For English Version
শনিবার, ১৫ মে, ২০২১, রেজি: নং- ০৬
Advance Search
হোম সারাদেশ

অন্ধকারে সূবর্ণচর, বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাওয়ের হুমকি

Published : Tuesday, 20 April, 2021 at 9:41 PM Count : 192
অবজারভার সংবাদদাতা

নোয়াখালীর সূবর্ণচরে ২৪ ঘন্টার মধ্যে ৪/৫ ঘন্টাই থাকছে না বিদ্যুৎ। রমজানে একদিকে গ্রীষ্মের তাপদাহ অন্যদিকে বিদ্যুৎ না থাকায় অতিষ্ঠ হয়ে উঠেছেন সাধারণ মানুষ।

কাজের অযুহাত দেখিয়ে নিয়ম করেই সপ্তাহের ২/৩ দিন মাইকিং করে সকাল থেকে বিকেল পর্যন্ত বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ রাখছে কর্তৃপক্ষ। সপ্তাহের বাকি দিনগুলো কোন নোটিশ এবং মাইকিং ছাড়াই বন্ধ থাকছে বিদ্যুৎ সেবা। 

ভূতুড়ে বিদ্যুৎ বিল, পিলার স্থাপনে অতিরিক্ত টাকা আদায়, নতুন সংযোগে স্থানীয় দালালদের অবৈধ ঘুষ বাণিজ্য, মিটার পেতে গুনতে হচ্ছে দ্বিগুণ টাকা, অসহনীয় লোড শেডিংসহ নানা অনিময় দুর্নীতির আখড়া এখন সূবর্ণচর। 

এসব অনিয়ম থেকে নিস্তার পেতে সূবর্ণচর পল্লী বিদ্যুৎ অফিস ঘেরাও করার হুমকি দিয়েছে এলাকাবাসী। 

বিদ্যুৎ সেবা প্রদানের জন্য অভিযোগ নম্বরে ফোন করা হলেও ফোন রিসিভ করে না অফিস কর্তৃপক্ষ। এতে আরও ক্ষুদ্ধ হয়ে উঠেন গ্রাহকরা। সাত লক্ষ মানুষের একমাত্র সরকারি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান সূবর্ণচর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে বিদ্যুৎ না থাকায় ভোগান্তির শেষ নেই রোগীদের। অতিষ্ঠ সেবা নিতে আসা রোগীর  আত্মীয়রা। তারাও জানালেন ক্ষোভের কথা। 

প্র্রতিদিন সকাল হলেই নিয়ম করে বিদ্যুৎ না থাকা সূবর্ণচরের নিত্যদিনের রুটিনে পরিণত হয়েছে। সারাদিন বিদ্যুতের হদিস মেলে না। কখনো দু-এক দিনেও বিদ্যুতের দেখা পায়না সূবর্ণচরবাসী। প্রতিদিনের এমন ভোগান্তি এখানকার লোকেদের অভ্যাসে পরিণত হয়ে গেছে। বিদ্যুতের এমন অসহনীয় লোড শেডিংয়ে জনজীন অতিষ্ঠ। 

সোমবার সূবর্ণচর উপজেলার বিভিন্ন হাট-বাজারে গেলে স্থানীয় বাসিন্দারা ক্ষোভে ফেটে পড়েন। তারা বলেন, বিদ্যুৎ এখন যায় না মাঝে মাঝে আসে। প্রতিদিন সকাল ৭টার দিকে বিদ্যুৎ চলে যায়। সারা দিন আর বিদ্যুতের দেখা মেলে না। সন্ধ্যা ৬টা বা ৭টার দিকে হয়তো এলেও একটু পরে আবার লোডশেডিং। প্রতিদিন গড়ে ৪-৫ ঘন্টার বেশি বিদ্যুৎ থাকে না। এমন ভোগান্তির কথা জানান একই এলাকার শতাধিক বাসিন্দা।

বিদ্যুতের এমন চরম অনিয়মের প্রতি চরম ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় সংবাদকর্মীরাও। ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন সূবর্ণচরের কর্মরত সকল সংবাদকর্মীরা। তারা দ্রুত এর প্রতিকার দাবি করেন।

শিক্ষা, চিকিৎসা, ধর্মীয়, কৃষী, ব্যাংক, অফিস, কলকারখানা, ব্যবসাসহ সকল ক্ষেত্রে বিদ্যুতের এমন ভোগান্তির ফলে চরম ভাবে ক্ষতিগ্রস্থ হচ্ছে সূবর্ণচর। 

তবে এমন অভিযোগের সঠিক জবাব মেলেনি সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের থেকে। 

সূবর্ণচর জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. ফসিউল হক জাহাঙ্গীর বলেন, কয়েকটি জায়গায় ঠিকাদার দিনের বেলায় কাজ করছে, তাই দিনের বেলায় বিদ্যুৎ যাচ্ছে না। রাতের বেলায় সেখানে বিদ্যুৎ ঠিকমতো যাচ্ছে। 

লোডশেডিংয়ের অভিযোগটি প্রত্যাখান করে তিনি বলেন, কোথাও কোন সমস্যা দেখা দিলে সেটা সামাধানের জন্য কিছু সময় সে এলাকায় বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকে। তবে সমস্যা সামাধানের সঙ্গে সঙ্গে সেখানে বিদ্যুৎ সরবরাহ চালু করা হয়।

-আইইউ/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft