For English Version
শনিবার, ২৪ অক্টোবর, ২০২০
Advance Search
হোম শিক্ষা ও ক্যাম্পাস

ভেঙ্গে পড়ার ৪ বছরেও নির্মাণ হয়নি নতুন ভবন, দুর্ভোগে শিক্ষার্থীরা

Published : Tuesday, 10 March, 2020 at 10:53 AM Count : 215

নির্মাণাধীন ভবনের সিঁড়ি ধ্বসে পড়ায় ৪ বছর ধরে বন্ধ রয়েছে মেহেরপুরের গাংনীর নবীনপুর সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের অবকাঠামো নির্মাণের কাজ। সেই থেকে নতুন ভবনের কাজ শুরু না হওয়ায় টিনের ছাউনি বিশিষ্ট ছোট্ট ৩টি কক্ষ নিয়ে কোন রকমেই চলছে পাঠদান। আর জরাজীর্ণ ভবনে হয়েছে শিক্ষকদের বসার জায়গা। বেড়েছে শিক্ষার্থীদের দুর্ভোগ।

তবে দ্রুত ভবন নির্মাণের ব্যবস্থা করা হবে বলে জানিয়েছেন জেলা প্রশাসক।

২০১৬ সালে এলজিইডি’র তত্বাবধায়নে ৫৭ লক্ষ টাকা ব্যয়ে বিদ্যালয়টির অবকাঠামো নির্মাণের কাজ শুরু হয়। কাজ চলাকালীন সময়ে ২০১৭ সালে সিঁড়ির ছাদ ধ্বসে পড়ে। সে সময় অভিযোগ উঠে নিম্নমানের কাজের। তদন্তে আসে ঢাকার একটি দল। নমুনা সংগ্রহ করে নিয়ে যান বুয়েটে। পরীক্ষা শেষে অভিযোগের সত্যতা মেলে। বিল্ডিং ভেঙ্গে নতুন করে অবকাঠামো তৈরির নির্দেশও দেন দলটি। তারপর থেকেই বন্ধ রয়েছে কাজ।

আশপাশের সব বিদ্যালয়ে নতুন ভবন নির্মাণ হয়েছে, কিন্তু এই বিদ্যালয়টিতে ভবন না থাকায় তিন কক্ষ বিশিষ্ট টিনের ছাউনির মধ্যে চলছে পাঠদান কার্যক্রম। গাদাগাদি করে বসে কোন রকমেই ক্লাস করছে ছাত্র-ছাত্রীরা। এভাবেই গেল কয়েক বছর ধরে চলছে বিদ্যালয়ের কার্যক্রম। পাশে জরাজীর্ণ বাঁশের বেড়া দিয়ে তৈরী ঝুপড়ি ঘরে বসেন শিক্ষকরা। তবে নতুন ভবন নির্মাণের ব্যাপারে কোন অফিসই দায় নিতে চায় না বলে জানান শিক্ষকরা।

শিক্ষার্থীরা জানায়, স্কুলে ভবন না হওয়ায় ছোট বেঞ্চে দু'জন বসার জায়গায় চারজনও বসতে হয়। অফিসও ভালো না বৃষ্টি হলেই ভিজে যায়। শীতের সময় ঠান্ডা লাগে গরমের সময় গরমে থাকা যায় না। পড়াশুনা হয় না।





প্রধান শিক্ষক তামজিদুর রহমান বলেন, কাজ চলাকালীন সময়ে ভবনটি ধ্বসে পড়ে। অদ্যাবধি এই ভবনের কোন সুরাহা হয়নি। উপজেলা এলজিইডি অফিস, শিক্ষা অফিস কেউ এর দায় নিতে চাই না। এর মধ্যেই রোদ বৃষ্টিতে ভিজে শিক্ষার্থীদের পাঠদান করতে হয়।

গাংনী উপজেলা প্রকৌশলী গোলাপ আলী শেখ বলেন, বর্তমানে একটি টিনের ঘরের মধ্যে ছাত্র-ছাত্রী নিয়ে শিক্ষকরা ক্লাস করছেন। এখানে একটি নতুন ভবনের জন্য শিক্ষা কমিটির মিটিংয়ে প্রস্তাব করবো। আমাদের ডিপার্টমেন্ট প্রধানের সঙ্গে কথা হয়েছে, প্রস্তাব দিলে এখানে তিনি একটি নতুন ভবন দেবেন। 

মেহেরপুর জেলা প্রশাসক আতাউল গনি বলেন, আমাদের শিক্ষার্থীরা এটার জন্য দুর্ভোগ পোহাচ্ছে। বিদ্যালয়ে পড়ার কোন পরিবেশ নেই, কোন অবকাঠামো নেই। এভাবে সরকারি একটি প্রাথমিক বিদ্যালয় বাংলাদেশে চলতে পারে না। এ বিষয়ে এলজিইডির সঙ্গে কথা বলেছি। সরকারের কাছে এ বিষয়ে লিখেছি। আবারও তাগিদ দেব। যাতে নবীনপুরে নতুন একটি ভবন নির্মাণ করে দেওয়া যায়।

-এমআরএ/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft