For English Version
শুক্রবার, ০৭ মে, ২০২১, রেজি: নং- ০৬
Advance Search
হোম সারাদেশ

লকডাউন: গ্রামে শিথিল, শহরে কঠোরতা

Published : Friday, 16 April, 2021 at 7:01 PM Count : 93
অবজারভার সংবাদদাতা

করোনা ভাইরাসের সংক্রমণ রোধে চলমান লকডাউনের তৃতীয় দিনে (শুক্রবার) ঠাকুরগাঁওয়ের রাণীশংকৈল উপজেলার শহর এলাকাগুলোতে আইন-শৃঙ্খলা বাহিনীকে যথারীতি কঠোর অবস্থানে দেখা গেছে। 

কিন্তু বিভিন্ন গ্রাম-মহল্লার বাজারগুলোতে অনেকটাই শিথিল বিধিনিষেধ। কিছু কিছু স্থানে আবার পুলিশ বাহিনীর কঠোরতার কারণে তাদের সঙ্গে জনগণের বাকবিতন্ডার মত ঘটনাও ঘটেছে।

সরেজমিনে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামগুলোতে ঘুরে দেখা যায়, গ্রাম-মহল্লার ভেতরের বেশির ভাগ দোকানপাটই খোলা রয়েছে। এলাকার রাস্তার পাশে অস্থায়ী এবং স্থায়ী কাঁচাবাজারগুলোতে ছিল লোকজনের ব্যাপক ভির। সে তুলনায় শহর রয়েছে অনেকটা প্রশাসনিক চাপে।

গত দুই দিনে দেখা গেছে, গ্রামের বাজারগুলোতে বিকেল হলেই মাছ, কাঁচা সবজি, মুদি ও  ইফতারির খাদ্যপণ্যের দোকানগুলোতে ভির চরম পর্যায়ে পৌঁছায়। তখন স্বাস্থ্যবিধির কোন বালাই থাকে না।

এদিকে, উপজেলার বিভিন্ন সংযোগ পয়েন্টে পুলিশের ব্যাপক উপস্থিতি লক্ষ্য করা গেছে। তারা কঠোর ভাবে দায়িত্ব পালন করছেন। 

নেকমরদ চৌরাস্তায় চেকপোষ্টে দায়িত্বরত পুলিশের এক কর্মকর্তা বলেন, ‘ব্যক্তিগত কোন গাড়ি আমরা চেক না করে ছাড়ছি না। উপযুক্ত অনুমতিপত্র না দেখাতে পারলে ফিরিয়ে দিচ্ছি। প্রয়োজনে শাস্তিও দেয়া হচ্ছে।’

তবে দায়িত্ব পালনের সময় গত বৃহস্পতিবার দুপুরে নেকমরদ চৌরাস্তায় নেকমরদ ইউপি চেয়ারম্যান এনামুল হকের ছেলে মনিরের সঙ্গে একটি মোটরসাইকেল নিয়ে পুলিশের বাকবিতন্ডা হয়। পরিশেষে চেয়ারম্যান নিজেও পুলিশের সঙ্গে বাকবিতন্ডায় জড়ান। এতে জনসম্মুখে পুলিশকে বিভিন্ন ভাষায় অপদস্ত করা হয়। 

খবর পেয়ে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) প্রীতম সাহা ঘটনাস্থলে গেলে তার সামনেই চেয়ারম্যানের ছেলে উত্তেজিত ম্যাজাজে কথা বলে। তবে অজ্ঞাত কারণে এসিল্যান্ড কোন ব্যবস্থা না নিয়ে বিষয়টি সমাঝোতা করে নেন। এ সময় অপদস্ত একজন পুলিশ সদস্য এসিল্যান্ডের সামনেই চেয়ারম্যান ও তার ছেলের বিরুদ্ধে আল্লাহর কাছে বিচার দেন। 

তবে ঘটনার সময়  শ্রমিক নেতা বুধু’ও পুলিশের সঙ্গে উত্তেজিত ম্যাজাজে কথা বলায় তাকে ধরে নিয়ে  ভ্রাম্যমাণ আদালতে করিমানা করা হয়। 

এ ব্যাপারে উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভুমি) প্রীতম সাহা মুঠোফোনে বলেন, আমাকে ওসি সাহেব জানালে আমি সেখানে যাই, সে সময় একজন ব্যক্তি আইন-শৃঙ্গখলার অবনতির পায়তারা করছিল। তাই তাকে ধরে নিয়ে এসে ভ্রাম্যমাণ আদালতে সাজা দেওয়া হয়েছে। এর আগে পুলিশের সঙ্গে স্থানীয় চেয়ারম্যান ও তার ছেলের সঙ্গে কি সমস্যা হয়েছিল তা তাদের ডেকে শুনেছি। পুলিশের সঙ্গে যা ঘটেছে তা পুলিশ নিয়মিত মামলা করতে পারে সেটা তাদের বিষয়। আমি ম্যাজিস্ট্রেট হিসেবে ভ্রাম্যমাণ আদালতে পরিচালনা করে থাকি আমার সামনে যা ঘটে সে বিষয়ে ব্যবস্থা নেই। 

-কেএ/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft