ENGLISH EPAPER 📍 ঢাকা 📅 বুধবার, ২৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬, ৮ আশ্বিন ১৪৩৩ তথ্য অধিদফতর নিবন্ধন নম্বর ০৬
শিরোনাম
Advertisement
‘ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে’
✎ অবজারভার প্রতিনিধি
⏲ প্রকাশিত: মঙ্গলবার, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৬, ৩:০০ পিএম আপডেট: ২২.০৯.২০২৬ ৫:১৩ পিএম
X
Advertisement

বিগত সরকারের আমলে ব্যাঙের ছাতার মতো ডায়াগনস্টিক সেন্টারের অনুমোদন দেওয়া হয়েছে বলে মন্তব্য করেছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণমন্ত্রী সরদার মো. সাখাওয়াত হোসেন বকুল। তিনি বলেন, মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের আশপাশে ক্লিনিক রাখা যাবে না।

মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স পরিদর্শনে গিয়ে সাংবাদিকদের এসব কথা বলেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী।

সকাল ১০টার দিকে আকস্মিকভাবে স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সটিতে যান তিনি। এ সময় ডেঙ্গু কর্নার, স্টোররুম ও বিভিন্ন ওয়ার্ড ঘুরে দেখেন এবং রোগীদের চিকিৎসার খোঁজখবর নেন। রোগীদের কাছ থেকে হাসপাতালের বিভিন্ন অনিয়ম ও অব্যবস্থাপনার অভিযোগও শোনেন মন্ত্রী।

পরিদর্শনকালে স্বাস্থ্যমন্ত্রী জানান, আগামী অক্টোবর থেকে গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সকে ৫০ শয্যা থেকে ১৫১ শয্যায় উন্নীত করার কাজ শুরু হবে। হাসপাতালটিতে কয়েকটি অনিয়ম ধরা পড়েছে বলেও জানান তিনি।

তিনি বলেন, আগামী দুই বছরের মধ্যে এখানে ১০ রোগীর ডায়ালাইসিসের ব্যবস্থা করা হবে। চালু করা হবে ফিজিওথেরাপি বিভাগ। পাশাপাশি আধুনিক প্যাথলজি বিভাগ, রক্ত পরীক্ষা ও বিভিন্ন ধরনের পরীক্ষা-নিরীক্ষার সুবিধা চালু করা হবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, শুধু উপজেলা পর্যায়ে নয়, ইউনিয়ন পর্যায়েও স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স করা হচ্ছে। সেখানে চিকিৎসক নিয়োগ দেওয়া হবে। আগামী ১ অক্টোবরের পর এ-সংক্রান্ত টেন্ডার প্রক্রিয়া শুরু হবে।

সাপে কামড়ের চিকিৎসা নিয়ে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, দেশে পর্যাপ্ত অ্যান্টিভেনম রয়েছে। তবে সাপে কাটার পর রোগীকে কিছুক্ষণ পর্যবেক্ষণে রাখতে হয়, যাতে সাপটি বিষাক্ত কি না এবং রোগীর শরীরে বিষক্রিয়ার মাত্রা বোঝা যায়।

তিনি বলেন, রোগী দেরিতে হাসপাতালে এলে চিকিৎসা জটিল হয়ে যেতে পারে। তাই সাপে কাটার পর দ্রুত রোগীকে হাসপাতালে নিয়ে আসার পাশাপাশি এ বিষয়ে জনসচেতনতা বাড়াতে হবে।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে অনিয়মের বিষয়ে স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, কিছু অনিয়ম ধরা পড়েছে। কিছু পরীক্ষা হাসপাতালের বাইরে থেকে করানো হয়েছে। হাসপাতালে স্যালাইন থাকার পরও কোনো কোনো রোগীকে বাইরে থেকে তা কিনতে হয়েছে।

অনেক রোগী হাসপাতালের কোন ওষুধ বিনামূল্যে পাওয়া যায় এবং কোনটি বাইরে থেকে কিনতে হয়, সে বিষয়েও অবগত নন বলে জানান তিনি।

মন্ত্রী বলেন, ‘দুই-একটি অনিয়ম দেখেছি। উপযুক্ত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

পরিদর্শনকালে স্থানীয় সংসদ সদস্য মো. কামরুজ্জামান রতন, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা উম্মে হাফসা নাদিয়া, উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা শারমিন সুলতানা তিথি ও অফিসার ইনচার্জ নকীব আকরাম হোসেন উপস্থিত ছিলেন।

-টিএস
Loading...
Loading...
আরো দেখুন
সম্পাদক: ইকবাল সোবহান চৌধুরী
অবজারভার লিমিটেডের পক্ষে সম্পাদক কর্তৃক গ্লোব প্রিন্টার্স, ২৪/এ, নিউ ইস্কাটন রোড, রমনা, ঢাকা থেকে প্রকাশিত।
সম্পাদকীয়, বার্তা ও বাণিজ্যিক কার্যালয়:আজিজ ভবন (৩য় তলা), ৯৩, মতিঝিল বাণিজ্যিক এলাকা (সি/এ), ঢাকা-১০০০।

ফোন: পিএবিএক্স- ৪১০৫৩০০১-০৬; বিজ্ঞাপন: ৪১০৫৩০১২; ০১৭৯৩৩১৭৮২৯, ০১৫৫০৭০৭২৯১, ই-মেইল: [email protected], ‍[email protected] অনলাইন: ৪১০৫৩০১৪; ০১৫৫০৭০৭২৯৭ ই-মেইল: [email protected] ০১৫৫০৭০৭২৯৬
🔝
Advertisement