For English Version
শুক্রবার, ১৪ মে, ২০২১, রেজি: নং- ০৬
Advance Search
হোম অনলাইন স্পেশাল

লাউয়াছড়ায় আগুন

বন বিভাগের দু'জনসহ ৩ জনের দায়িত্বে অবহেলা

Published : Wednesday, 28 April, 2021 at 9:38 PM Count : 147
সালাহ্উদ্দিন শুভ

মৌলভীবাজারেকমলগঞ্জেলাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় বন বিভাগের দু'জনসহ ৩ জনের দায়িত্বে অবহেলার প্রমাণ পেয়েছে তদন্ত কমিটি।

বুধবার দুপুরে বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছে তদন্ত প্রতিবেদন জমা দিয়েছেন কমিটির প্রধান বাংলাদেশ বন ও জীববৈচিত্র কর্মকর্তা এবং মৌলভীবাজার রেঞ্জ কর্মকর্তা মির্জা মেহেদী সারওয়ার। 

তদন্ত প্রতিবেদনে লাউয়াছড়া বন বিট কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, বাঘমারা বন ক্যাম্পের দায়িত্বপ্রাপ্ত বন প্রহরী মোতাহার হোসেন ও সহযোগী কমিটি লাউয়াছড়া কমিউনিটি টহলদার সদস্য মহসিন মিয়ার দায়িত্বে অবহেলার কথা বলা হয়েছে।

প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে, ঘটনাস্থল এলাকায় ২০২০-২০২১ মৌসুমের জন্য বনায়ন করার পূর্ব প্রস্তুতি হিসেবে সেখানকার আগাছা ও ঝোঁপ ঝাঁড় পরিস্কার করা হচ্ছিল। এখানে বনায়নের মধ্যে বন্যপ্রাণীর খাবার উপযোগী গাছও রোপণ করা হবে। তবে, ঝোঁপ ঝাঁড় পরিস্কারকালে বনের কোনরুপ ক্ষতি হয় যেমন আগুন ও মাটির নিচ দিয়ে যাওয়া গ্যাস লাইনের বিষয়ে অতিরিক্ত সতর্ক থাকার কথা। আর এসব তদারকির দায়িত্ব ছিল লাউয়াছড়া বন বিট কর্মকর্তা মিজানুর রহমান, বাঘমারা ক্যাম্পের বন প্রহরী মোতাহের হোসেন ও কমিউনিটি টহলদার দলের সদস্য মহসিন মিয়ার। 

তদন্তকালে দেখা যায়, আগুন লাগার পর নেভানোর জন্য দায়ী এই তিন জন তাৎক্ষণিক কোন ব্যবস্থা গ্রহণ করেননি। এদের একজন কমিউনিটি টহলদার সদস্য মহসীন মিয়া ঘটনাস্থলে থাকার পরও দায়িত্ব অবহেলা করেছেন। অথচ বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তার কাছ থেকে খবর পেয়ে লাউয়াছড়া বনরেঞ্জ কর্মকর্তা শ্রীমঙ্গল থেকে এসে আগুন নেভাতে অগ্নি নির্বাপক দলের সঙ্গে কাজ করেছেন।

মাত্র দেড় একর বনের কিছু ছোট গুল্ম ও শুকনো পাতা পুড়েছে। গাছের উপারাংশ এখনও সবুজ রয়েছে। ফলে বনের তেমন কোন ক্ষতি হয়নি। তদন্ত প্রতিবেদনে মোট ১০টি পয়েন্টের মাঝে ৭ ও ৮ নম্বও পয়েন্টে উল্লেখ্য করা হয় যে, ইচ্ছেকৃত ভাবে আগুন লাগার ঘটনার প্রমাণ পাওয়া যায়নি। তবে বনে কোন ময়লা আগাছায় কোন ভাবেই আগুন দেওয়া যাবে না বলে পূর্বে নির্দেশ দিয়েছিলেন বিভাগীয় বন কর্মকর্তা। তাই এখানে আগুন লাগার ঘটনায় নির্দেশ অমান্য করা হয়েছে।

বন্যপ্রাণী ব্যবস্থাপনা ও প্রকৃতি সংরক্ষণ বিভাগের বিভাগীয় বন কর্মকর্তা মো. রেজাউল করিম তদন্ত প্রতিবেদন পাওয়ার সত্যতা স্বীকার করে অবজারভারকে বলেন, ‘বন বিট কর্মকর্তা, বাঘমারা ক্যাম্প কর্মকর্তাসহ তিন জনের দায়িত্ব অবহেলায় এ দুর্ঘটনা ঘটেছে। তাদের বিরুদ্ধে বিভাগীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।’

গত শনিবার (২৪ এপ্রিল) দুপুর সাড়ে ১২টার দিকে লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানের বাঘমারা বনক্যাম্প এলাকায় আগুন লেগেছিল। অগ্নি নির্বাপক দল টানা সাড়ে ৪ ঘন্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আসে। এ ঘটনার পর দুই সদস্যের তদন্ত কমিটি করে দুই দিনের মধ্যে প্রতিবেদন জমা দিতে বলা হলেও চার দিন পর আজ জমা দেওয়া হলো।

-এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft