For English Version
সোমবার, ০৮ মার্চ, ২০২১, রেজি: নং- ০৬
Advance Search
হোম অর্থ ও বাণিজ্য

ধানের জেলায় অস্থির চালের বাজার

Published : Saturday, 12 December, 2020 at 5:09 PM Count : 190

গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরে কেজিপ্রতি চালের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা। এর ফলে দিশেহারা হয়ে পড়েছেন নিম্ন আয়ের মানুষ।

বাজার নিয়ন্ত্রণ করতে দ্রুত সরকারি ওএমএস বা নির্দিষ্ট মূল্যে চাল বিক্রি কার্যক্রম চালু করার দাবি উঠেছে সর্বমহলে।

দিনাজপুরে নতুন ধান বাজারে এলেও ধানের জেলায় অস্থির চালের বাজার। প্রতিদিন লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে চালের দাম। গত এক সপ্তাহের ব্যবধানে দিনাজপুরে ৫০ কেজির বস্তাপ্রতি চালের দাম বেড়েছে দেড়শ থেকে দুইশত টাকা। আর কেজি প্রতি বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা।

বাজারের চাল বিক্রেতারা বলছেন, নতুন ধান বাজারে এলেও মিল মালিকরা সিন্ডিকেট করে দাম বাড়িয়ে দেয়ায় বাজারে চালের দাম বেড়েছে।

আর মিল মালিকরা বলছেন, বাজারে ধানের দাম বেশি থাকার কারণেই সামঞ্জস্য রেখেই নির্ধারিত হয়েছে চালের দাম। তবে চালের এই দামকে সহনশীল বলে দাবি করেন মিল মালিকরা।

প্রতি বছর নতুন ধান উঠার সঙ্গে সঙ্গেই চালের দাম কমলেও ধানের জেলা দিনাজপুরে এবার চালের বাজারের চিত্র উল্টো। নতুন ধান উঠার সঙ্গে সঙ্গেই বাজারে বাড়তে শুরু করেছে চালের দাম। 

দিনাজপুর শহরের প্রধান চালের বাজার বাহাদুর বাজারে গিয়ে দেখা যায়, এক সপ্তাহের ব্যবধানে ৫০ কেজির মিটিকেট চালের বস্তা ২৬শ টাকা থেকে বেড়ে ২৮শ টাকা, বিআর-২৮ জাতের চাল ২৩’শ টাকা থেকে বেড়ে ২৫’শ টাকা, সুমন স্বর্ণ চাল প্রতি বস্তা ২২’শ টাকা থেকে বেড়ে ২৪’শ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। 

এক সপ্তাহের ব্যবধানে বাজারে প্রতি কেজি চালের দাম বেড়েছে ৩ থেকে ৪ টাকা। নতুন ধান উঠলেও প্রতি সপ্তাহান্তেই লাফিয়ে লাফিয়ে চালের এই দাম বৃদ্ধিতে বিপাকে পড়েছেন ভোক্তারা। বিশেষ করে নিম্ন আয়ের খেটে খাওয়া মানুষ চাল কিনতে হিমসিম খাচ্ছেন।

বাহাদুর বাজারে চাল কিনতে আসা মনসুর আলী জানান, দিনে যা আয় করি, তা চাল কিনতেই শেষ। এই অবস্থা চললে পরিবার-পরিজনের মুখে আহার জোগাতে হিমসিম খেতে হবে।

বাহাদুর বাজারের চাল বিক্রেতা মেসার্স অন্ন ঘরের মালিক লিয়াকত আলী জানান, প্রতি বছর নতুন ধান উঠলে চালের দাম কমে। কিন্তু এবার মিল মালিকরা এক সপ্তাহের ব্যবধানে বস্তাপ্রতি চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছেন ১৫০ থেকে ২শ টাকা। এছাড়াও অজ্ঞাত কারণেই মিল মালিকরা চাহিদামতো চাল দিচ্ছেন না আমাদের।

তিনি বলেন, বেশি দামে চাল কিনে বাধ্য হয়েই বেশি দামে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতি সপ্তাহে চালের দাম বেড়ে যাওয়ায় চাল বিক্রি করতে গিয়ে ক্রেতাদের সঙ্গে প্রায়ই বচসা হচ্ছে আমাদের।

নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক বাহাদুর বাজারের আরেক চাল বিক্রেতা বলেন, মিল মালিকরা এবার সিন্ডিকেট করেই চালের দাম বাড়িয়ে দিয়েছে। নতুন ধান উঠলেও কমিয়ে দিয়েছে চালের সরবরাহ।

এটাকে অশুভ লক্ষণ হিসেবে আখ্যায়িত করেন তিনি বলেন, আগামীতে হয়তো মিল মালিকরা চালের দাম আরও বাড়িয়ে দেবে। 

বাজার নিয়ন্ত্রণে সরকারের হস্তক্ষেপ কামনা করেন ওই চাল বিক্রেতা। 

অপরদিকে, মিল মালিকরা বলছেন, এবার বাজারেই নতুন ধানের দাম বেশি। তাই বেশি দানে ধান কিনে উৎপাদন খরচের সঙ্গে সঙ্গতি রেখেই চালের দাম নির্ধারণ করতে হচ্ছে। ধানের দাম বেশি থাকার কারণেই চালের দাম বেড়েছে বলে জানান মিল মালিকরা। 

-ডিএইচ/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft