For English Version
মঙ্গলবার, ০১ ডিসেম্বর, ২০২০
Advance Search
হোম খেলাধুলা

কুমিল্লার রোমাঞ্চকর জয়

Published : Tuesday, 31 December, 2019 at 6:37 PM Count : 99
অবজারভার প্রতিবেদক

বিশ্বকাপজয়ী তারকা লিয়াম প্লাঙ্কেটের কাছ থেকে এমন বোলিং আশা করেনি চট্টগ্রাম চ্যালেঞ্জার্স। ২২ গজে বাজে দিন কাটিয়ে দলকে ডুবিয়েছেন এই ইংলিশ পেসার।

চট্টগ্রামের দেওয়া ১৬০ রানের লক্ষ্য তাড়া করতে নেমে ১৯ ওভারে কুমিল্লা ওয়ারিয়র্সের রান ১৪৪। শেষ ওভারে লাগত ১৬ রান। কুমিল্লার অধিনায়ক ডেভিড মালানের সঙ্গে উইকেটে আবু হায়দার রনি।

প্লাঙ্কেটের প্রথম বলে ১ রান নিয়ে প্রান্ত বদল করেন মালান। পরের বলটি রনি তুলে মারেন লং অনে। ফিল্ডার নাসুম আহমেদ ও রায়ার্ন বার্লের মিস ফিল্ডিংয়ে বল যায় সীমানার বাইরে। সবাইকে তাক লাগিয়ে প্লাঙ্কেটের পরের শর্ট বল রনি ছক্কায় উড়ান লং অন দিয়ে।

শেষ ৩ বলে দরকার ৫ রান। প্লাঙ্কেটের স্লোয়ারে ব্যাট লাগাতে না পারলেও প্রান্ত বদল করেন রনি। দরকার ২ বলে ৪। মালান পঞ্চম বল ডিপ কাভারে পাঠিয়ে ২ রান নিতে চেয়েছিলেন। কিন্তু দ্বিতীয় রান নিতে গিয়ে রান আউট হয়ে ফেরেন সাজঘরে। শেষ বলে দরকার ৩। উইকেটে তখন নতুন ব্যাটসম্যান মুজিব-উর-রহমান।

প্লাঙ্কেটের জন্য জয়ের মঞ্চ প্রস্তুত ছিল। কিন্তু ডানহাতি পেসার অফ সাইডে পাঁচ ফিল্ডার রেখে বল করলেন লেগ সাইডে। তাও আবার ফুলটস। মুজিব ডিপ মিডউইকেট দিয়ে বল বাউন্ডারিতে পাঠিয়ে দলকে এনে দেন রোমাঞ্চকর জয়। চট্টগ্রামকে ৩ উইকেটে হারিয়ে কুমিল্লা পেয়েছে বিপিএলে তাদের তৃতীয় জয়। অন্যদিকে নবম ম্যাচে এটি চট্টগ্রামের তৃতীয় পরাজয়।

লক্ষ্যটা আহামরি কঠিন ছিল না। কিন্তু শুরুর দিকে দলের প্রত্যাশা মেটাতে পারেননি দুই ওপেনার ফন জিল ও রবিউল ইসলাম। জিল করেন ২২, রবির ব্যাট থেকে আসে ১৭ রান। শেষ ম্যাচে সৌম্য ঝড় তুলেছিলেন মিরপুরে। আজ সিঙ্গেল ডিজিটে ফেরেন সাজঘরে।

ব্যর্থতার মিছিলে থাকা সাব্বির রহমান ১৮ করে দলকে ডুবিয়ে আসেন। সতীর্থদের আসা-যাওয়ার মিছিলে অধিনায়ক মালান ছিলেন দুর্দান্ত। ৫১ বলে ৫ চার ও ৪ ছক্কায় ৭৪ রানের ইনিংস খেলেন। তাতেই জয় নিশ্চিত হয় কুমিল্লার।

বল হাতে প্লাঙ্কেট ৪ ওভারে দিয়েছেন ৪৬ রান। খরুচে ছিলেন মেহেদী হাসান রানাও। ৩ ওভারে দেন ৩১ রান।

এর আগে টস হেরে ব্যাট করতে নেমে চট্টগ্রামের শুরুটা ছিল দুর্দান্ত। একটা সময় মনে হচ্ছিল রানের পাহাড়ে উঠবে তাদের ইনিংস। কিন্তু ব্যাটিং বিপর্যয়ে ৬ উইকেটে ১৫৯ রানে শেষ হয় তাদের ইনিংস। ওপেনিং জুটিতে ১০৩ রান তোলেন লেন্ডল সিমন্স ও জুনায়েদ সিদ্দিক। কুমিল্লাকে ব্রেক থ্রু এনে দেন সৌম্য। ১২তম ওভারে সৌম্যকে উড়াতে গিয়ে সানজামুলের হাতে ক্যাচ দেন সিমন্স (৫৪)।

সিমন্স আউট হওয়ার পর চট্টগ্রামের ব্যাটসম্যানদের আসা-যাওয়ার মিছিল শুরু হয়। ইনিংসের শুরুতে রান আটকাতে না পারলেও শেষ দিকে নিয়ন্ত্রিত বোলিংয়ে চট্টগ্রামের রান বড় হতে দেয়নি কুমিল্লা। তবে ব্যতিক্রম ছিলেন জিয়াউর রহমান। আসরে প্রথমবারের মতো খেলতে নেমে ২১ বলে ৪ ছক্কায় ৩৪ রান করেন। জুনায়েদের ব্যাট থেকে আসে ৪৫ রান।

বল হাতে কুমিল্লার সেরা বোলার সৌম্য। ৪ ওভারে ২০ রানে ২ উইকেট নিয়েছেন সৌম্য। ব্যাটিংয়ে ধারাবাহিক হতে না পারলেও সৌম্য বোলিংয়ে বেশ কার্যকরী। ৮ ম্যাচে ৮.৭৯ ইকোনমি রেটে তার উইকেটসংখ্যা ১১টি।

এইচএস


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60; Online: 9513959 & 01552319639; Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft