For English Version
সোমবার, ১৩ জুলাই, ২০২০
হোম অর্থ ও বাণিজ্য

জুন থেকেই শ্রমিক ছাঁটাই হতে পারে: রুবানা হক

Published : Thursday, 4 June, 2020 at 8:30 PM Count : 82

করোনার এই পরিস্থিতিতে দেশের পোশাক কারখানাগুলো সক্ষমতার অর্ধেক ব্যবহার করে কাজ চালানো সম্ভব নয় বলে অপারগতা প্রকাশ করেছে তৈরি পোশাক মালিকদের সংগঠন বিজিএমইএ।

সংগঠনটির সভাপতি ড. রুবানা হক বলেছেন, বর্তমান পরিস্থিতিতে কারখানাগুলোতে ক্যাপাসিটির (সক্ষমতা) ৫৫ শতাংশ উৎপাদন কাজে ব্যবহৃত হচ্ছে। এই ক্যাপাসিটিতে কারখানা চালিয়ে শতভাগ শ্রমিকদের কারখানা রাখা সম্ভব হবে না। এক্ষেত্রে করার কিছুই নেই। আগামী জুন থেকে শ্রমিক ছাঁটাই শুরু হতে পারে।

বৃহস্পতিবার গাজীপুরের চন্দ্রায় বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সহযোগিতায় স্থাপিত পিসিআর ল্যাবের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন।

তবে এপ্রিল ও মে মাসে যে সব কারখানা শ্রমিকদের ছাঁটাই করেছে তাদের বিরুদ্ধে বিজিএমইএ ব্যবস্থা নেবে বলেও জানান রুবানা হক। তিনি বলেন, ছাঁটাইকৃত শ্রমিকদের ব্যাপারে কোনো তহবিল গঠন করা যায় কিনা- সে ব্যপারে সরকারের সঙ্গে আলোচনা করা হবে।

সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হক বলেন, করোনার প্রভাবে ৩ দশমিক ১৫ বিলিয়ন ডলারের অর্ডার বাতিল ও স্থগিত হয়েছে। বিগত কয়েকদিনে ২৬ শতাংশ অর্ডার ফেরত এসেছে। কিন্তু এসবে অর্থ পরিশোধের শর্ত ক্রেতারা পরিবর্তন করে দিয়েছে। এ সময় বছর শেষে ২৩ বিলিয়ন ডলারের পোশাক রফতানি হতে পারে বলে জানান তিনি।

গাজীপুরের চন্দ্রায় পিসিআর ল্যাবটি স্থাপন করেছে বিজিএমইএ। তৈরি পোশাক শ্রমিকদের বিনামূল্যে করোনাভাইরাসের পরীক্ষা করা হবে। পর্যায়ক্রমে নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামে ল্যাব স্থাপন করার পরিকল্পনা রয়েছে। এ ল্যাবে প্রতিদিন ৪০০টি নমুনা পরীক্ষা করা যাবে এবং পরবর্তীতে তা আরও বৃদ্ধি করা হবে।

বিজিএমইএ সভাপতি ড. রুবানা হকের সভাপতিত্বে উদ্বোধনী অনুষ্ঠানের আলোচনায় অংশ নেন প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান, বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি, স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালেক, শ্রম সচিব কেএম আব্দুস সালাম, সংসদ সদস্য শফিউল ইসলাম মহিউদ্দিন ও আব্দুস সালাম মুর্শেদী, ঢাকা উত্তর সিটি কর্পোরেশনের মেয়র আতিকুল ইসলাম, ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি ডক্টর এ কে আজাদ খান, বিটিএমএ'র সাবেক সভাপতি মতিন চৌধুরী প্রমুখ।

প্রধানমন্ত্রীর বেসরকারি শিল্প ও বিনিয়োগ উপদেষ্টা সালমান এফ রহমান বলেন, শুধু ল্যাব স্থাপন করলেই হবে না। আইসোলেশন সেন্টার করতে হবে। যেখানে করোনা আক্রান্ত পোশাক শ্রমিকদের রাখা হবে। বিজিএমইএর সদস্যভুক্ত বড় বড় প্রতিষ্ঠান নিজস্ব শ্রমিকদের জন্য ছোট পরিসরে হলেও আইসোলেশন সেন্টার করতে পারে। এটা বিশ্বের কাছে দেশের পোশাক খাত সম্পর্কে ভালো বার্তা যাবে।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী জাহিদ মালিক বলেন, করোনা পরিস্থিতি মোকাবেলা করে অর্থনীতি সচল রাখতে হবে। ল্যাব চালু ভালো উদ্যোগ। তবে কোয়ারেন্টিন ও আইসোলেশন সেন্টারের দিকেও মনোযোগী হতে হবে।

বাণিজ্যমন্ত্রী টিপু মুনশি বলেন, শ্রমিক শ্রেণি অর্থনীতির মূল চালিকাশক্তি। তাদের খেয়াল রাখার দায়িত্ব মালিকরদেরই। মালিকরা শ্রমিকদের কথা চিন্তা করে পিসিআর ল্যাব স্থাপন তারই প্রমাণ করে।





বাংলাদেশ ডায়াবেটিক সমিতির সভাপতি প্রফেসর ডক্টর এ কে আজাদ খান বলেন, এটি উন্নত বিশ্বের ল্যাবের মতোই উন্নত একটি ল্যাব। চন্দ্রা, নারায়ণগঞ্জ ও চট্টগ্রামের ল্যাবটি প্রস্তুত হলে বিজিএমইএ সব পোশাক শ্রমিকদেরকে সেবা দিতে সক্ষম হবে। এ কাজে ডাক্তার ও গবেষকরা তাদের বিচক্ষণতার পরিচয় দিয়ে নিয়মিত সুচারুভাবে রিপোর্ট দেবে বলে আমরা আশাবাদী।

এসআর


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft