For English Version
শনিবার, ০৫ ডিসেম্বর, ২০২০
Advance Search
হোম সারাদেশ

বিটিআরআই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে সরকারি অর্থতসরুপের অভিযোগ

Published : Saturday, 26 September, 2020 at 6:57 PM Count : 481
অবজারভার সংবাদদাতা

মৌলভীবাজারের শ্রীমঙ্গলের বাংলাদেশ টি রিসার্চ ইনস্টিটিউট (বিটিআরআই) এর এক মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ভুয়া বিল দেখিয়ে সরকারী অর্থ তসরুপের অভিযোগ উঠেছে।  তাও আবার ঘটনার ৩ বছর অতিবাহিত হওয়ার পর উঠলো এ অভিযোগ!

তবে এবার খোদ শ্রীমঙ্গলের ‌‘সন্ধানী শিল্পী গোষ্টির’ নামে ভুয়া বিল করে সরকারী অর্থ আত্মসাতের অভিযোগ উঠেছে বিটিআরআইয়ের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ইসমাইল হোসেনের বিরুদ্ধে।  আর অভিযোগটি করেছেন সন্ধানী শিল্পী গোষ্টির সভাপতি দেবব্রত দত্ত।

জানা যায়, বিটিআরআই’র উন্মুক্ত চা আস্বাদনী অধিবেশন উপলক্ষে চাবাগান মালিক,ব্রোকার্স, টিটিএবি ও চা বিজ্ঞানীদের সমন্বয়ে বিগত ২০১৭ সালের ২৪ আগষ্ট একটি মতবিনিময় সভা শ্রীমঙ্গলের গ্রান্ড সুলতান টি রিসোর্ট এন্ড গলফে অনুষ্টিত হয়। সে সভায় শ্রীমঙ্গলের সন্ধানী শিল্পীগোষ্টিকে দিয়ে অনুষ্ঠান করানোর কথা বিটিআরআইয়ের পক্ষ থেকে উল্লেখ করা হলেও আদতে সেদিন সন্ধানী শিল্পী গোষ্টি বিটিআরআইয়ের আমন্ত্রণে কোন অনুষ্টানে অংশগ্রহণ করেনি বলে সাফ জানিয়ে দেয়।

তবে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তা সন্ধানীকে শিল্পী গোষ্টির বায়বীয় অনুষ্ঠান বাবদ ৩৩,৫০০ টাকা সরকারী অর্থ প্রদান করেছেন মর্মে বিল করেছেন এবং সবচেয়ে অবাক করার মতো বিষয় হলো ‌‘‌শ্রী গোপাল চন্দ্র দে’ নামে মনগড়া একটি নাম ব্যবহার করে সরকারী অর্থ আত্মসাৎ করেছেন বলে দৃঢ় মনোভাব ব্যক্ত করছেন সন্ধানী শিল্পী গোষ্টি সংশ্লিষ্টরা। 

তারা বলছেন, ‘’‌শ্রী গোপাল চন্দ্র দে’ নামে কোন শিল্পী বা সদস্য তাদের নেই। এই সরকারি অর্থ আত্মসাতের দায়ে সরাসরি অভিযুক্ত করা হয়েছে ক্রপ ডিপার্টমেন্টের মুখ্য বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. মো. ইসমাইল হোসেনকে।

অভিযোগ উত্থাপনকারী শ্রীমঙ্গলের সন্ধানী শিল্পীগোষ্টীর সভাপতি দেবব্রত দত্ত বলেন, ‌‘সরকারী অর্থ প্রতারণার মাধ্যমে তসরুপের মাধ্যমে এ দুর্নীতবাজ কর্মকর্তা ও দোসররা একইসাথে সন্ধানী শিল্পী গোষ্টি ও বিটিআরআইসহ চা বোর্ডের সুনামকে প্রশ্নবিদ্ধ করেছে। তার বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণের আহবান জানান তিনি।’

এব্যাপারে অভিযুক্ত বৈজ্ঞানিক কর্মকর্তা ড. ইসমাইল হোসেনের বক্তব্য জানতে তাঁর মুঠোফোনে যোগাযোগ করা হলে তিনি নিজের পরিচয়ে গোপন করে বলেন, আপনি কি বলতে চাচ্ছেন আমি জানি, তাকে অন্য নাম্বারে একটু চেষ্টা করেন বলেই সংযোগ কেটে দেন।  পরে অনেক চেষ্টা করলেও তিনি আর ফোন রিসিভ করেননি।

বিটিআরআই’র পরিচালক ড. মোহাম্মদ আলীর মুঠোফোনে অভিযোগের বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে, তিনি অভিযোগ বিষয়ে কোনও কথা বলতে রাজি হননি বরঞ্চ পরে কথা বলবেন- একথা বলে ফোন কেটে দেন।

এ ব্যাপারে সন্ধানী শিল্পী গোষ্টি দুর্নীতি দমন কমিশন, বাণিজ্য মন্ত্রণালয়ের সচিব, চা বোর্ডের চেয়ারম্যানের নিকট লিখিত অভিযোগ করেছে।

এছাড়াও, অতি সম্প্রতি, বিটিআরআইতে রক্ষনাবেক্ষণ কাজের এক ঠিকাদারও বিটিআরআই’র কয়েক কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ৫ লাখ টাকা ‌‌ঘুষের জন্য ১০ লাখ টাকা বিল আটকের অভিযোগ করেছিলেন। তাছাড়াও, বিভিন্ন মহলে জনশ্রুতি রয়েছে বিটিআরআইয়ে একটি প্রভাবশালী দুর্নীতিবাজ চক্র দীর্ঘদিন ধরেই ক্ষমতার অপব্যবহার এবং অনৈতিক কাজে জড়িত রয়েছে বলে।

এইচএস


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft