For English Version
শুক্রবার, ১৪ আগস্ট, ২০২০
হোম সারাদেশ

অস্তিত্ব সংকটে নবীনগরের তিতাস বুড়ি নদী

Published : Thursday, 16 July, 2020 at 10:33 PM Count : 142
অবজারভার সংবাদদাতা

ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর সদর তিতাস নদীতে প্রতিনিয়ত ফেলা হচ্ছে এলাকার সব বর্জ্য। এই নদী দূষনে সহযোগীতা করছেন ক্ষুদ নবীনগর পৌসভার পরিচ্ছন্নতাকর্মীরাই। এভাবে দিনের পর দিন দূষণে মৃতপ্রায় এক সময়ের খরস্রোতা তিতাস নদী। প্রতিনিয়ত এসব বর্জ্য ফেলায় বিলীন হয়ে যাচ্ছে তিতাস নদীর শাখা নদী হিসেবে পরিচিত বুড়ি নদীটিও।

স্থানীয়রা জানান, এসব বর্জ্য নদীতে পড়ায় দূষণের শিকার হচ্ছে আমাদের প্রিয় তিতাস নদী। অনেক প্রতিবাদ করেছি তারপরেও থামানো যাচ্ছে না প্রিয় নদীর দূষণ।
   
বৃহস্পতিবার সরজমিনে গিয়ে দেখা যায়, নবীনগর পৌরসভার পাশ দিয়ে বয়ে যাওয়া নদী গুলোর মধ্যে তিতাস ও বুড়ি নদী অন্যতম। সেই তিতাস ও বুড়ি নদকে কেন্দ্র করেই গুরুত্বপূর্ণ ব্যবসায়ীক স্থান হিসেবে গড়ে উঠেছে ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলার নবীনগর উপজেরার পৌর সদরের এই জায়গাটি।

প্রতিদিন নিয়ম করেই পৌরসভার গাড়ির পর গাড়ি বোঝাই করে দূষিত বর্জ্য ফেলছেন তিতাস ও বুড়ি নদীতে।এই নদীর পারে ময়লা ফেরার কারনে নদী ভরাট হয়ে নদীর পাড় ঘিরে গড়ে উঠছে নতুন নতুন অবৈধ দখলের স্থাপনা।
 
এভাবে দখল আর দুষণ হলে এক সময় তিতাস ও বুড়ি নদীর অস্তিত্বই খুঁজে পাওয়া যাবে না। শুধু পুস্তকেই পাওয়া যাবে তিতাস ও বুড়ি নদীর নাম।

দেখা যায়, নবীনগর পৌরসদরে (৫ নং ওয়ার্ড) নবীনগর সদরে ঢুকার প্রবেশ দাড় হিসেবে পরিচিত মাঝিকাড়া নামক স্থানের ব্রীজের পাসে তিতাস নদীর বিস্তীর্ণ জায়গা এলাকার সব ময়লা ফেলে দখল করা হয়েছে। এমন করে আরো দখলে নিতে নদীর পাড় গুলিতে প্রতিদিন ফেলা হচ্ছে এলাকার সব বর্জ্য।

এলাকাবাসীর সঙ্গে কথা বলে জানা যায়, বর্ষা মৌসুমে এক সময় যত দূর চোখ যেত এ নদীর বিস্তৃতি চোখে পড়ত। এখন নদীর পাড় ঘিরে গড়ে উঠছে অবৈধ স্থাপনা। এখন চারিদিকে তাকিয়ে দেখি শুধু দখল আর দখল। এখন ময়লা ফেলে সে দখলদারদের সুবিধে করে দিচ্ছেন ক্ষুদ নবীনগর পৌর সভাও। প্রতিদিন পৌসরভার সব ময়লা ফেলছেন এই তিতাস নদীর পাড়ে। সেই বর্জ্য গিয়ে পড়ছে নদীতে। এখন বর্জ্যে ও প্রভাবশালীদের দাপটে এ নদীর অস্তিত্ব বিলিন হওয়ার পথে।





এ বিষয়ে জানতে চাইলে নবীনগর পৌরসভার মেয়র এড. শিব শংকর দাশ বলেন, আমাদের পৌরসভার ড্রাম্পিং না থাকায় পৌর এলাকার মাঝিকাড়া ব্রীজের পাসে টিনের বেড়া দিয়ে ময়লা ফেলছিলাম। এখন চতুর্দিকে বন্য হওয়ায় সেই টিনের বেড়া গুলি হয়তো ভেসে গেছে। তাছাড়া যে জায়গায় ময়লা ফেলছে সেখান থেকে নদী অনেক দূরে। আমাদের কিছু করার নেই। সাত বছর যেহেতু কষ্ট করেছেন আরো এক বছর কষ্ট করতে হবে।

ডিএইচ/এসআর


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft