For English Version
বৃহস্পতিবার, ২২ অক্টোবর, ২০২০
Advance Search
হোম সারাদেশ

রাঙ্গাবালীতে গৃহবধূকে বেঁধে নির্যাতনের অভিযোগ, পরিবারের দাবি-ধর্ষণ

Published : Saturday, 17 October, 2020 at 12:58 PM Count : 54

পটুয়াখালীর রাঙ্গাবালী উপজেলায় ৩০ বছর বয়সী এক গৃহবধূকে হাত-পা বেঁধে নির্যাতন করার অভিযোগ উঠেছে। পরিবারের দাবি, তাকে নির্যাতনের পর ধর্ষণ করে টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার লুট করা হয়েছে। 

শুক্রবার রাতে উপজেলার চরমোন্তাজ ইউনিয়নের চরমার্গারেট এলাকায় এ ঘটনা ঘটে। 

নির্যাতনের শিকার গৃহবধূকে ওই রাতেই স্পিডবোটযোগে গলাচিপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নেওয়া হয়। সেখানকার কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে শনিবার সকালে পটুয়াখালী ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট হাসপাতালে রেফার করেন। বর্তমানে তিনি সেখানে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। 
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানিয়েছেন, সকালে তাকে ভর্তি করা হয়। তিনি অসুস্থ। তার মেডিকেল টেষ্ট করা হয়েছে। 

এদিকে, ঘটনায় সম্পৃক্ত থাকার সন্দেহে শাকিল (২০) নামের এক তরুণকে শনিবার সকালে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য চরমোন্তাজ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রে নেওয়া হয়েছে। শাকিল চরমার্গারেটের বাসিন্দা মজিবর শরিফের ছেলে। পেশায় টেইলার্স (দর্জি) সে।

ওই গৃহবধূর স্বামী বলেন, ‘আসরের আগে তিনি কাশেম মোল্লার স্লুইসে (পার্শ্ববর্তী এলাকা) গিয়েছিলেন। বাড়ি যখন ফিরছিল, তখন রাত ৯টা কিংবা পৌনে ৯টা। পথিমধ্যে তার মোবাইলে বাড়ি থেকে ফোন আসে। পরে ফোনটি বন্ধ করে দেওয়া হয়। তার কাছে বিষয়টি সন্দেহের হলে তিনি দ্রুত বাড়িতে ছুঁটে যান। গিয়ে ছেলে-মেয়ের কান্নার শব্দ শুনে ঘরে ঢুকেন। বাতি বন্ধ ছিল। টর্চ লাইট মেরে দেখেন, তার স্ত্রী টেবিলের সঙ্গে হাত বাঁধা। নাক-মুখ ও চোখ ওড়না দিয়ে বাঁধা। পরে ডাক-চিৎকার দিলে লোকজন আসে। এরমধ্যে তার স্ত্রী জ্ঞান হারিয়ে ফেলে। রোগী অনেক অসুস্থ থাকায় দ্রুত গলাচিপা নিয়ে যান। সেখান থেকে পটুয়াখালী নেওয়া হয়।’ 

তিনি দাবি করেন, তার স্ত্রীকে শারীরিক নির্যাতন এবং ধর্ষণ করা হয়। পরে ঘর থেকে দেড় লক্ষাধিক টাকা এবং স্বর্ণালঙ্কার নিয়ে গেছে। এ ঘটনায় তিনজন জড়িত আছেন বলে তথ্য দিয়েছেন স্বামী।  

প্রতিবেশীরা জানান, ভিকটিম মুমূর্ষ অবস্থায় ছিল। পরনের পোশাক এলেমেলো ছিল। ভিকটিমের তথ্যমতে, যে তিনজন এসেছিল তাদের গায়ে বোরকা ছিল। স্থানীয়রা জানায়, ওই গৃহবধূর বাড়ি নির্জন জায়গায়। 

রাঙ্গাবালী থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. আলী আহম্মেদ বলেন, ‘ভিকটিমের যারা আত্মীয়-স্বজন তারা কেউ এলাকায় নেই। তারা পটুয়াখালী গেছে। গলাচিপা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার সঙ্গে কথা বলছি। তিনি বলছেন, একজন রোগী আসছিল। রোগীর বক্তব্য অনুযায়ী তাকে মারছে (মারধর) এবং ধর্ষণ করেছে। আমরা তাকে পটুয়াখালী পাঠিয়ে দিয়েছি। ধর্ষণ কিনা তা বলতে পারছি না।’ 

তিনি আরও বলেন, ‘প্রকৃত ঘটনা জানতে আমি ঘটনাস্থলে এসেছি, সার্কেল স্যার আসতেছে। ঘটনার তদন্ত চলছে।’ 





উপজেলা মহিলা বিষয়ক কর্মকর্তা তাসলিমা আক্তার বলেন, ‘অত্যন্ত দুঃখজনক বিষয়। আমি ঘটনাস্থলে যাব।’  

এ ব্যাপারে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. মাশফাকুর রহমান বলেন, ‘বিষয়টি জেনেই আমি ভিকটিমের স্বামীর সঙ্গে কথা বলেছি। তিনি ঘটনায় জড়িত তিনজনের নাম বলেছেন। তাৎক্ষণিক ওসি সাহেব এবং চরমোন্তাজ তদন্ত কেন্দ্রের ইনচার্জের সঙ্গে আমার কথা হয়েছে। শাকিল নামের একজনকে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ধরা হয়েছে। বিষয়টি আমরা সর্বোচ্চ গুরুত্ব দিয়ে দেখবো।’  

এমপি/এসআর  


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft