For English Version
বৃহস্পতিবার, ২৪ সেপ্টেম্বর, ২০২০
হোম সারাদেশ

চার বছর পর জানলেন তাদের নাম রয়েছে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকায়

Published : Monday, 13 July, 2020 at 10:52 AM Count : 192

লক্ষ্মীপুরের রামগতি উপজেলার বড়খেরী ইউনিয়নে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির হতদরিদ্রদের তালিকায় নাম থাকলেও গত ৪ বছরে ১০ টাকা কেজির চাল পাননি ৩ ভুক্তভোগী। 

তালিকা অনুযায়ী ইস্যু করা কার্ড দিয়ে ২০১৬ সাল থেকে চালও উত্তোলন হচ্ছে নিয়মিত। কিন্তু যাদের নামে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির এ চাল তোলা হয়েছে তারা বিষয়টি জানলেন ৪ বছর পর।

খাদ্য অধিদপ্তরের নিয়োগ করা ডিলার মো. ফারুক কার্ডে জাল টিপসই দিয়ে বিতরণ দেখিয়ে চালগুলো আত্মসাৎ করেছেন বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত ওই হতদরিদ্ররা ইউএনও'র কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন।

ক্ষতিগ্রস্ত ওই হতদরিদ্ররা জানান, খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকায় নাম তুলতে বড়খেরী ইউনিয়নের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের শাহাদাত হোসেন, নিজাম উদ্দিন ও সেলিনা আক্তার ২০১৬ সালে জনপ্রতিনিধিদের কাছে প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দেন। ওই বছরের সেপ্টেম্বর মাস থেকে ডিলার স্থানীয় ইউনিয়ন পরিষদের সংরক্ষিত নারী সদস্য (৪, ৫ ও ৬ নম্বর ওয়ার্ড) শামছুর নাহার লাবণীর স্বামী মো. ফারুক সুবিধাভোগীদের মধ্যে ১০ টাকা কেজির চাল বিতরণ শুরু করেন। কিন্তু ৩ জন হতদরিদ্র তাদের কার্ড সম্পর্কে কিছুই জানতেন না।

সম্প্রতি বড়খেরী ইউনিয়ন পরিষদের পক্ষ থেকে সুবিধাভোগীদের নাম ওয়েবসাইটে দেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হলে বিষয়টি ধরা পড়ে। স্থানীয় গ্রাম পুলিশের মাধ্যমে ওই ৩ জন জানতে পারেন তারা খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির তালিকাভুক্ত এবং গত ৪ বছর ধরে তাদের নামে চাল তোলা হচ্ছে। ৪ বছরে প্রত্যেকের নামে ২১ কিস্তিতে ১০ টাকা কেজি দরে ৩০ কেজি করে চাল তোলা হলেও তাদের ভাগ্যে এক কেজি চালও জোটেনি।

এ বিষয়ে খাদ্যবান্ধব কর্মসূচির ডিলার মো. ফারুক জানান, চাল আত্মসাতের সঙ্গে তিনি সম্পৃক্ত নন। কার্ডধারীদের মধ্যেই চাল বিতরণ করা হয়েছে।





কিন্তু চার বছর ধরে ওই ৩ জনের চাল কে তুলে নিলো- এমন প্রশ্নের কোন সদুত্তর দিতে পারেননি তিনি।

এ ব্যাপারে স্থানীয় চেয়ারম্যান হাছান মাকসুদ মিজান জানান, ওএমএস তালিকায় যাদের নাম লিপিবদ্ধ আছে তারাই সরকারের দেওয়া ১০ টাকা কেজিতে চাল পাওয়ার যোগ্য। এর বাইরে কেউ এ সুবিধা ভোগ করলে সেটা অনিয়মের শামিল।

উপজেলা নির্বাহী অফিসার (ইউএনও) মো. আব্দুল মোমিন বলেন, 'এ অভিযোগের প্রেক্ষিতে ৩ সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে। অভিযোগ প্রমাণিত হলে জড়িতদের বিরুদ্ধে ব্যবস্থা নেওয়া হবে।'

-এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft