For English Version
বুধবার, ০২ ডিসেম্বর, ২০২০
Advance Search
হোম সারাদেশ

বাগমারায় জমে উঠেছে ফুটপাতের কেনাবেচা

Published : Saturday, 21 November, 2020 at 4:39 PM Count : 103
অবজারভার সংবাদদাতা

 শীতে স্বল্প আয়ের মানুষের একমাত্র ভরসা ফুটপাত হলেও এখন মধ্যবিত্তসহ অন্যরাও ঝুঁকছেন ফুটপাতের দিকে। আর সেখানেই মিলছে তাদের চাহিদামত শীতের নানান পোশাক। তাইতো তুলনামূলক কম দামে পছন্দমত পোশাক কিনতে ফুটপাতে ভীড় করছেন ক্রেতারা। কিন্তু বসার নির্দিষ্ট কোন জায়গা না থাকায় বিপাকে পড়েছেন ভবানীগঞ্জ পৌরসভাসহ উপজেলার বিভিন্ন বাজারের ফুটপাত ব্যবসায়ীরা।

হকাররা ভবানীগঞ্জ পৌরসভা গরুটাহায় চাটি বিছিয়ে ব্যবসা করলেও তারা আশংকা করছেন হাটবারে তাদের তুলে দেয়া হয় কিনা। তবে হাট মালিকরা হকারদের দুশ্চিন্তার কারন নেই জানিয়ে বলেছেন তাদের অচিরেই বিকল্প বসার ব্যবস্থা করে দেওয়া হবে।

সরোজমিন ঘুরে দেখা গেছে, ভবানীগঞ্জ বাজারের ফুটপাতে শীতের বিভিন্ন পোশাক নিয়ে পসরা সাজিয়েছেন প্রায় অর্ধশতাধিক দোকানী। এখানেই মিলছে শিশু থেকে শুরু করে সব বয়সী নারী পুরুষের শীতের রকমারী পোশাক। বিশ টাকা থেকে শুরু করে হাজার বারশ’ টাকার পোশাক রয়েছে এসব দোকান গুলোতে। রয়েছে বিদেশ থেকে আমদানীকৃত পুরানো পোশাকও। তবে পুরানো কাপড়ের চাইতে নতুন কাপড়ের প্রতি ঝোক বেশি ক্রেতাদের। কারণ এসব ফুটপথের দোকানগুলোতে নতুন কাপড়ের দাম তুলনামূলক কম এবং আকর্ষনীয় হওয়ায় এগুলো সহজেই ক্রেতাদের আকৃষ্ট করছে।

হামিরকুৎসা থেকে তিন বছর বয়সী নাতনীর জন্য শীতের পোশাক কিনতে আসা আব্বাস আলী জানান, মাত্র একশ টাকা দিয়ে তার নাতনীর জন্য জামা পায়জামা মিলে তিন জোড়া পোশাক কিনেছেন। এছাড়া একই বাজার থেকে তার স্ত্রীর জন্য মাত্র একশ সত্তর টাকা দিয়ে একটি সোয়েটার কিনেছেন।

কাপড় বিক্রেতা আবু বক্কর সিদ্দিক ও মোজাহার হোসেন জানান, প্রতিদিন সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত তারা এখানে দোকান খুলে বসেন। হাটের দিন তাদের কারো কারো বিক্রির পরিমান ত্রিশ হাজার টাকা ছাড়িয়ে যায়। তবে অন্যান্য দিন বিক্রির পরিমান দশ থেকে পনের হাজার টাকা। 

ফুটপাতের এসব ব্যবসায়ীরা জানান, তারা ঢাকা নারায়নগঞ্জ সহ দেশের বড় শহর থেকে এক সঙ্গে কয়েকজন ব্যবসায়ী মিলে সব বয়সী নারী পুরুষের বিভিন্ন পোশাক কিনে এনে বাগমারার বিভিন্ন বাজারে বিক্রয় করে থাকেন। এতে তাদের পাইকারী মূল্যে ও পরিবহন খরচে অনেক সাশ্রয়ী হওয়ায় তারা স্বল্প মূল্যে সেগুলো বিক্রি করতে পারেন। এছাড়া ফুটপাত হওয়ায় তাদের দোকান ভাড়াও নেই শুধু হাটের ইজারাদারদের সামান্য কিছু টাকা দিলেই চলে। এসব মিলে তাদের ব্যবসা বেশ ভালোই চলছে। তবে শীত আরো জেঁকে বসলে তাদের বিক্রি আরো বাড়বে বলে তাদের প্রত্যাশা। 

ফুটপাতের এসব ব্যবসায়ীরা আরও জানান, ভবানীগঞ্জ বাজারে তাদের জন্য নিদিষ্ট কোন জায়গা নেই। আজ এখানে কাল সেখানে মালপত্র নিয়ে তাদের দৌড়ঝাপ করতে হয়। রোদ ঝড় বৃষ্টিতে তাদের দূর্ভোগের শেষ থাকে না। তারা হাট মালিক ও পৌর কর্তৃপক্ষের কাছে ব্যবসা করার স্থায়ী জায়গার দাবী জানিয়েছেন।

এ বিষয়ে হাটের ইজারাদার রহিদুল ইসলাম জানান, ফুটপাত ব্যবসায়ীদের জন্য ভবানীগঞ্জ মেডিকেল সাব সেন্টার এলাকায় অস্থায়ী বসার পরিকল্পনা রয়েছে।

পৌরসভার সহকারি প্রকৌশলী লিটন মিয়া বলেন, হকারদের জন্য বিকল্প একটি বসার জায়গা করার জন্য আমরা চিন্তা ভাবনা করছি। 

জানতে চাইলে পৌর মেয়র আব্দুল মালেক মন্ডল বলেন, হকারদের হতাশার কারণ নেই। তাদের বসার জায়গা অচিরেই করে দেওয়া হবে।

এএইচ/এসআর


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft