For English Version
শুক্রবার, ২৫ সেপ্টেম্বর, ২০২০
হোম আইন-আদালত

সিনহা হত্যা: চার পুলিশসহ ৭ আসামি রিমান্ডে

Published : Wednesday, 12 August, 2020 at 12:02 PM Count : 144

কক্সবাজারের টেকনাফে পুলিশের গুলিতে সাবেক মেজর (অব.) সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান হত্যা মামলার আসামি চার পুলিশসহ ৭ জনের সাতদিনের রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।

টেকনাফের সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের (আদালত নম্বর-৩) বিচারক সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট তামান্না ফারাহ্ রিমান্ড আবেদনের শুনানি শেষে বুধবার সকালে এ আদেশ দেন।

যাদের রিমান্ড মঞ্জুর করা হয়েছে তারা হলেন, এএসআই লিটন মিয়া, বহিস্কৃত কনস্টেবল সাফানুর করিম, কনস্টেবল কামাল হোসেন, কনস্টেবল আবদুল্লাহ আল মামুন। আর পুলিশের মামলার সাক্ষী টেকনাফ শামলাপুর মারিশ বনিয়া গ্রামের মো. নুরুল আমিন, নেজাম উদ্দিন ও মোহাম্মদ আয়াজ। 

এই তিন ব্যক্তি পুলিশের করা দুই মামলায় সাক্ষী ছিলেন। তারা হত্যাকাণ্ডের পর সিনহা রাশেদ খানকে ডাকাত বলে প্রচার করেছিলেন।

মঙ্গলবার র‍্যাব তাদের গ্রেফতার করে ১০ দিনের রিমান্ড আবেদন করলে বুধবার শুনানির জন্য তারিখ নির্ধারণ করা হয়।                        

অপরদিকে, মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা র‍্যাব-১৫ এর সহকারী পুলিশ সুপার (এএসপি) জামিল আহমদ গত ১০ অগাস্ট পুলিশের ৪ জন আসামীর প্রত্যেকের জন্য ১০ দিন করে আদালতে রিমান্ড আবেদন করেছিলেন। আদালত বুধবার রিমান্ড আবেদন শুনানির জন্য রেখেছিলেন।

এ ৪ জন আসামিকে কক্সবাজার জেলা কারাগার ফটকে গত ০৮ ও ০৯ অগাস্ট পর পর দুই দিন জিজ্ঞাসাবাদ করা হয়। জিজ্ঞাসাবাদে মেজর (অব) সিনহা মো. রাশেদ হত্যাকাণ্ড নিয়ে তারা গুরুত্বপূর্ণ তথ্য দেওয়ায় তাদেরকে ১০ দিনের রিমান্ড চাওয়া হয় বলে রিমান্ড আবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।

এর আগে গত ০৬ অগাস্ট আদালত থেকে রিমান্ডের আদেশ পাওয়া এই মামলার অপর ৩ আসামি যথাক্রমে বরখাস্ত হওয়া টেকনাফের সাবেক ওসি প্রদীপ কুমার দাশ, বাহারছরা পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের প্রত্যাহারকৃত ইন্সপেক্টর লিয়াকত আলী (বরখাস্ত) ও এসআই নন্দলাল রক্ষিতকে (বরখাস্ত) রিমান্ডের জন্য এখনো তদন্তকারী কর্মকর্তার হেফাজতে নেওয়া হয়নি বলে জানিয়েছেন কক্সবাজার জেলা কারাগারের সুপার মোহাম্মদ মোকাম্মেল হোসেন।

গত ৩১ জুলাই রাতে টেকনাফ বাহারছড়া চেকপোস্টে তল্লাশির সময় পুলিশের গুলিতে নিহত হন সেনাবাহিনীর অবসরপ্রাপ্ত মেজর সিনহা মোহাম্মদ রাশেদ খান। এ ঘটনায় পুলিশ বাদি হয়ে টেকনাফ থানায় হত্যা ও মাদক আইনে এবং রামু থানায় মাদক আইনে পৃথক ৩টি মামলা করে। এ মামলায় নিহত মেজর সিনহা মো. রাশেদ খানের সঙ্গে থাকা শাহেদুল ইসলাম সিফাত ও শিপ্রা রানী দেব নাথকে গ্রেফতার দেখিয়ে কারাগারে পাঠায় পুলিশ।





এদিকে ০৫ আগস্ট নিহত সিনহার বোন শারমিন শাহরিয়া ফেরদৌস বাদি হয়ে কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে ইন্সপেক্টর লিয়াকত, ওসি প্রদীপ কুমার দাশসহ ৯ জনের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা করেন। ৬ আগস্ট কক্সবাজার সিনিয়র জুডিসিয়াল আদালতে আত্মসমর্পণ করেন বরখাস্ত ওসি প্রদীপ ও লিয়াকতসহ ৭ আসামি।

আদালতের নির্দেশে ৪টি মামলায়ই এখন তদন্ত করছে র‌্যাব। এরই মধ্যে পুলিশের ৩ মামলায় গ্রেফতার সিফাত ও শিপ্রাকে জামিনে মুক্তি দিয়েছেন আদালত।

-এফআই/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft