For English Version
শনিবার, ১৫ আগস্ট, ২০২০
হোম সারাদেশ

তেঁতুলিয়ায় ‘লাম্পি’ ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব

Published : Wednesday, 1 July, 2020 at 1:57 PM Count : 517
অবজারভার সংবাদদাতা

পঞ্চগড়ের তেঁতুলিয়ায় গবাদিপশুর মধ্যে লাম্পি ভাইরাসের প্রাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে। গত এক সপ্তাহে উপজেলার বিভিন্ন গ্রামের শতাধিকের বেশি গরু এ ভাইরাসে আক্রান্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

এতে গবাদিপশু নিয়ে আতঙ্কিত হয়ে পড়েছেন স্থানীয় কৃষকরা। চিন্তিত হয়ে পড়েছেন এর চিকিৎসা নিয়ে।

বুধবার দুপুরে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে, গত ৩ দিনে উপজেলার সদর ইউনিয়নের দর্জিপাড়া, কানকাটা, শারিয়াল, শালবাহান ইউনিয়নের বালাবাড়িসহ বিভিন্ন গ্রামে সহস্রাধিক গরু ভাইরাসজনিত লাম্পি রোগে আক্রান্ত হয়েছে। আগে এ রকম রোগের পাদুর্ভাব দেখা দিয়েছে এমনটি বলতে পারছেন না কৃষকরা। পরে আক্রান্ত গরু চিকিৎসার জন্য উপজেলা প্রাণিসম্পদ কার্যালয়ে নিয়ে গেলে চিকিৎসকরা রোগটি শনাক্ত করেন।

কানকাটা গ্রামের সিরাজুল ইসলাম দেওয়ান এ রোগের লক্ষণ বর্ণনা করে জানান, তার ৩টি গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। প্রথমে গরু জ্বরে আক্রান্ত হয়। জ্বরের সঙ্গে মুখ ও নাক দিয়ে লালা আসে। শরীরের চামড়ায় গুটি বা পিন্ড আকৃতির ক্ষত ধারণ করে। পুরো শরীরে গুটি গুটি বসন্তের মতো দেখা যায়। আর ক্ষতগুলো ক্রমশ মুখ ও পাসহ শরীরের নানা স্থানে ছড়িয়ে পড়ে। খেতেও পারছে না, হাটতেও পারছে না।

দর্জিপাড়া গ্রামের আলাউদ্দিন ও রইচ মিয়া জানান, তাদের ৩টি গরু এ রোগে আক্রান্ত হয়েছে। পল্লী চিকিৎসক ডেকে এনে ভ্যাকসিন দিয়েছেন। ওষুধ কিনে গরুকে খাইয়েছেন। এতে অনেকের ২-৩ হাজার টাকা পর্যন্ত খরচও হয়েছে।





শালবাহান ইউনিয়নের আরেক কৃষক নাজমুল হক জানান, এই রোগে আক্রান্ত হলে প্রথমে গরুর শরীরের বিভিন্ন স্থান ফুলে গুটি হয়। এর সঙ্গে গরুর শরীরের তাপমাত্রা (জ্বর) বেড়ে যায়। ২-৩ দিনের মধ্যে গুটিগুলো ফেটে কষ (রস) ঝরে। আক্রান্ত গরু মুখে কোন খাবার খেতে চায় না। একপর্যায়ে গরুগুলো মারাত্মক দুর্বল হয়ে দাঁড়িয়ে থাকার শক্তি হারিয়ে ফেলে।

এদিকে, এ রোগের প্রাদুর্ভাব দেখা দিলেও বাজারে ঔষুধ পাওয়া যাচ্ছে না বলে জানিয়েছেন কৃষকরা। পেলেও সে ঔষুধের দ্বিগুণ থেকে তিনগুণ দাম নেয়া হচ্ছে বলে অভিযোগ তাদের।

এ বিষয়ে উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. কাজী মাহমুবুর রহমানের সঙ্গে মুঠোফোনে বলেন, রোগটি লাম্পি স্কিন ডিজিজ (এলএসডি) ভাইরাস নামে পরিচিত। এটি চর্মরোগ। সময়মতো আক্রান্ত গরুর চিকিৎসা হলে ২-৩ সপ্তাহের মধ্যে ভালো হয়ে যায়। তবে লাম্পি রোগ নিয়ে আতঙ্কিত হওয়ার কিছু নেই। আক্রান্ত গবাদিপশুর চিকিৎসার জন্য প্রাণিসম্পদ কার্যালয় থেকে উপজেলায় দুই হাজারেরও বেশি ভ্যাক্সিন সরবরাহ করা হয়েছে। উপজেলার বিভিন্ন জায়গায় আমরা ক্যাম্পেইন করছি। সচেতনতায় লিফলেট বিতরণ করছি। এখন পর্যন্ত এ রোগে উপজেলায় কোন গরু মারা যাওয়ার খবর পাইনি।

-এসকেডি/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft