠো ডাল-ভাত জোগাড় করাই কঠিন হয়ে পড়েছে।
অসহায় জোবেদা খাতুন আকুতি জানিয়ে বলেন, ‘আমাদের দুজনেরই চিকিৎসা আর ওষুধের দরকার। কিন্তু ওষুধ কেনার সামর্থ্য নেই। কেউ একটু সাহায্য করলে হয়তো আরও কিছুদিন বেঁচে থাকতে পারতাম।’
এ অবস্থায় তাদের পাশে দাঁড়াতে সমাজের বিত্তবানদের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন তারা।
টিআই