ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 শনিবার, ৩ অক্টোবর ২০২৬, ১৮ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
৯ গোল হজমের পর সোহেল-সাদের নাইটক্লাবের ছবি প্রকাশ্যে, যা বলছেন তারা
✎ অবজারভার অনলাইন ডেস্ক
⏲ প্রকাশিত: শুক্রবার, ২ অক্টোবর, ২০২৬, ২:০০ পিএম
সংগৃহীত ছবি
X
Advertisement

সংগৃহীত ছবি

ইন্দোনেশিয়ার বিপক্ষে ৯-২ গোলের বিশাল হারে আসিয়ান কাপের যাত্রা শেষ করেছে বাংলাদেশ ফুটবল দল। এত বড় ব্যবধানে হারের পর চারদিকে যখন সমালোচনার ঝড় বইছে, ঠিক তখনই ঘটনার নতুন মোড় সামনে এসেছে। ইন্দোনেশিয়ান ‘এলেনা’ নামের এক নারী বাংলাদেশের দুই জাতীয় দলের ফুটবলার—সাদ উদ্দিন ও সোহেল রানা (জুনিয়র)—এর সঙ্গে নাইটক্লাবে তোলা একটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে পোস্ট করেন। যেখানে তাদের একটি পানশালা বা ডিস্কোর মতো পরিবেশে দেখা যায়। এত বড় বিপর্যয়ের পর সেই ছবি প্রকাশ্যে আসায় ফুটবলপ্রেমীদের একাংশের ধারণা, জাকার্তায় ম্যাচের আগে কিংবা পরে তারা ওই নাইটক্লাবে গিয়েছিলেন।

বিষয়টি নিয়ে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে ইন্দোনেশিয়ার ওই নারীর সঙ্গে ছবির অস্তিত্ব অস্বীকার করেননি সাদ বা সোহেল রানা। তবে ছবিটির স্থান ও সময় নিয়ে সম্পূর্ণ ভিন্ন দাবি করেছেন তারা। তাদের দাবি, ‘মোহামেডানে সাইন করার পর আমরা ফ্রি ছিলাম। জাতীয় দলের ক্যাম্প শুরু হওয়ার আগে নেপালে ঘুরতে গিয়েছিলাম। তখন একটি (লোডা) ক্লাবে তার সঙ্গে দেখা ও পরিচয় হয়েছিল। এটি জাকার্তা বা ইন্দোনেশিয়ায় তোলা ছবি নয়।’

অন্যদিকে, এলেনা তার সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের হ্যান্ডলে ছবিটি পোস্ট করে লেখেন, “বাংলাদেশে ফুটবলারদের সঙ্গে আমার ‘এইচ ক্লাব’-এ দেখা হয়েছে। বাংলাদেশ-ইন্দোনেশিয়া ম্যাচ দেখার জন্য তারা আমাকে আমন্ত্রণ জানিয়েছিলেন। তবে আমাদের জাতীয় দলের পরিবর্তে বাংলাদেশের হয়ে চিয়ার করাটা বেশ মজার হতো।” ওই নারীকে ম্যাচ দেখার আমন্ত্রণ জানানো নিয়ে জাকার্তা থেকে সাদ বলেন, “নেপালে তার সঙ্গে প্রথম পরিচয়। এরপর জাকার্তা আসার পর আমরা তাকে খেলা দেখতে আসার জন্য বলেছিলাম, তবে তিনি আসেননি।”

জাতীয় দলের তারকা ফুটবলারেরা তরুণ সমাজ তথা দেশের ক্রীড়াঙ্গনের আইকন। নাইটক্লাব বা পানশালায় এ ধরণের জীবনযাপন সাধারণত শৃঙ্খলা পরিপন্থী হিসেবেই বিবেচনা করা হয়। জ্যেষ্ঠ ফুটবলার হয়েও এমন কাণ্ডে জড়ানোর বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে সোহেল রানা ভুল স্বীকার করে দুঃখ প্রকাশ করেন। অন্যদিকে সাদ উদ্দিন বলেন, “একটি বিষয়কে পুরোপুরি না জেনে ভিন্নভাবে ব্যাখ্যা করা ঠিক নয়। ছবিটির আগে-পরের ব্যাকগ্রাউন্ড রয়েছে। আমাদের পরিবার ও ব্যক্তিগত জীবন রয়েছে। আর ওই সময়টিতে ক্লাব কিংবা জাতীয় দলের কোনো খেলা বা ক্যাম্প ছিল না।”

উল্লেখ্য, এর আগে ম্যাচ কমিশনারকে ধাক্কা দেওয়ার অপরাধে সাদের ওপর ছয় মাসের নিষেধাজ্ঞা জারি হয়েছিল। পরবর্তীতে জাতীয় দলের স্বার্থ বিবেচনা করে ফেডারেশনের ডিসিপ্লিনারি কমিটি তা কমিয়ে ছয় ম্যাচ করে, যেন তিনি জাতীয় দলে খেলতে পারেন। সেই ফুটবলার আবারও শৃঙ্খলার প্রশ্নে কাঠগড়ায় দাঁড়ালেন।

ইন্দোনেশিয়ায় নাইটক্লাবে যাওয়ার বিষয়টি অস্বীকার করে সাদ ও সোহেল উভয়েই ঘটনাটিকে নেপালের বলে দাবি করেন। তাদের বক্তব্য, ইন্দোনেশিয়ায় হোটেল থেকে বের হওয়ার ওপর কঠোর বিধি নিষেধ ছিল। যদিও তাদের এই দাবির সত্যতা স্বাধীনভাবে যাচাই করা সম্ভব হয়নি।

তবে জাতীয় দল সংশ্লিষ্ট ফুটবলাঙ্গনে জোর গুঞ্জন রয়েছে, ম্যানেজার আমিরুল ইসলাম বাবুর অধীনে দলীয় শৃঙ্খলায় কিছুটা শিথিলতা দেখা যায়। ইন্দোনেশিয়ার মাটিতে জাতীয় দলের এই ভরাডুবির পেছনে কৌশলগত ব্যর্থতার পাশাপাশি শৃঙ্খলাহীনতা, সমন্বয়হীনতা ও অব্যবস্থাপনাও বড় ভূমিকা রেখেছে বলে মনে করছেন দল সংশ্লিষ্ট অনেকে।

এসএ
Advertisement
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement