For English Version
শনিবার, ২৯ ফেব্রুয়ারি, ২০২০
হোম তথ্য-যোগাযোগ

দেশে ১০ কোটি মানুষ ইন্টারনেট ব্যবহার করছে

Published : Wednesday, 15 January, 2020 at 5:02 PM Count : 155
নিজস্ব প্রতিবেদক

দেশে ২০০৮ সালে যেখানে মোবাইল গ্রাহক ছিল ৪ কোটি ৪৬ লাখ, বর্তমানে তা ১৬ কোটি অতিক্রম করেছে। ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল মাত্র ৮ লাখ, বর্তমানে যার সংখ্যা প্রায় দশ কোটি।  ব্যান্ডউইথের ব্যবহার যেখানে ছিল ৭ দশমিক ৫ জিবিপিএস বর্তমানে তা ১৩শত জিবিপিএস অতিক্রম করেছে বলে জানিয়েছেন ডাক ও টেলিযোগাযোগ মন্ত্রী মোস্তাফা জব্বার।

বুধবার (১৫ জানুয়ারি) ঢাকায় বিআইসিসি‘র উইন্ডি হলে তিন দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার আয়োজন উপলক্ষে আয়োজিত সংবাদ সম্মেলনে মন্ত্রী এসব তথ্য জানান। 

ডিজিটাল প্রযুক্তির মহাসড়ক বিনির্মাণের অগ্রগতি, চ্যালেঞ্জ ও সম্ভাবনা এবং পরিবর্তিত বিশ্বে নতুন সভ্যতার রূপান্তরে কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা, আইওটি, রোবটিক্স, বিগডাটা, ব্লকচেইন ইত্যাদি। প্রযুক্তির মহাসড়ক ফাইভ জি‘র বিস্ময়কর প্রভাব প্রদর্শনে দেশে এই প্রথমবারের মতো শুরু হচ্ছে তিন দিনব্যাপী ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা’র।

ডিজিটাল প্রযুক্তি উদ্ভাবন, উপযোগী মানব সম্পদ সৃষ্টি, ডিজিটাল প্রযুক্তির আধুনিক সংস্করণের সাথে জনগণের সেতুবন্ধন তৈরি এবং ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাস্তবায়ন অগ্রগতি তুলে ধরাই ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলা’র অন্যতম মূল লক্ষ্য। ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির অগ্রগতি, অবস্থান এবং ভবিষ্যত চ্যালেঞ্জসমূহ তুলে ধরতে রাজধানীর বঙ্গবন্ধু আন্তর্জাতিক সম্মেলন কেন্দ্রে  এবছরের ১৬ থেকে ১৮ জানুয়ারি তিন দিনব্যাপী এই মেলা অনুষ্ঠিত হবে। বাঙালি জাতির ইতিহাসের মহানায়ক জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের জন্মশতবার্ষিকী উদযাপনের বছর ২০২০ সালে ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার এই আয়োজন অত্যন্ত সময়োচিত কর্মসূচি। প্রধানমন্ত্রীর তথ্যপ্রযুক্তি বিষয়ক  উপদেষ্টা সজীব ওয়াজেদ জয় ১৬ জানুয়ারি সকাল ১০টায় এই মেলার উদ্বোধন করবেন।

ডিজিটাল বাংলাদেশ মেলার প্রতিপাদ্য নির্ধারণ করা হয়েছে, ‘বঙ্গবন্ধুর সোনার বাংলার প্রযুক্তির মহাসড়ক’।  ডিজিটাল সংযুক্তি হচ্ছে ডিজিটাল বাংলাদেশ বিনির্মাণের অন্যতম ভিত্তি। এ বিবেচনায় নির্বাচিত প্রতিপাদ্যটি অত্যন্ত প্রাসংগিক হয়েছে।  ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি বাংলাদেশের রাজনৈতিক ইতিহাসের সবচেয়ে প্রেরণাদায়ী এক দর্শন। এই কর্মসূচি দুর্বার গতিতে এগিয়ে যাওয়ার সোপান। ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি অতীতে তিনটি শিল্প বিপ্লব মিস করায় প্রযুক্তিতে আমাদের ৩২৪ বছরের পশ্চাৎপদতা অতিক্রান্ত করে শিল্পোন্নত বিশ্বের সাথে সমান্তরালে চলার অকল্পনীয় এক মহাশক্তির উৎস - বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠায়  দ্রুত গতিতে এগিয়ে যাবার দীপ্ত অঙ্গিকার। ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচির গৌরবোজ্জল আলোকচ্ছটা গত ১১ বছরে বাংলার গণ্ডি ছাড়িয়ে ইংল্যান্ড, ভারত, মালদ্বীপ ও পাকিস্তানসহ বিশ্বের দেশে দেশে উদ্ভাসিত হয়েছে- বিশ্বের দেশে দেশে অনুকরণীয় হচ্ছে। পিতৃভূমি কেনিয়ার রূপান্তরে বাংলাদেশকে অনুসরণ করার জন্য কেনিয়াবাসীকে সাবেক মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার পরামর্শ প্রদান বাংলাদেশের অগ্রগতির এক ঐতিহাসিক দলিল। বারাক ওবামার বাংলাদেশকে অনুসরণ করার এই পরামর্শ তাঁরই পূর্বসূরি সাবেক মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী হেনরি কিসিঞ্জারের তলাহীন ঝুড়ি হিসেবে কটুক্তি করার কঠিন জবাব।  আগামী দশ বছরে পাকিস্তানকে উন্নয়নে বাংলাদেশের সমপর্যায়ে নিয়ে যাওয়ার জন্য পাক-প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের প্রতি পাকিস্তানি নাগরিক সমাজের প্রত্যাশা বাংলাদেশকে মহিমান্বিত করেছে।

প্রজ্ঞাবান রাজনীতিক শেখ হাসিনার দূরদৃষ্টিসম্পন্ন কর্মসূচি দিনবদলের সনদ ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি গত এগারো বছরে - পাল্টে দিয়েছে চিরচেনা বাংলাদেশ - অভাবনীয় রূপান্তর ঘটেছে মানুষের জীবনযাত্রার।  অনাহার, অর্ধাহার, দারিদ্র্য এবং অনুন্নত যোগাযোগাযোগসহ অভাব আর অপ্রতুলতার মতো শব্দ গুলো আজ হারিয়ে যেতে বসেছে ৫৫ হাজার বর্গমাইলের এই জনপদ থেকে। সুদক্ষ কাণ্ডারির মমতাময়ী হাতের ছোঁয়ায় চিরায়ত দুঃখিনী বাংলাদেশ আজ বিশ্বে উন্নয়নের রোল মডেল- ডিজিটাল দুনিয়ার অহংকার। জাতি হিসেবে আমরা ধন্য।

মোস্তফা জাব্বার আরো বলেন,  জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ১৯৭২ সালের ১০ জানুয়ারি স্বদেশ প্রত্যাবর্তনের পর যুদ্ধের ধ্বংসস্তুপের ওপর দাঁড়িয়েও টেলিকম সেক্টরসহ দেশপুনর্গঠনে যুগান্তকারী কর্মসূচি গ্রহণ ও বাস্তবায়ন শুরু করেন। এরই ধারাবাহিকতায় বাংলাদেশ ১৯৭৩ সালে আইটিইউ এবং ইউপিইউ এর সদস্য পদ অর্জন করে। ১৯৭৫ সালের ১৪ জুন বঙ্গবন্ধু বেতবুনিয়ায় ভূ-উপগ্রহ উদ্বোধন করেন। পরবর্তিতে বঙ্গবন্ধুর সুযোগ্য উত্তরসূরি প্রধানমন্ত্রী জননেত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে ১৯৯৬  থেকে ২০০১ সালে দেশে ডিজিটাল  প্রযুক্তি বিকাশের ভিত্তি স্থাপিত হয়।  এই সময়কালে কম্পিউটারের ওপর থেকে ভ্যাট ট্যাক্স প্রত্যাহার, মোবাইল ফোন সাধারণের নাগালে পৌঁছে দিতে চারটি মোবাইল অপারটেরকে  লাইসেন্স প্রদান, মহাকাশে স্যাটেলাইট উৎক্ষেপণের পদক্ষেপ গ্রহণ, সাবমেরিন ক্যাবলের  সংযোগ গ্রহণের উদ্যোগসহ দূরদৃষ্টি সম্পন্ন যুগান্তকারি বিভিন্ন র্কমসূচি প্রণয়ন করা হয়।  

পরবর্তীতে ২০০৮ সালের ১২ ডিসেম্বর নির্বাচনী ইশতেহারে ডিজিটাল বাংলাদেশ কর্মসূচি ঘোষণার মধ্য দিয়ে এই কর্মসূচির পূর্ণতা অর্জিত হয়। বর্তমান সরকার ২০০৯ সালে দায়িত্বভার গ্রহণকালে বাংলাদেশের টেলিডেনসিটি ছিল ৩০ শতাংশের মত। মার্চ ২০১৯ পর্যন্ত এ হার ৯৮.৪৬ শতাংশে উন্নীত করা সম্ভব হয়েছে।

২০২০ সালের মধ্যে এ-হার ১০০ শতাংশে উন্নীত করার পরিকল্পনা রয়েছে।  ২০০৮ সালে যেখানে মোবাইল গ্রাহক ছিল ৪ কোটি ৪৬ লাখ, বর্তমানে তা ১৬ কোটি অতিক্রম করেছে।  ইন্টারনেট গ্রাহক ছিল মাত্র ৮ লাখ, বর্তমানে যার সংখ্যা প্রায় দশ কোটি।  ব্যান্ডউইথের ব্যবহার যেখানে ছিল ৭ দশমিক ৫ জিবিপিএস বর্তমানে তা ১৩শত জিবিপিএস অতিক্রম করেছে। সুস্থ প্রতিযোগিতা ও গ্রাহক স্বার্থ সুরক্ষায় মোবাইল নম্বর পোর্টেবিলিটি ও টাওয়ার শেয়ারিংয়ের উদ্যোগ বাস্তবায়ন করা হচ্ছে।  প্রতিষ্ঠা করা হয়েছে, আইএমইআই ডাটা সেন্টার।  ৫জি পরীক্ষামূলক কার্যক্রম আমরা সম্পন্ন করেছি।  রাষ্ট্র ও জনগণের নিরাপত্তা বিধানে অনিবন্ধিত সিমকার্ড বিক্রি, অনুমোদনহীন মোবাইল হ্যান্ডসেট বিক্রয় ও বাজারজাতকরণ বন্ধে কঠোর পদক্ষেপ গ্রহণ করা হয়েছে। ব্যান্ডউইডথের সর্বনিম্ন মূল্য ৩৬০ টাকা থেকে কমিয়ে ১৮০ টাকায় নির্ধারণ করা হয়েছে। ১৫০ টাকায় বিটিসিএল ল্যান্ড ফোনে যতখুশি তত কথা বলা, লাইনরেন্ট মওকুফ এবং ৫২ পয়সা মিনিটে অন্য অপারেটরে কথা বলার সুযোগ সৃষ্টি করা হয়েছে। বিনামূল্যে দেশের ৫৮৭টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানসমূহে ফ্রিওয়াইফাই জোন স্থাপনের কার্যক্রম আমরা শুরু করেছি।

ডিজিটাল প্রযুক্তি খাতকে ঘিরে দেশে প্রতিনিয়ত গড়ে উঠছে ব্যবসা ও সেবানির্ভর প্রতিষ্ঠান। আমি আগেই বলেছি ‘ডিজিটাল বাংলাদেশ’ উন্নয়নের এক যুগান্তকারী দর্শনের নাম - বঙ্গবন্ধুর লালিত স্বপ্নের সোনার বাংলা প্রতিষ্ঠার দীপ্ত অঙ্গিকারে পথচলার শপথ।  ডিজিটাল শব্দটির উৎপত্তি প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার হাত ধরে।  এ দর্শন শিক্ষা, স্বাস্থ্য, ব্যবসায়-বাণিজ্য, কর্মসংস্থান, দারিদ্র্য বিমোচনসহ সকল ক্ষেত্রে ও উদ্দেশ্য বাস্তবায়নে প্রযুক্তির লাগসই প্রয়োগের একটি সমন্বিত প্রচেষ্টা। এ উন্নয়ন দর্শনে ডিজিটাল প্রযুক্তির সম্প্রসারণ এবং  প্রযুক্তির বহুমাত্রিক ব্যবহার অন্যতম।

এই মেলায় আইএসপিসহ ৮২টি প্রতিষ্ঠান, প্যারেন্টাল কন্ট্রোল, ট্রিপল প্লে (এক ক্যাবলে ল্যান্ডফোনের লাইন, ইন্টারনেট ও ডিশ সংযোগ), মোবাইল অ্যাপস, ব্রডব্যান্ড ইন্টারনেট সেবা ও ডিজিটাল প্রযুক্তি ইত্যাদি প্রদর্শন করবে।  ওয়ালটন, স্যামসাং, সিম্ফনির মতো প্রতিষ্ঠানগুলো তাদের উৎপাদিত পণ্য দেখাবে, দেশি সফটওয়্যার কোম্পানিগুলো তাদের তৈরি সফটওয়্যার ও সেবা উপস্থাপন করবে। টেলিকম অপারেটরগুলো তাদের ভয়েস, ইন্টারনেট ও মূল্য সংযোজিত সেবা (ভ্যাস) দেখাবে। 





এছাড়া জেডটিই, হুয়াওয়ে, নকিয়া, এরিকসন ফাইভ-জি প্রযুক্তি প্রদর্শন করবে। দেখাবে লাইভ ব্যবহারের উপযোগিতা। বঙ্গবন্ধু স্যাটেলাইট টেলিমেডিসিন ও এটিএম সেবা দেখাবে।  জাতীয় চক্ষু বিজ্ঞান ইনস্টিটিউট ভিশন মেলার মাধ্যমে টেলিমেডিসিন দেখাবে। মেলায়  লাইভ দেখা যাবে ফাইভ-জি। ফাইভ জি প্রযুক্তি কেবল মোবাইলে কথা বলা কিংবা ইন্টারনেট ব্রাউজ করার প্রযুক্তি না। বিদ্যুৎ এবং গ্যাসের মতই শিল্পের জন্য এই প্রযুক্তি অত্যাবশ্যক। ফাইভ জি প্রযুক্তি হচ্ছে আইওটি. রোবটিক্স, বিগডাটা কিংবা ব্লকচেইন প্রযুক্তির মহাসড়ক এর পথনকশা তৈরির জন্য কাজ করছি আমরা। 

মেলায় ২৫টি স্টল, ২৯টি মিনিপ্যাভিলিয়ন এবং ২৮টি প্যাভিলিয়ন থাকবে। এতে সরকারের বিভিন্ন মন্ত্রণালয় ও বিভাগের ডিজিটাল অগ্রগতি তুলে ধরা হবে। ডাক ও টেলিযোগাযোগ বিভাগের সব সংস্থা- এতে অংশ নেবে। এছাড়া আইএসপি প্রতিষ্ঠান, দেশীয় ও আন্তর্জাতিক প্রযুক্তি তিন পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠান, মোবাইল ফোন অপারেটরসহ আরও অনেক প্রতিষ্ঠান এতে অংশ নেবে ।মেলায় বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে পৃথক কর্নার থাকবে। সেই কর্নারে প্রযুক্তির মাধ্যমে বঙ্গবন্ধুর জীবনী তুলে ধরা হবে। মেলায় ১৩টি সেমিনারের মাধ্যমে সরকারের মন্ত্রী এবং দেশি ও বিদেশি অভিজ্ঞ বক্তারা বর্তমানের প্রযুক্তি ও আগামী দিনে প্রযুক্তির গন্তব্য নিয়ে কথা বলবেন। ট্যালেন্ট গ্যাপ, ডিজিটাল অর্থনীতি, ডিজিটাল গ্রোথ, এসডিজির অ্যাচিভমেন্ট ইত্যাদি বিষয়ে বক্তারা কথা বলবেন।

মেলায় ডিজিটাল ডাক ঘর উদ্যোক্তা সম্মেলন অনুষ্ঠিত হবে বেলা ১৬ জানুয়ারি বেলা ২.৩০ মি. । অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে আমন্ত্রিত করা হয়েছে। এছাড়া ওই দিন বেলা ৫টায় ডিজিটাল অর্থনীতি: শিল্প ও বাণিজ্যে ডিজিটাল প্রযুক্তি বিষয়ক সেমিনারে প্রধানমন্ত্রীর অর্থনৈতিক বিষয়ক উপদেষ্টা ড. মশিউর রহমান প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। ১৮ জানুয়ারি তিন দিনব্যাপী এই মেলার সমাপণী অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে অর্থমন্ত্রী আ হ ম মোস্তফা কামাল প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন। এতদ সঙ্গে সমাপনী অনুষ্ঠানসহ  গুরুত্বপূর্ণ ১১টি সেমিনারের প্রতিপাদ্য ও অতিথিবৃন্দের বিবরণ সংযুক্ত করা আছে।

এইচএস


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft