For English Version
মঙ্গলবার, ০২ মার্চ, ২০২১, রেজি: নং- ০৬
Advance Search
হোম অনলাইন স্পেশাল

অভিভাবক শূণ্য লক্ষ্মীপুর -২ আসন

পাপুলের কুয়েতের মামলার রায়ের দিকে তাকিয়ে জনগণ

Published : Tuesday, 26 January, 2021 at 9:40 PM Count : 103
মো.ওয়াহিদুর রহমান মুরাদ

অভিভাবক শূণ্য লক্ষ্মীপুর -২ আসন, উন্নয়ন থমকে দাঁড়িয়েছে রায়পুর জুঁড়ে। সদরের সংসদীয় আসনের উন্নয়ন আরো তলানিতে পড়েছে। গত ৫ মাস যাবৎ দেখা মিলেনি এমপির সহধর্মিণী সেলিনা ইসলামকেও। অর্থ ও মানব পাচারের অভিযোগে কুয়েতে এমপি শহিদ ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে করা মামলার রায়ের জন্য ২৮ জানুয়ারি তারিখ নির্ধারণ করেছেন বিচারক। অন্যদিকে অবৈধ সম্পদ অর্জন ও ১৪৮ কোটি টাকা পাচারের অভিযোগে কুয়েতে গ্রেপ্তার লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল ও তার স্ত্রী সংসদ সদস্য সেলিনা ইসলামের বিরুদ্ধে মামলা করছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

লক্ষ্মীপুর-২ আসনের টিআর, কাবিখা, কাবিটা, বরাদ্দ, এডিবি, রাজস্ব, জেলা পরিষদ, এলজিইডি, এলজিআরডি, জনস্বাস্থ্য প্রকৌশল সকল বিভাগে এমপি পাপুলের বরাদ্দ নিয়ে সমস্যা তৈরি হয়েছে। এসব বিষয়ে নিয়ে সাংসদ এর সহধর্মিনী সেলিনা ইসলাম এমপিও দেশে দুদকের মামলায় জামিনে রয়েছেন। তবে দেশে করা মামলায় পাপুলের শ্যালিকা জেসমিন প্রধানকে এক নম্বর আসামি করা হয়েছে। এছাড়া অবৈধ সম্পদ অর্জন ও অর্থ পাচারে সহযোগিতা করায় পাপুল-সেলিনার মেয়ে ওয়াফা ইসলামকেও আসামি করা হয়েছে।

মামলায় অভিযোগ করা হয়, জেসমিন দুই কোটি ৩১ লাখ ৩৭ হাজার ৭৩৮ টাকার অবৈধ সম্পদ অর্জন করেছেন।

এছাড়া ‘কাগুজে প্রতিষ্ঠানের’ আড়ালে জেসমিন প্রধান পাঁচ ব্যাংকের মাধ্যমে ২০১২ সাল থেকে ২০২০ সালের অক্টোবর পর্যন্ত ১৪৮ কোটি টাকা হস্তান্তর, রূপান্তর ও স্থানান্তরের মাধ্যমে মানিলন্ডারিং করেছেন বলে অভিযোগে বলা হয়।মামলায় জেসমিনের বিষয়ে বলা হয়, তিনি শিক্ষার্থী থাকাবস্থায় বোন সেলিনা ইসলাম ও দুলাভাই শহিদ ইসলাম পাপুলের অবৈধ অর্জিত অর্থ মানিলন্ডারিং করে বৈধতায় রূপ দিতে ‘লিলাবালি’ নাসের একটি কাগুজে প্রতিষ্ঠান গড়ে তোলেন।

“বিভিন্ন ব্যাংকে তার প্রায় ৪৪টি হিসাব পাওয়া গেছে। যেখানে শুধুমাত্র এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকেই রয়েছে ৩৪টি এফডিআর হিসাব। আসামি শহিদ ইসলাম পাপুল এনআরবি কমার্শিয়াল ব্যাংকের পরিচালক ছিলেন বিধায় এই সুবিধা গ্রহণ করতে তার কোনো বেগ পেতে হয়নি।”

সংসদ সচিবালয় এর জনসংযোগ কর্মকর্তার সাথে আলাপ করে জানা যায়, কুয়েত সরকার এমপি কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের ব্যাপারে কোন তথ্য দেন নি। আমাদের পররাষ্ট্র বা স্বরাষ্ট্র মন্ত্রনালয়ও এই ব্যাপারে কিছু জানেনা। তাই বিস্তারিত বলতে পারছি না। এছাড়াও লক্ষ্মীপুর -২ আসনের দায়িত্ব অন্য কেউকে দেয়া হয়নি এখনো। সাংসদ পাপুল যদি কুয়েতের আদালতে দণ্ডিত হন, কিংবা তাকে বাংলাদেশে ফেরত আনা হয়, সেক্ষেত্রে তার আটক বা গ্রেফতারের বিষয়টি স্পিকারকে জানাতে হবে। সে অনুযায়ী পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে। তবে পাপুলের সদস্য পদ নিয়ে কোনো বিতর্ক দেখা দিলে নির্বাচন কমিশনের সিদ্ধান্তই চূড়ান্ত বলে বিবেচিত হবে।

কুয়েতের কারাগারে থাকা স্বতন্ত্র সংসদ সদস্য শহিদ ইসলাম পাপুলের কুয়েতে মানবপাচারে হাজার কোটি টাকার কারবারের অভিযোগে  লক্ষ্মীপুর-২ আসনের সংসদ সদস্য কাজী শহিদ ইসলাম পাপুলের বিপক্ষেই অবস্থান রয়েছে রায়পুর উপজেলা আ'লীগ। তাদের দাবী আওয়ামীলীগের কোন পদপদবীতে নেই এবং আওয়ামীলীগের কেউ নয় বলেও দাবী করেন সংসদীয় আসনের আওয়ামীলীগের নেতারা।

কুয়েতের মুশরেক আবাসিক এলাকা থেকে ওই দেশটির ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট সিআইডির হাতে গ্রেপ্তার হন তিনি। এ ঘটনার পর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যমসহ স্থানীয় নেতাকর্মীদের মধ্যে দেখা দিয়েছিলো মিশ্র প্রতিক্রিয়া। মানবপাচারের সাথে জড়িত থাকলে সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন দলীয় নেতাকর্মীরা আর যদি নির্দোষ হয় তাহলে দেশে পাঠানোর অনুরোধ করেছেন। 

এদিকে অভিযোগ প্রমাণ হলে সর্বোচ্চ ১৫ বছর সাজা হতে পারে। দেশটির আইন অনুযায়ী কুয়েতে অর্থ ও মানবাপাচার বড় অপরাধ হিসেবে বিবেচিত হয়।স্বতন্ত্র এমপি শহিদ শনিবার গ্রেফতার হওয়া এই এমপির মামলাটি তদন্ত করছে কুয়েতের অপরাধ তদন্ত বিভাগ।

তবে কুয়েতে অভিযোগ প্রমাণিত হলে কি সাজা হবে পাপুলের?  কুয়েতের ২০১৭ সালের এক মামলার রায়ে বিস্তারিত উল্লেখ করা হয়। দেশটির আইন অনুযায়ী অর্থপাচার প্রমাণিত হলে ৭ বছরের সাজা হবে পাপুলের। সেই সাথে মানব পাচার প্রমাণিত হলে সাজা হবে ১৫ বছর। আর সেক্সুয়াল মানবপাচার প্রমাণিত হলে সাজা হবে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড।

তবে প্রশ্ন থাকে, ঐ দেশে অপরাধ প্রমাণিত হলে বাংলাদেশে কি তার সংসদ সদস্য পদ থাকবে? বিষয়টির নানা ব্যাখা থাকলেও সুপ্রিম কোটের আইনজীবী সালাউদ্দীন রিগান বলছেন অভিযোগ প্রমাণিত হলে সংসদ সদস্য পদ হারাবেন এই সাংসদ।তবে এই সংসদ সদস্য কুয়েতে রিমান্ডে কি তথ্য দিয়েছিলেন  তারওপর নির্ভর করে মামলার রায়ে নজর থাকবে সবার। কারণ সেদেশে রিমান্ডের তথ্য মামলা প্রমাণে অনেক বড় ভূমিকা পালন করে।

সংসদীয় আসনের স্থানীয়রা জানায়, কাজী শহিদ ইসলাম পাপুল। মারাতিয়া কুয়েতি গ্রুপ অব কোম্পানীজ এর সত্বাধিকারী তিনি। বিগত জাতীয় নির্বাচনে লক্ষ্মীপুর-২ রায়পুর আসনে ১৪ দলীয় জোট ও জাতীয় পার্টির সমঝোতার মাধ্যমে মনোনয়ন পেয়েছিলেন জাতীয় পার্টির প্রার্থী মোহাম্মদ নোমান। আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েছিলেন পাপুলসহ আরো অনেকেই। দলীয় মনোনয়ন না পেয়ে আপেল প্রতীক নিয়ে তিনি স্বতন্ত্র নির্বাচন করেন। পরে এক পর্যায়ে নির্বাচন থেকে সরে দাঁড়ান জাতীয় পার্টি প্রার্থী মোহাম্মদ নোমান। তখন আলোচনার শীর্ষ ছিল মোটা অংকের অর্থের বিনিময়ে পাপুল ওই ১৪ দলীয় প্রার্থী নোমানকে নির্বাচন থেকে সরিয়ে দেন। বিষয়টি নির্বাচনের সময়ই বেশ আলোচিত ছিল। কাজী শহীদ ইসলাম পাপলুর স্ত্রী কাজী সেলিনা ইসলামও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালন করেন।

এ দিকে এমপির সাবেক প্রতিনিধি ও রায়পুর পৌর আওয়ামীলীগের আহবায়ক কাজী জামশেদ কবির বাকি বিল্লাহ মানবপাচারের বিষয়টি অস্বীকার করে বলছেন, কুয়েত সরকার ও ব্যবসায়ীদের ষড়যন্ত্রের শিকার এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল। তার মুক্তির দাবী করেন তিনি।

অপরদিকে রায়পুর পৌর মেয়র ও উপজেলা আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো. ইসমাইল হোসেন খোকন জানান, এমপি পাপুল সাহেব শুনেছি কুয়েতে গ্রেপ্তার হয়েছে। গ্রেপ্তারের পর ১৭ দিন রিমান্ডে নিয়ে জিজ্ঞাসাবাদ শেষে কুয়েতের কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়েছিল এমপি পাপুলকে।

তবে তিনি লক্ষ্মীপুর-২ আসনের স্বতন্ত্র এমপি হিসেবে নির্বাচিত হয়ে দায়িত্ব পালন করছেন। তিনি আওয়ামীলীগের দলীয় এমপি নয়। এছাড়া আওয়ামীলীগ বা এর অঙ্গসংগঠনের কোন পদপদবী-সদস্যও নেই এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল। যদি তিনি মানবপাচার ও অর্থপাচার করে থাকেন তাহলে ওই দেশের প্রচলিত আইনে তার বিচার হওয়া উচিত। আর যদি এসব অপকর্মের সাথে জড়িত না হন, তাহলে তার মুক্তি পাওয়ার দাবীও রাখেন তিনি।

এদিকে রায়পুর উপজেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি ও উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান অধ্যক্ষ মামুনুর রশিদ জানান, সংসদ সদস্য কাজী শহীদ ইসলাম পাপুল কোনদিন আওয়ামীলীগ করেনি এবং বর্তমানেও সে আওয়ামীলীগের কোন পদ পদবীতে নেই। জাতীয় নির্বাচনের সময় স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে আপেল প্রতীকে ভোট করে বিজয় হন। তখন আওয়ামীলীগের কোন প্রার্থী না থাকায় তাকে দলীয়ভাবে সমর্থন দেয়ায় তার পক্ষে কাজ করছেন বলে দাবী করেন তিনি।

তবে এমপি কাজী শহীদ ইসলাম পাপুলের স্ত্রী সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য কাজী সেলিনা ইসলামের সাথে একাধিকবার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করলে তিনি রিসিভ করেনি। তবে মানবপাচার বা অর্থপাচারের বিষয়টি আটকের পর থেকে অস্বীকার করে এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এমপি কাজী সেলিনা ইসলামের দাবী বিশ্বজুড়ে করোনা মহামারীর কারণে অন্যান্য দেশের মত কুয়েতেও তিন মাস ধরে লকডাউন চলছে। এ পরিস্থিতি অনেক অভিবাসী কর্মী বেকার হয়ে পড়েছেন। তাদের কেউ কেউ সরকারী দপ্তরে অভিযোগ করেছেন। এসব বিষয়ে কুয়েতের সরকারী দপ্তর ও সিআইডি তাকে আলোচনার জন্য ডেকে নিয়েছে। তাই কুয়েতের সরকারী কর্তৃপক্ষের কোন বিবৃতি, সিদ্ধান্ত বা তথ্য ছাড়া এ বিষয়ে বিভ্রান্তিকর কোন তথ্য বা সংবাদ প্রচার না করতে অনুরোধ করেন তিনি।

উল্লেখ্য, বছরের শুরুতে কুয়েতের পুলিশ এমপি শহীদুল ইসলাম পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচারের অভিযোগে তদন্ত শুরু করে বলে খবর প্রকাশ হয়। এরপর দেশি-বিদেশী বিভিন্ন গনমাধ্যমে এ নিয়ে সংবাদের পর এলাকায় শুরু হয়েছে তোলপাড়। এসব ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তের দাবী জানিয়েছেন তখন দলীয় নেতাকর্মীরা। ওই দেশটির ক্রিমিনাল ইনভেস্টিগেশন ডিপার্টমেন্ট সিআইডির অভিযানের মুখে কুয়েত ছেড়ে পালিয়ে দেশে চলে আসেন পাপুল বিভিন্ন পত্রিকার নিউজ প্রকাশিত হয়।

১৪ ফেব্রুয়ারী রাতে আবার কুয়েত চলে যান। তার স্ত্রী সেলিনা ইসলামও সংরক্ষিত নারী আসনের সংসদ সদস্য। তারা দুজনই স্বতন্ত্র হিসেবে নির্বাচিত।বৃহস্পতিবার কুয়েতের অপরাধ আদালতের বিচারক আব্দুল্লাহ আল-ওসমান মামলার রায় ঘোষণার এ তারিখ ঠিক করে দেন বলে জানিয়েছে দেশটির দৈনিক আল-কাবাস।জনশক্তি রপ্তানিকারক পাপুলকে গত ৬ জুন কুয়েতের মুশরিফ এলাকা থেকে গ্রেপ্তার করে সে দেশের পুলিশ।মানব ও অর্থপাচার এবং ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের শোষণের অভিযোগ আনা হয় বাংলাদেশের এই আইনপ্রণেতার বিরুদ্ধে।গত ১৭ সেপ্টেম্বর কুয়েতের অপরাধ আদালতের কাউন্সেলর আব্দুল্লাহ আল-ওসমানের আদালতে পাপুলের বিচার শুরু হয়।সেদিন জামিন আবেদন নাকচ করে পাপুলকে কারাগারে পাঠিয়ে ১ অক্টোবর অভিযোগ শুনানির পরবর্তী তারিখ নির্ধারণ করেছিল আদালত।

এর মধ্যে ২৯ সেপ্টেম্বর কুয়েতের আমির শেখ সাবাহ আল-আহমেদ আল-সাবাহ মারা গেলে আদালতের কার্যক্রম স্থগিত ছিলো।  আসামিপক্ষের সমাপনী যুক্তিতর্ক শোনেন বিচারক এবং মামলার রায়ের তারিখ নির্ধারণ করে দেন।মারাফি কুয়েতিয়া কোম্পানির অন্যতম মালিক পাপুলের কুয়েতে বসবাসের অনুমতি রয়েছে।

পাচারের শিকার পাঁচ বাংলাদেশির অভিযোগের ভিত্তিতে পাপুলের বিরুদ্ধে মানবপাচার, অর্থপাচার ও ব্যবসায়িক প্রতিষ্ঠানের কর্মীদের শোষণের অভিযোগ এনেছে কুয়েতি প্রসিকিউশন।কুয়েতের পাবলিক প্রসিকিউশনের তদন্তে পাপুলসহ নয়জনের বিরুদ্ধে অর্থপাচার, মানবপাচার, ঘুষ বিনিময় ও রাষ্ট্রীয় নিরাপত্তা ভঙ্গের অভিযোগ আনা হয়েছে।

পাপুলের সঙ্গে অভিযুক্ত হিসাবে রয়েছেন কুয়েতের দুজন সংসদ সদস্য সাদুন হাম্মাদ আল-ওতাইবি ও সালাহ আবদুলরেদা খুরশিদ। তারা জামিনে রয়েছেন।বাংলাদেশি এমপির কাছ থেকে ‘ঘুষ নিয়ে’ অবৈধ সুবিধা দেওয়ার অভিযোগ আনা হয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

কুয়েতের স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের সাবেক অ্যাসিসট্যান্ট আন্ডার সেক্রেটারি বরখাস্ত মেজর জেনারেল মাজেন আল-জাররাহও রয়েছেন অভিযুক্তদের মধ্যে। তাকে জামিন দিয়েছিলো আদালত।কুয়েতি গণমাধ্যমের খবরে বলা হয়, অভিযুক্তদের মধ্যে আরও তিন বাংলাদেশি নাগরিকের জামিন বাতিল করে তাদেরকে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দিয়েছিল আদালত।

আল-কাবাসের খবরে বলা হয়, পাপুলের বিষয়ে অভিযোগ তদন্তের সময় অভিযুক্ত হিসাবে ১৩ জনের নাম উঠে আসে। এর মধ্যে থেকে চারজনকে তদন্তকালে বাদ দেওয়া হয়।সাধারণ শ্রমিক হিসাবে কুয়েত গিয়ে বিশাল সাম্রাজ্য গড়া পাপুল ২০১৮ সালে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে লক্ষ্মীপুর-২ আসনে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। পরে স্ত্রী সেলিনা ইসলামকেও সংরক্ষিত আসনের সংসদ সদস্য করে আনেন তিনি।

বাংলাদেশেও দুর্নীতি দমন কমিশন পাপলু, তার স্ত্রী এবং তাদের পরিবারের সদস্যদের সম্পদ নিয়ে অনুসন্ধান চালিয়ে মামলা করেন। পরবর্তীতে নিম্ন আদালত থেকে জামিন নেন তিনি। 

এইচএস


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft