For English Version
বুধবার, ২৮ অক্টোবর, ২০২০
Advance Search
হোম বেড়িয়ে আসুন

কাশফুলের শুভ্রতায় সেজেছে ধরলার পাড়

Published : Tuesday, 29 September, 2020 at 2:41 PM Count : 148
অবজারভার সংবাদদাতা

বাঙালীদের মনে দোলা দিতে বর্ষাকালকে বিদায় জানিয়ে শুভ্রতার প্রতীক হয়ে প্রতি বছর ফিরে আসে শরৎকাল। বাঙালীর হৃদয়ে আনন্দের আশা জাগায় শরতের এই কাশফুল। শিশির ভেজা মাঠ জুড়ে সবুজ ঘাস, নীল আকাশ ও সাদা কাশফুল হৃদয়ে শিহরণ জাগায় প্রকৃতিপ্রেমীদের।

কুড়িগ্রামের ফুলবাড়ীতে ধরলাসহ বিভিন্ন নদ-নদীর র্তীরবর্তী মাঠ জুড়ে সাদা কাশফুলের সমারোহ। নয়ন জুড়ানো ধরলার তীরে কাশফুলের শুভ্রতায় বিমোহিত প্রকৃতিপ্রেমীরা।

করোনা কালে জেলা শহরের বিনোদন কেন্দ্রগুলো বন্ধ থাকায় অনেকেই হাপিয়ে উঠেছেন। এই মুহুর্তে নদ-নদী ও চরাঞ্চলের বির্স্তীণ কাশবন হয়ে উঠেছে প্রকৃতি প্রেমীদের বিনোদন স্থল।

সোমবার বিকেলে ফুলবাড়ী সদর থেকে সাড়ে ৩ কিলোমিটার দুরে শিমুলবাড়ী এলাকায় শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর উত্তর পাশে গিয়ে দেখা যায়, ধরলার তীরে কাশফুলের বাগানের চারিদিকে শুধু পানি আর পানি। ধরলায় পানি অনেক বেশি থাকা সত্বেও দুর-দুরান্ত থেকে তরুণ-তরুণীসহ বিভিন্ন বয়সের মানুষ নৌকা ভাড়া করে কাশবনে ঘুরে বেড়াচ্ছেন।

উপজেলার নাওডাঙ্গা, শিমুলবাড়ী ,ফুলবাড়ী ও বড়ভিটা ইউনিয়নে ধরলা নদীর তীরে ধু-ধু বালুচরের মধ্যে বিস্তীর্ণ উঁচু জায়গা জুড়ে আপন মনে ফুটেছে শরতের সাদা কাশফুল। প্রতিদিন বিকেল হলেই শত শত দর্শণার্থী শেখ হাসিনা ধরলা সেতু দেখতে এসে সেতুর উত্তর পাশে কাশফুলের বাগানে গিয়ে আনন্দ উপভোগ করে।

১৫ থেকে ২০ বছর আগে চরাঞ্চলের চাষিরা বাণিজ্যিক ভাবে কাশফুল চাষ করতো। এখন কাশফুল বিলীনের পথে। আমাদের এই বাংলাদেশে সাধারণত ৩ প্রজাতির কাশফুল আছে। সমতলে এক প্রজাতির কাশফুল এবং পাহাড়ে দুই প্রজাতির কাশফুল।

খুব সহজেই কাছাকাছি দর্শণযোগ্য বলে সবার কাছে সমতলের প্রজাতির কাশফুল বেশি জনপ্রিয়। বাংলাদেশের সব নদীর র্তীরে প্রাকৃতিক জলাশয়ের ধারে বেশি কাশফুল জন্মে। 





লালনিরহাট সদর উপজেলার থানাপাড়া থেকে আসা প্রীতিলতা ও মৌমিতা মোহনি জানান, শেখ হাসিনা ধরলা সেতুর পাশে ধরলার তীরে সুন্দর একটি কাশফুলের বাগান দেখার খুব ইচ্ছা ছিলো। আমরা ভাবতেই পারিনি এতো সুন্দর মনোমুগ্ধকর দৃশ্য উপভোগ করবো। কল্পনার বাইরে যে এতো ভালো লাগলো। এতো সুন্দর পরিবেশে সাদা কাশফুল আর নীল সবুজ আকাশ দেখে মুগ্ধ হয়েছি। দৃশ্যগুলো স্মৃতি হয়ে থাকবে।

লালমনিরহাট থেকে আসা দীলিপ রায় জানান, এতো সুন্দর একটি কাশবন চরাঞ্চলে পেয়েছি। সত্যিই একটি মনোমুগ্ধকর পরিবেশ। এই মুহুর্তে ভাল লাগার জায়গা হলো ধরলা নদীর চরে কাশবনে ঘুরতে আসা। আমি দেখে গেলাম। সম্ভব হলে আমার পরিবারের লোকজনকে নিয়ে ঘুরতে আসবো।

উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মাহবুবুর রশিদ জানান, বাংলাদেশের সকল নদ-নদীর র্তীরে প্রাকৃতিক জলাশয়ের ধারে বেশি কাশফুল জন্মে। কাশবন শুধু প্রকৃতিপ্রেমীদের মনে তৃপ্তি মেটায় না। এ কাশবন (কাশিয়া) দিয়ে নদী ভাঙ্গণ রক্ষা পায়। সেই সঙ্গে কাশিয়া দিয়ে আগে মানুষ ঘর তৈরি করতো। এখন রান্নার জ্বালানি হিসাবে ব্যবহার হয়ে থাকে।'

-এসি/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft