যশোরে নাতনিকে ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদ করাকে কেন্দ্র করে নানাকে কুপিয়ে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে। সোমবার রাত আনুমানিক ৯টার দিকে মনিরামপুর উপজেলার রোহিতা ইউনিয়নের শরমপুর গ্রামের মতিনের দোকানের পেছনে এ হত্যার ঘটনা ঘটেছে।
নিহত ইমামুল হোসেন (৫০) ঝিকরগাছা উপজেলার ফারাসতপুর গ্রামের মৃত রহিম সরদারের ছেলে।
পারিবারিক সূত্রে জানা যায়, নাতনিকে গত বৃহস্পতিবার ইভটিজিংয়ের প্রতিবাদকে কেন্দ্র করে স্থানীয় ঝিকরগাছা সদর ইউনিয়নের ৬ নং ওয়ার্ড বিএনপির সভাপতি সিরাজুল ইসলামের নেতৃত্বে একই এলাকার রবিউল, হোসাইন, রাকিব, মেহেদী ও রাব্বিসহ কয়েকজনের সঙ্গে ইমামুল হোসেনের বিরোধের সৃষ্টি হয়। একপর্যায়ে ধারালো অস্ত্র ও লাঠি দিয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয়।
পরিবারের সদস্যরা গুরুতর আহত অবস্থায় তাকে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক রাহুল দেব ঘোষ পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে তাকে মৃত ঘোষণা করেন। বর্তমানে ময়নাতদন্তের জন্য মরদেহ মর্গে প্রেরণ করা হয়েছে।
এর আগে সকালে যশোরে নেশার টাকার জেরে ছামিরা ইসলাম (২০) নামের এক গৃহবধূকে গলা কেটে হত্যার অভিযোগ পাওয়া গেছে স্বামীর বিরুদ্ধে। সোমবার ভোর সাড়ে ৫টার দিকে সদর উপজেলার শেখহাটি তামালতলা এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহত ছামিরা ইসলাম সদর উপজেলার নওয়াপাড়া ইউনিয়নের তরফ নওয়াপাড়া গ্রামের স্থানীয় বাসিন্দা শফিকুল ইসলামের মেয়ে এবং সুজনের স্ত্রী।
স্থানীয়রা জানান, সুজন ও তার স্ত্রী ছামিরা সুজনের ছোট মামা আল-আমিনের বাড়িতে ভাড়া থাকেন। সকালে বাড়িতে অবস্থানকালে নেশার টাকার দাবিতে স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে বাগবিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে অভিযুক্ত সুজন (২৬) ধারালো চাকু দিয়ে স্ত্রী ছামিরার শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাত করে। ঘটনাটিকে অন্যদিকে প্রবাহিত করতে স্বামী ঘরের দরজা বন্ধ করে নিজের শরীরের বিভিন্ন স্থানে চাকু দিয়ে আঘাত করেন। পরে খবর পেয়ে স্থানীয় ও পরিবারের স্বজনরা তাদের উদ্ধার করে যশোর জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে জরুরি বিভাগের কর্তব্যরত চিকিৎসক পরীক্ষা-নিরীক্ষা শেষে ছামিরাকে মৃত ঘোষণা করেন আর সুজনকে চিকিৎসার জন্য হাসপাতালের পুরুষ সার্জারি ওয়ার্ডে পাঠিয়ে দেন।
নিহতের মরদেহ ময়নাতদন্ত জন্য মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা প্রক্রিয়াধীন রয়েছে বলে জানিয়েছে প্রশাসন।
এসকে/এমএ