For English Version
শনিবার, ১৫ মে, ২০২১, রেজি: নং- ০৬
Advance Search
হোম সারাদেশ

কলাপাড়ায় জেলেদের ভিজিএফের চাল বিতরণে শংকা

Published : Wednesday, 6 May, 2020 at 9:36 AM Count : 215
অবজারভার সংবাদদাতা

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

পটুয়াখালীর কলাপাড়া উপজেলার মহিপুর ইউনিয়নের ১ হাজার ১শ প্রান্তিক জেলেদের মাঝে ভিজিএফের চাল বিতরণে শংকা দেখা দিয়েছে।

ইউপি চেয়ারম্যানের গাফিলতি এর মূল কারণ বলে অভিযোগ করেন প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যরা। 

চেয়ারম্যানের অসুস্থতার কারণে চিকিৎসার জন্য ছুটির বিষয়টি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানানো হয়েছে। ইউএনও চেয়ারম্যানকে চাল বিতরণের নির্দেশ দেন।

জানা গেছে, সরকার মৎস্য সম্পদ ইলিশ রক্ষায় জাটকা আহরণ নিষিদ্ধ সময়ে তালিকাভুক্ত প্রান্তিক জেলেদের পরিবার প্রতি ৪০ কেজি করে এপ্রিল-মে দুই মাস খাদ্য সহায়তা দিচ্ছে। এর আওতায় কলাপাড়া উপজেলার দুটি পৌরসভা ও ১২টি ইউনিয়নে ফেব্রুয়ারী-মার্চ মাসে ভিজিএফ’র চাল পায়নি এমন প্রান্তিক জেলেদের নামের তালিকা তৈরী করে তা জমা দিতে বলা হয়েছে। এরপর মৎস্য বিভাগের বন্টন অনুযায়ী বরাদ্দকৃত চাল উত্তোলন করে তদারকি কর্মকর্তার উপস্থিতিতে জেলেদের মাঝে বিতরণের জন্য বলা হয়।

চাল বিতরণ শতভাগ স্বচ্ছ করতে চাল পরিবহনের জন্য আলাদা খরচের কোন বরাদ্দ না থাকায় চাল বিতরণ নিয়ে জনপ্রতিনিধিদের মধ্যে অনিহা দেখা দেয়। মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান আ. ছালাম আকন অসুস্থ্যতার জন্য চিকিৎসা নিতে পরিষদে সভা ডেকে রেজুলেশন করে প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব দিয়ে ওই রেজুলেশনের কপি ইউএনও কার্যালয়ে পৌঁছে দেন। কিন্তু প্যানেল চেয়ারম্যানসহ ইউপি সদস্যরা চেয়ারম্যানের ছুটি সংক্রান্ত কোন সভা পরিষদে অনুষ্ঠিত হয়নি এবং চাল পরিবহন খরচ এড়াতে ওই রেজুলেশন চেয়ারম্যানের একক সৃষ্ট বলে দাবি করেন। ওই রেজুলেশনে পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ও ইউপি সদস্যদের স্বাক্ষর নেই বলে তারা জানান।

মহিপুর ইউনিয়ন পরিষদের প্যানেল চেয়ারম্যান ইসসমাইল হাওলাদার বলেন, চেয়ারম্যান একক ভাবে তার ছুটি সংক্রান্ত ওই রেজুলেশন তৈরি করে ইউএন’র কার্যালয়ে পাঠিয়েছেন। যাতে আমরা কোন স্বাক্ষর করিনি এবং রেজুলেশন সংক্রান্ত সভা সম্পর্কেও কিছু জানি না। তিনি ২৬ এপ্রিল তারিখে রেজুলেশন দেখিয়ে আবার ০২ মে পরিষদে এসে দুর্যোগ পরিস্থিতির বিশেষ বরাদ্দের বিনা মূল্যে ২০ কেজি করে ৯৫০ জনকে চাল বন্টন করেন। শুধু মাত্র ৪৪ মেট্রিক টন চাল পরিবহন খরচ এড়াতে তিনি এসব করছেন।

এসব কথা সমর্থন করে একই কথা বলেন ইউপি সদস্য নুরুল ইসলাম হাওলাদার।

মহিপুর ইউপি চেয়ারম্যান আ. ছালাম আকন বলেন, আমি অসুস্থ। চিকিৎসার জন্য বরিশালে আছি। পরিষদে রেজুলেশন করে প্যানেল চেয়ারম্যানকে দায়িত্ব অর্পণ করে তা ইউএনও কার্যালয়ে জমা দিয়ে এসেছি। ৮০ হাজার টাকা পরিবহন খরচ এড়াতে প্যানেল চেয়ারম্যান এসব বলছেন। আমার জীবনের চেয়ে চেয়ারম্যানের দায়িত্ব পালন বড় নয়।

কলাপাড়া খাদ্য গুদামের সহকারী উপ-খাদ্য পরিদর্শক মো. জাকির হোসেন বলেন, কলাপাড়া পৌরসভা, কুয়াকাটা পৌরসভা, টিয়াখালী, মিঠাগঞ্জ ও বালিয়াতলি ইউনিয়ন পরিষদ ভিজিএফের এপ্রিল-মে’ ২০২০ এর বরাদ্দের চাল উত্তোলন করেছে। বাকিরা এখনও উত্তোলন করেনি।

ইউএনও আবু হাসনাত মোহম্মদ শহিদুল হক বলেন, চেয়ারম্যানের অনুপস্থিতিতে প্যানেল চেয়ারম্যানকে চাল গ্রহণ করে বিতরণের জন্য বলার পর তিনি অপরগতা প্রকাশ করেছেন। এছাড়া চেয়ারম্যানের ছুটি সংক্রান্ত রেজুলেশন পাওয়া গেলেও তারা অবগত নন বলায় চেয়ারম্যানকে চাল বিতরণের পদক্ষেপ গ্রহণের জন্য বলা হয়েছে। বিষয়টি জেলা প্রশাসক মহোদয়কে অবগত করা হয়েছে। সংকট উত্তরণে পরবর্তীতে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

-টিএইচ/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft