For English Version
রবিবার, ৩১ মে, ২০২০
হোম স্বাস্থ্য

ঝিনাইদহে করোনা এলো নতুন জীপে চড়ে!

Published : Saturday, 2 May, 2020 at 5:46 PM Count : 309
মিজানুর রহমান

অপরিনামদর্শী স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকান্ডের শিকার হয়েছেন ঝিনাইদহের শৈলকুপা ও সদর পৌর এলাকার মানুষ।  আক্রান্ত দের বড় একটি অংশ ডাক্তার নার্স এবং স্বাস্থ্য কর্মি। অনেকে স্বেচ্ছায় হোম কোয়ারেন্টিনে চলে যাওয়ার জন্য আবেদন করেছেন। ইতিমধ্যে শৈলকুপা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের বহির বিভাগ বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে।  এ হাসপাতালের একজন ডাক্তারসহ অন্তত ৬ জন করোনা ভাইরাসে আক্রান্ত হয়েছেন।  শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার জন্য কেন্দ্রীয় ঔষুধ ভান্ডার থেকে সরবরাহ করা একটি নতুন জীপে এক নারী করোনা রুগীবহণ করার সুত্র ধরে এ হাল হয়েছে। নিবিড় অনুসন্ধানে বেরিয়ে পড়েছে সেই লোমহর্ষক খবর।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের পরিসংখ্যানবিদ জাহাঙ্গীর হোসেনের দেওয়া তথ্য মতে গত ২৫ এপ্রিল শনিবার প্রথম ঝিনাইদহ পেৌরসবা এলাকায় প্রথম একজন করোনা রুগী সনাক্ত করা হয়। সে জেলা শহরের সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের জনৈক শিক্ষিকা এবং পাগলাকানাই সড়কের বাসিন্দা । পরের দিন ২৬ এপ্রিল ৯ জন কনোরা রুগী সনাক্ত করা হয়।  এর মধ্যে শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তার ব্যক্তিগত গাড়িচালক, ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদের শরীরে করোনা পজিটিভ পাওয়া য়ায়। ২৭ এপ্রিল একই উপজেলার স্টোরকিপা এবং এক যুবক এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শকের শরীরে করোনা পজেটিভ পাওয়া যায়। সব শেষ ২৮ এপ্রিল শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের একজন ডাক্তারসহ আরো ৪ জনের করোনা পজিটিভ মর্মে রিপোর্ট পাওয়া যায়। 
একই উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগে এক যোগে বেশী সংখ্যক ব্যক্তি আক্রান্ত হওয়ার ঘটনার অন্তরালে লুকিয়ে আছে অপরিনামদর্শী স্বাস্থ্য বিভাগের কর্মকান্ড ও স্বজনপ্রীতি খবর। 

দায়িত্বশীল একাধিক সূত্র জানায় সারা দেশ করোনা ঝুঁকি ঘোষণা করা হলেও থেমে থাকেনি স্বাস্থ্য বিভাগের নতুন জীপ হস্তান্তরের  কার্যক্রম।  উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাদের জন্য কেনা হয়েছে দামি জীপ গাড়ি।  

সূত্র মতে ঝিনাইদহ জেলার ৩ উপজেলাতে আগেই জীপ দেওয়া হয়েছে। বাকি ছিল আরো ৩টি।  এ গুলো শৈলকুপা, মহেশপুর এবং ঝিনাইদহ সদর উপজেলার। ওই ৩টি জীপের একটিতে চড়ে করোনা ঢুকে পড়েছে ঝিনাইদহ জেলা শহর এবং শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগে।  

প্রকাশ্য ও গোপন অনুসন্ধান কালে জানা যায়, গত ১৯ এপ্রিল দিবাগত রাত সাড়ে ৩টার দিকে একটি মাইক্রেবাস ও একটি প্রাইভেট কার ঝিনাইদহ জেলা শহরের আরিফ ফিলিং স্টেশন থেকে ঢাকার উদ্দেশ্যে ছেড়ে যায়। ঝিনাইদহ-চ’১১-০০০৩ নং মাইক্রোটি ঝিনাইদহ ভেটিরিনারী কলেজের। এর চালক ছিলেন আউট সোর্সিং গাড়ি চালক আরাপুরের বাসিন্দা আব্দুল আলীম। সে জানায় মাইক্রোতে যাত্রী ছিলেন, সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তা ডাক্তার সাজ্জাদ হোসেন। তাকে ওই দিন রাতে নিজ বাড়ি থেকে তুলে নেওয়া হয়।  একই দপ্তরের আউট র্সোসিং গাড়ি চালক কানু বিশ্বাস এবং তার বড় ভাই জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ের গাড়ি চালক বাদশা বিশ্বাস, মহেশপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ আকবার নেওয়াজ এবং আউ সোর্সিং ড্রাইভার তারা মিয়া মাইক্রোতে চড়েন। 
শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রাশেদ আল মামুনের দেওয়া তথ্য মতে অপর একটি প্রাইভেট কারে চড়ে যান তার ব্যক্তিগত বেনামি গাড়ি চালক সোহেল রানা, স্টোর কিপার মাসুদ রানা, আউট সোর্সিং ড্রাইভার অহিদ সাদিক উজ্জল এবং ডাক্তার আকাশ আহম্মেদ আলিফ। 

নুতন জীপে করোনা রুগী এলো কিভাবে এমন প্রশ্ন ছিল সদর উপজেলা স্বাস্থ্য বিভাগের ড্রাইভার কানু বিশ্বাসের কাছে। সে জানায় ২০ এপ্রিল সকাল অনুমান সাড়ে ৯টার দিকে ঢাকা কেন্দ্রীয় ওষুধ ভান্ডারে পৌঁছান তারা।  একই দিন রাত অনুমান ৯ টার দিকে সে এবং তার বড় ভাই এবং সদর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ কর্মকর্তাকে নিয়ে নতুন জীপে চড়ে ঝিনাইদহে ফিরে আসেন।  জীপ চালান তার ভাই বাদশা। তার দেওয়া তথ্য মতে অন্য দুইটি নতুন জীপ এবং ভেটিরিনারী কলেজের মাইক্রো এবং একটি প্রাইভেটকার আলাদা আলাদা ভাবে ঢাকা ত্যাগ করে।  ঝিনাইদহে ফিরে এসে সে জানতে পারে শৈলকুপার জন্য বরাদ্দ দেওয়া নতুন জীপে করোনা আক্রান্ত একজন নারী যাত্রী ও তার স্বামীকে বহণকরা হয়েছে।  বিষয়টি ধামাচাপা দেওয়ার জন্য শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাঃ রাশেদ আল মামুন বলেছেন ভিন্ন কথা।  তার  দাবি করোনা রোগী বহনের খবর সঠিক নয়।  তবে নতুন জীপের চালকসহ সব যাত্রী করোনা আক্রান্ত হয়েছেন মর্মে স্বীকার করেন তিনি।  

এ কর্মকর্তার দেওয়া তথ্য মতে তার দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদ বখতিয়ারের নিকট আত্মীয় ওই নারী রোগীর স্বামী।  নতুন জীপে তাকে নয় তার ব্যাগপত্র বহণ করা হয়েছে বলে দাবিও করেছেন ডাঃ রাশেদ আল মামুন । 

অনুসন্ধানে জানা যায় , শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ড্রাইভার সোহেল রানার জীপে ঢাকার একটি বাসা থেকে করোনা পজেটিভ একজন স্কুল শিক্ষিকা ও তার স্বামী সহ কয়েকজনকে যাত্রী হিসেবে বহণ করা হয় । তাদের মধ্যে স্কুল শিক্ষিকা ও তার স্বামীকে ঝিনাইদহ জেলা শহরের মহিলা কলেজ পাড়ার একটি বাড়িতে নামানো হয়। রাতেই ওই এলাকার লোকজনের মাঝে খবর ছড়িয়ে পড়ে।  বিষয়টি আঁচ করতে পেরে পরের দিন ২১ এপ্রিল জেলা শহরের পাগলাকানাই সড়কে নিজ বাড়িতে চলে আসে তারা। এরপর সদর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন ডিনারের নেতৃত্বে ৬ সদস্যর একদল স্বাস্থ্য কর্মী এসে বাড়িটি ১৪ দিনের জন্য হোম কোয়ারেন্টিনের পোস্টার সেটে দেয়। পরের দিন ২২ এপ্রিল নমুনা সংগ্রহ করা হয় তাদের। ২৫ এপ্রিল স্কুল শিক্ষিকার করোনা পজেটিভ মর্মে রিপোর্ট পাওয়া যায়। ২৬ এপ্রিল শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার ব্যক্তিগত ড্রাইভার সোহেল রানা ও একই দপ্তরের ভারপ্রাপ্ত পরিসংখ্যানবিদ বখতিয়ার হোসেন ও ৩১ বছর বয়সের তুহিন মালিথা নামের এক ব্যক্তির শরীরে করোনা ধরা পড়ে। একে এক আরো আক্রান্ত হন শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের স্টোর কিপার মাসুদ রানা, দাঁতের সার্জন ডাঃ জেএম খসরু আল মামুন, বাবুর্চি জগদিস, কমিউনিটি হেলথ প্রোভাইডার মৌসুমি, এক্সরে টেকনিশিয়ান শুকুর আলী।  

সদর উপজেলা স্বাস্থ্য পরিদর্শক দেলোয়ার হোসেন ডিনারও বাদ পড়েননি। অর্থাৎ করোনা পজেটিভ স্কুল শিক্ষকার সংস্পর্শে আসা জীপের সকল যাত্রী আক্রান্ত হওয়ার পাশাপাশি গোটা শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ে। মজার খবর হলো ঢাকা থেকে জীপ আনতে যাওয়া দলে ছিলেন শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ডাঃ আকাশ আহম্মেদের নমুনায় করোনা ভাইরাস পাওয়া যায়নি।  এমনটি তাকে বহণ করা প্রাইভেট কারের চালকেরও করোনা ধরা পড়েনি। 

এর কারণ অনুসন্ধানে জানা যায় এরা কেও নতুন জীপে আসেননি। অপর দিকে ভেটিরিনারী কলেজের মাইক্রো চালক আব্দুল আলীমও ঢাকা মুহাম্মদপুর বাস স্ট্যান্ড থেকে একজন নারী ও দুই জন পুরুষ যাত্রী নিয়ে আসেন। ২০ এপ্রিল রাত সাড়ে ৭টার দিকে স্থানীয় ওজির আলী স্কুল এন্ড কলেজ মাঠের কাছে নামিয়ে দেওয়া হয় তাদের। এ খবরের সত্যতা স্বীকার করলেও ওই যাত্রীদের নাম প্রকাশ করেনি সে। 

শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার জন্য বরাদ্দ করা নতুন জীপে করোনা রুগী নিয়ে আসার খবর অফিস পাড়ায় ছড়িয়ে পড়লেও ঘটনা ধামাচাপা দেওয়া চেষ্টা চলতে থাকে। এক পর্যায়ে প্রশাসনে তোলপাড় শুরু হয়। প্রকৃত ঘটনা জানার জন্য গোয়েন্দারা মাঠে নামেন। বেরিয়ে পড়ে প্রকৃত খবর। নতুন জীপে করোনা রুগী বহন করার কারনে শৈলকুপায় ভয়াবহ পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়েছে বলে স্বীকার করেছেন ঝিনাইদহের সিভিল সার্জন ডাঃ সেলিনা বেগম। ঘটনা তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে মর্মে জানিয়েছেন তিনি। পুলিশ সুপার মোঃ হাসানুজ্জামান বলেছেন,ঘটনাটি দুঃখজনক। ইতিমধ্যে গোয়েন্দারা কাজ শুরু করেছেন। 

জেলা প্রশাসক সরোজ কুমার নাথ বলেছেন,আগাম প্রস্তুতি গ্রহন করার ফলে করোনার ঝুঁকি বাইরে ছিলেন এ জেলার মানুষ।  এখন সব হিসেবে পাল্টে গেছে।  তিনি  আরো বলেছেন শৈলকুপা উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তার জন্য বরাদ্দ করা জীপে করোনা আক্রান্ত নারী স্কুল শিক্ষককে বহন করা হয়েছে মর্মে নিশ্চিত হওয়া গেছে।  মজার বিষয় হলো ২৫ এপ্রিল ঝিনাইদহে প্রথম করোনা ধরা পড়ার পরেও ওই দিন স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রেস ব্রিফিংয়ের ঝিনাইদহ জেলা করোনা মুক্ত বলে দাবি করা।  পরের দিনেও স্বাস্থ্য অধিদপ্তর প্রেস ব্রিফিংয়ের সময় একই কথা বলা হয়। 

ইতোমধ্যে কালীগঞ্জ উপজেলায় একজন ডাক্তারসহ ৬ জন, কোটচাদপুরে একজন ডাক্তার, মহেশপুরে একজন এ্যাস্বুলেন্স ড্রাইভার, হরিনাকুন্ডুতে একজন সাধারণ মানুষ আক্রান্ত হয়েছে। সব শেষ ২৮ এপ্রিল পর্যন্ত পাওয়া ২১ জন কনোনা পজেটিভ রুগীর  মধ্যে স্বাস্থ্য বিভাগের ডাক্তার, নার্স, ড্রাইভার, রাধুনীসহ ১৩ জন রয়েছেন।  গত বুধবার ২৯ এপ্রিল থেকে আজ শনিবার ২ মে পর্যন্ত নমুনা পরীক্ষার ফলাফল যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় এবং খুলনা মেডিকেল হাসপাতাল থেকে পাঠানো হয়নি। 





সিভিল সার্জনের দপ্তরের মেডিকেল অফিসার ডা: প্রসেনজিৎ পার্থ এ খবর নিশ্চিত করে বলেছেন, আজ পর্যন্ত মাত্র ৫৩৩ জনের নমুনা সংগ্রহ করা হয়েছে। এ মধ্যে ফলাফল পাওয়া গেছে মাত্র ২১৯টির। গত বৃহস্পতিবার খুলনা মেডিকেলে নমুনা পাঠানো হয়েছে ৫৫ টির। এরও কোন ফলাফল পাওয়া যায়নি বলে জানান এই কর্মকর্তা।

প্রসঙ্গত : করোনা ঝুঁকি মোকাবেলার জন্য শুরু থেকেই ঝিনাইদহের সড়ক মহাসড়কসহ জেলা শহরের মোড়ে মোড়ে পুলিশ পাহারা বসানো হয়। সেনাবাহিনী বিরামহীন টহল অব্যাহত রয়েছে। গ্রাম গঞ্জের ৩৪ টি পুলিশ ক্যাম্পের তৎপরতা জোরদার করা হয়। সীমান্ত এলাকার গ্রাম গুলোতে বিজিবির টহল কঠোর করা হয়। বিদেশ ফেরত মানুষের ওপর নজদারিতে রাখা হয়। জেলা শহরের অলিগলিতে মাইক ঝুলিয়ে দিনরাত প্রচারনা চলতে থাকে। ডাক্তার নার্সদের মাঝে ঘটা করে পিপিই বিতরণ করেছে প্রশাসন। সরকারি বেসরকারি ব্যক্তি পর্যায়ে খাদ্য সহায়তা প্রদান চলছে। এতে করে প্রশাসনের কর্মকর্তারা ছিলেন ফুরফুরে মেজাজে । সাধারণ মানুষের মাঝেও ছিল স্বস্থি। শুধু স্বাস্থ্য বিভাগের জীপে নয়  রেফার করা রুগী ঢাকাতে নেওয়ার অজুহাতে স্বাস্থ্য বিভাগসহ প্রাইভেট অ্যাম্বুলেন্সে নারায়ণগঞ্জ,গাজিপুর,মাদারিপুরসহ করোনা আক্রান্ত জেলা গুলো থেকে অসংখ্য নারী পুরুষ এ জেলায় ঢুকে পড়েছে। তারা উপসর্গ গোপন করে হাসপাতাল গুলোর বহির বিভাগে চিকিৎসা নিতে আসছে এবং নিরবে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে দিচ্ছে। যে কারনে দ্রুত ছড়িয়ে পড়েছে করোনা। এছাড়াও মানসন্মত মাক্স ও পিপিই না থাকায় আক্রান্ত হচ্ছেন ডাক্তার নার্স স্বাস্থ্য কর্মি।

জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের দেওয়া তথ্য মতে ঝিনাইদহের ৬টি উপজেলায় জনসংখ্যা ২১ লাখ একহাজার ৫৮৭ জন। এর মধ্যে ৬ মাস থেকে ১১ মাস বয়সের শিশু ২৪ হাজার ৬৯৪ জন এবং ১২ মাস থেকে ৫৯ মাস বয়সের শিশু রয়েছে এক লাখ ৯৬ হাজার ০৭জন। এ জনগোষ্ঠির করোনা ঝুঁকি মোকাবেলায় জেলা স্বাস্থ্য বিভাগের নড়বড়ে প্রশাসনিক ব্যবস্থা মজবুতি করণ সহ আক্রান্ত ব্যক্তিদের সংর্স্পশে আসা ব্যক্তিদের চিহ্নিত করার ওপর জোর দিয়েছেন বিশেষজ্ঞরা।

মিজানুর রহমান (অতিথি সাংবাদিক)/এইচএস


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft