সুন্দরবনকে বাঁচিয়ে রাখতে ক্ষতিকর সবকিছু অপসারণ করা হবে বলে জানিয়েছেন পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন প্রতিমন্ত্রী শেখ ফরিদুল ইসলাম। তিনি বলেন, সুন্দরবন এলাকায় গড়ে ওঠা শিল্পকারখানাগুলোও পর্যায়ক্রমে সরিয়ে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।
শনিবার (২৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে খুলনা নগরীর সোনাডাঙ্গা সোলার পার্কে খুলনা সিটি করপোরেশন (কেসিসি) ও বিকাশের যৌথ বনায়ন কর্মসূচির উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রতিমন্ত্রী বলেন, শুধু সুন্দরবন নয়, জলবায়ু পরিবর্তনের প্রভাব মোকাবিলায় সারা বিশ্বের জন্যই বৃক্ষায়ন প্রয়োজন। বাংলাদেশ পৃথিবীর একটি অংশ হিসেবে জলবায়ু পরিবর্তনের শিকার মানুষের জন্য কাজ করছে। এ কাজে বিভিন্ন আন্তর্জাতিক তহবিল ও সহযোগিতা পাওয়া যাচ্ছে। এসব অর্থ ও উদ্যোগ যথাযথভাবে কাজে লাগিয়ে দেশের মানুষের কল্যাণ নিশ্চিত করতে হবে।
তিনি আরও বলেন, পরিবেশ রক্ষায় প্রত্যেককে নিজ নিজ অবস্থান থেকে দায়িত্বশীল ভূমিকা পালন করতে হবে। বিশেষ করে প্রতিটি স্কুল-কলেজকে পলিথিন ও প্লাস্টিক দূষণমুক্ত করার উদ্যোগ নিতে হবে। এ বিষয়ে শিক্ষার্থী, শিক্ষক ও অভিভাবকসহ সবাইকে এগিয়ে আসার আহ্বান জানান তিনি।
অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন কেসিসির প্রশাসক নজরুল ইসলাম মঞ্জু। বক্তব্য দেন খুলনা ওয়াসার চেয়ারম্যান মো. মনিরুজ্জামান মনি, কেসিসির প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) মো. রাজিব আহমেদ, বিকাশের এক্সিকিউটিভ ভাইস প্রেসিডেন্ট ও রেগুলেটরি অ্যান্ড করপোরেট অ্যাফেয়ার্স বিভাগের প্রধান হুমায়ুন কবির এবং খুলনার বন সংরক্ষক মো. ইমরান আহমেদ।
অনুষ্ঠান শেষে সোনাডাঙ্গা সোলার পার্কে বৃক্ষরোপণ করা হয়। বিকাশ কর্তৃপক্ষ জানায়, প্রধানমন্ত্রীর ২৫ কোটি বৃক্ষরোপণ কর্মসূচির আওতায় এ বনায়ন কর্মসূচির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এসএস/আরএন