ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 রবিবার, ৪ অক্টোবর ২০২৬, ১৯ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
বাংলাদেশে পার্টনার স্কুলগুলোর সাফল্য ও উদ্ভাবনের স্বীকৃতি দিল ব্রিটিশ কাউন্সিল
✎
⏲ প্রকাশিত: রবিবার, ৪ অক্টোবর, ২০২৬, ৪:০৭ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

বাংলাদেশের বিভিন্ন স্কুলের প্রধানদের নিয়ে অনুষ্ঠিত হল ব্রিটিশ কাউন্সিলের বার্ষিক ‘পার্টনার স্কুলস প্রিন্সিপালস’ মিট ২০২৬। এতে স্কুল ও শিক্ষকদের অবদানের কথা তুলে ধরার পাশাপাশি ব্রিটিশ কাউন্সিলের পার্টনার স্কুল নেটওয়ার্কের বিভিন্ন উল্লেখযোগ্য উদ্যোগের স্বীকৃতি দেওয়া হয়।

ঢাকার শেরাটন হোটেলে আয়োজিত এ অনুষ্ঠানে বাংলাদেশের ২১০টির বেশি পার্টনার স্কুলের অধ্যক্ষ ও জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা অংশ নেন। অনুষ্ঠানে আরও উপস্থিত ছিলেন ক্যামব্রিজ ইউনিভার্সিটি প্রেস অ্যান্ড অ্যাসেসমেন্ট, পিয়ারসন এডেক্সেল ও অক্সফোর্ডএকিউএর প্রতিনিধিরা। বাংলাদেশে ব্রিটিশ কাউন্সিলের পরীক্ষা ও বিভিন্ন মূল্যায়ন কার্যক্রম পরিচালনায় এ নেটওয়ার্ক গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে।

বাংলাদেশ সফরের অংশ হিসেবে অনুষ্ঠানে যোগ দেন ব্রিটিশ কাউন্সিলের প্রধান নির্বাহী স্কট ম্যাকডোনাল্ড। বাংলাদেশের পার্টনার স্কুলগুলোর নেটওয়ার্কের গুরুত্ব এবং ব্রিটিশ কাউন্সিলের বৈশ্বিক পার্টনার স্কুল নেটওয়ার্কে বাংলাদেশের অবস্থান তুলে ধরেন তিনি। একই সঙ্গে বাংলাদেশ ও যুক্তরাজ্যের মধ্যে দীর্ঘমেয়াদি শিক্ষা ও মানুষের মধ্যে পারস্পরিক সম্পর্ক আরও শক্তিশালী করতে স্কুল ও শিক্ষকদের ভূমিকার কথা আলোচনা করেন।

অনুষ্ঠানে ‘ব্রিটিশ কাউন্সিল পার্টনার স্কুলস অ্যাওয়ার্ডস ২০২৬’ দেওয়া হয়, যেখানে ছয়টি ক্যাটাগরিতে স্কুলগুলোর প্রশংসনীয় বিভিন্ন উদ্যোগের স্বীকৃতি দেওয়া হয়। ক্যাটাগরিগুলো হলোঃ ক্লাইমেট অ্যাকশন, ডিজিটাল লার্নিং এক্সিলেন্স, ইক্যুয়ালিটি, ডাইভার্সিটি অ্যান্ড ইনক্লুশন (ইডিআই), লিডারশিপ ইন টিচিং, সেফগার্ডিং এবং ওয়েলবিইং। একটি স্বাধীন বিচারক প্যানেল অংশ নেওয়া স্কুলগুলোর জমা দেওয়া কাজ নির্ধারিত মানদণ্ড অনুযায়ী মূল্যায়ন করেছে।

স্কট ম্যাকডোনাল্ড বলেন, “সেরা স্কুলগুলোর অর্জনকে উদযাপন করতেই আমাদের আজকের আয়োজন। পুরস্কার প্রাপ্তিই বড় বিষয় নয়। আজ এখানে যারা উপস্থিত আছেন, আমি বিশ্বাস করি, এ নেটওয়ার্ক যে মানদণ্ড তৈরি করেছে, এজন্য আপনারা সবাই গর্বিত। আজ রাতে যারা মনোনীত হয়েছেন এবং স্বীকৃতি পেয়েছেন, তাদের সবাইকে অভিনন্দন। অংশীদার হিসেবে ব্রিটিশ কাউন্সিলের ওপর আস্থা রাখার জন্য আপনাদের ধন্যবাদ। আর আপনারা শিক্ষার্থীদের জন্য নিবেদিতভাবে কাজ করে যাচ্ছেন, এজন্য আপনাদের বিশেষভাবে ধন্যবাদ। আজকের এ আয়োজন শেষ হওয়ার পরও আপনাদের কাজের ইতিবাচক প্রভাব বজায় থাকবে।”

ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের হেড অব মার্কেট জুনায়েদ আহমেদ বলেন, ‘আমাদের পার্টনার স্কুলগুলো শুধু আন্তর্জাতিক যোগ্যতা অর্জনের জায়গা নয়। এগুলো শিক্ষকদের এমন এক কমিউনিটি, যেখানে সবাই প্রতিনিয়ত শিখছেন, নতুন কিছু করার চেষ্টা করছেন এবং নিজেদের ভালো কাজের অভিজ্ঞতা অন্যদের সঙ্গে ভাগ করে নিচ্ছেন। “প্রিন্সিপালস’ মিট আয়োজন এ কমিউনিটির কথা শোনা এবং তাদের অর্জনকে স্বীকৃতি দেওয়ার এক বিশেষ উপলক্ষ্য।’

তিনি আরও বলেন, ‘স্কুলগুলোর কাছে বর্তমানে যে বিষয়গুলো প্রাধান্য পাচ্ছে সেটি তুলে ধরেছে এ বছরের অ্যাওয়ার্ড। উন্নত পাঠদান, ডিজিটাল শিক্ষার দায়িত্বশীল ব্যবহার, শিক্ষার্থীদের সুরক্ষা, অন্তর্ভুক্তি, জলবায়ু নিয়ে কাজ এবং শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এর মতোন বিষয়গুলো এখন সবথেকে বেশি গুরুত্ব পাচ্ছে। বাংলাদেশে পার্টনার স্কুলগুলোর এ নেটওয়ার্ককে সহযোগিতা, পেশাগত উন্নয়ন ও শিক্ষাখাতে নেতৃত্ব দানের আরও শক্তিশালী একটি প্ল্যাটফর্ম হিসেবে গড়ে তুলতে আমরা স্কুলগুলোর সঙ্গে কাজ করে যেতে চাই।’

প্রিন্সিপালস’ মিটে স্কুলের প্রধানেরা শিক্ষা হাতের ভবিষ্যৎ এর বিভিন্ন দিক নিয়ে আলোচনা করেন। এর মধ্যে ছিল কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং পাঠদান ও শিক্ষার্থী মূল্যায়নে এর প্রভাব; বিদেশে উচ্চশিক্ষা লাভের  নানা উপায়; স্কুল নেতৃত্ব ও উদ্ভাবন; একটি পূর্ণাঙ্গ শিক্ষাব্যবস্থা ও শিক্ষার্থীদের কল্যাণ এবং শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোর মধ্যে অংশীদারিত্ব আরও জোরদার করা।
অনুষ্ঠানে স্কট ম্যাকডোনাল্ড, ব্রিটিশ কাউন্সিল বাংলাদেশের কান্ট্রি ডিরেক্টর স্টিফেন ফোর্বস এবং জুনায়েদ আহমেদের সঙ্গে প্রশ্নোত্তর পর্ব অনুষ্ঠিত হয়। এ ছাড়া কন্টিনিউয়িং প্রফেশনাল ডেভেলপমেন্ট (সিপিডি) কর্মসূচির হালনাগাদ তথ্য তুলে ধরা হয়। সামাজিক ও আবেগীয় শিক্ষার ওপরও একটি সেশন ছিল আয়োজনে।

প্রতিবছর বাংলাদেশের পার্টনার স্কুলগুলোর সঙ্গে যোগাযোগ, তাদের অবদানের জন্য ধন্যবাদ জানানো এবং তাদের কাজের সঙ্গে যুক্ত থাকার জন্য প্রিন্সিপালস’ মিট-এর আয়োজন করে থাকে ব্রিটিশ কাউন্সিল। একই সঙ্গে এ আয়োজনে স্কুলগুলোর অর্জনের স্বীকৃতি দেওয়া এবং স্কুলপ্রধানদের নিজেদের অভিজ্ঞতা ও ভাবনা বিনিময়ের সুযোগ তৈরি হয়।

-টিএস
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement