For English Version
শুক্রবার, ২৭ নভেম্বর, ২০২০
Advance Search
হোম

নওগাঁ-৬ আসনের উপ-নির্বাচনে

বিএনপি প্রার্থীর ভোট বর্জন ও বড় ধরনের সহিংসতা ছাড়াই ভোটগ্রহণ সম্পন্ন

Published : Saturday, 17 October, 2020 at 5:40 PM Count : 81
অবজারভার সংবাদদাতা

নওগাঁ-৬ (আত্রাই-রাণীনগর) আসনের উপনির্বাচনে ভোটার উপস্থিতি ছিল কম। তবে এর মধ্যে বিএনপির প্রার্থীর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দেওয়া ও ভোটারদের ভোট দানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। নির্বাচনে অনিয়মের অভিযোগে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন বিএনপির প্রার্থী শেখ রেজাউল ইসলাম। শতকরা প্রায় ৩০ভাগ ভোট পড়েছে বলে জানিয়েছেন জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা মাহমুদ হাসান।

গতকাল  শনিবার সকাল ৯টা থেকে শুরু হয়ে বিরতিহীন ভাবে ভোট গ্রহণ চলে বিকেল ৫টা পর্যন্ত। সকাল থেকে রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলার বিভিন্ন কেন্দ্রে গিয়ে দেখা যায়, কেন্দ্রগুলোতে ভোটার উপস্থিতি খুবই কম। বেশির ভাগ বুথে কোনো ভোটার নেই। তবে ইভিএমে ভোট গ্রহণ অনুষ্ঠিত হওয়ায় ভোটাররা অনেক উৎসাহ আর উদ্দীপনা নিয়ে প্রখর রোদের মধ্যে দীর্ঘলাইনে দাড়িয়ে ভোট দিচ্ছেন। এছাড়াও কিছু কিছু ভোট কেন্দ্রে ভোটারদের উপস্থিতি ছিলো একেবারেই কম। কোন কোন কেন্দ্রে কিছুক্ষণ পরপর একজন-দুইজন করে ভোটার ভোট দিয়ে যাচ্ছেন। 

বিভিন্ন কেন্দ্রে সাধারণ ভোটারদের ভোট দানে বাধা দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে। রাণীনগর পাইলট উচ্চ বিদ্যালয় কেন্দ্রের ভোটার শফিকুল ইসলাম, জুয়েল রানা, মোকাব্বের সহ ছয়-সাতজন ভোটার জানান, তারা ভোট দেওয়ার জন্য কেন্দ্রের ভেতর ঢুকতে চাইলে আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা তাদের ঢুকতে বাধা দেয়। ভোট না দিয়েই তারা ফিরে আসেন। 

বিকেল সাড়ে ৩টায় আত্রাই উপজেলার সদরের নাহার গার্ডেন মার্কেটে সংবাদ সম্মেলন করে নানা অনিয়মের অভিযোগে এই নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন উল্লেখ করে ভোট বর্জনের ঘোষণা দেন। সংবাদ সম্মেলনে শেখ রেজাউল ইসলাম বলেন, নির্বাচনের আগে দুই তিন দিন ধরে বিএনপির নেতাকর্মীদের মারধর করে ভোটের মাঠ থেকে সরিয়ে দেওয়ার চেষ্টা করেছে আওয়ামী প্রার্থীর কর্মী-সমর্থকেরা। গতকাল ভোটের দিন সকাল থেকেই ভোটকেন্দ্রগুলোতে বিএনপির সমর্থক ও সাধারণ ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেয় আওয়ামী প্রার্থীর লোকজন। 

তিনি আরও বলেন, ১০৪টি ভোটকেন্দ্রের প্রত্যেকটি বুথে ধানের শীষের এজেন্ট দেওয়া হয়েছিল। ৯টার সময় ভোট শুরুর পর পরেই আওয়ামী লীগের কর্মী-সমর্থকেরা বিএনপির এজেন্টদের মারধর করে বের করে দেয়। অনেক কেন্দ্রে বিএনপির সমর্থক হিসেবে পরিচিত এবং কোনো দল করে না এমন অনেক সাধারণ ভোটারদের ভোট দিতে বাধা দেওয়া হয়েছে। কোনো কোনো কেন্দ্র সাধারণ ভোটাররা ভোট দিতে বুথে প্রবেশ করলেও তাঁর ভোটার পরিস্থিতি চিহ্নিত করার পর প্রতীকে নির্বাচনের আগেই তাঁদের বের করে দিয়ে আওয়ামী লীগের এজেন্টরা পরে তারাই সুইচ টিপে নৌকা প্রতীকে ভোট দিয়ে দেন। 

এ ধরণের নির্বাচনে নানা অনিয়মের অভিযোগ তুলে এই নির্বাচনকে প্রহসনের নির্বাচন উল্লেখ করে ভোট বর্জণের ঘোষণা দেন বিএনপির এই প্রার্থী।

রাণীনগর ও আত্রাই উপজেলা নিয়ে গঠিত এই নির্বাচনী এলাকায় মোট ভোটার ৩ লাখ ৬ হাজার ৭২৫ জন। ১০৪টি কেন্দ্রে ইলেক্ট্রনিং ভোটিং মেশিনের (ইভিএম) মাধ্যমে ভোট নেওয়া হয়। আওয়ামী লীগ ও বিএনপির প্রার্থী ছাড়াও ন্যাশনাল পিপলস পার্টির (এনপিপি) প্রার্থী ইন্তেখাব আলম নির্বাচনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করেন। 

এআর/এইচএস


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft