For English Version
শুক্রবার, ১৩ ডিসেম্বর, ২০১৯
তামাবিল সীমান্ত বন্ধ করে দিয়েছে বিএসএফ       ৮ উইকেটে সিলেটকে হারিয়েছে রাজশাহী      
হোম অর্থ ও বাণিজ্য

রামগতিতে রোপা আমনের বাম্পার ফলন

Published : Friday, 29 November, 2019 at 12:41 PM Count :

লক্ষ্মীপুরের উপকূলীয় অঞ্চল রামগতি উপজেলায় চলতি বছর রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষকদের মুখে অফুরন্ত হাসি আর আনন্দের ঝিলিক কেননা প্রতিকূল পরিবেশের মধ্যেও ধানের এমন বাম্পার ফলনের দেখা মেলেছে। যদিও ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের আঘাতে বেশ কিছু জমির ফসলের ক্ষতি হয়েছে।

উপজেলার বিভিন্ন চরাঞ্চল ঘুরে দেখা গেছে, যে দিকেই চোখ যায় সে দিকেই দেখা মেলে পাকা ধান আর ধান। বেশির ভাগ জমির ধান পাকতে শুরু করেছে। তাই ধান কাটা নিয়ে ব্যস্ত সময় কাটাচ্ছেন কৃষক। উঠানে কৃষাণীরা ধান মাড়াই ও খড় শুকানোর কাজে ব্যস্ত। উঠানে ছড়িয়ে আছে মুঠোয় মুঠোয় সোনালী সোনা। কৃষক-কৃষাণীদের চোখে মুখে দেখা যাচ্ছে সোনালী ধানের সোনালী আভা। প্রতিটি গ্রামে এখন হেমন্তের ছোঁয়া। পাকা ধান হেমন্তকে আরও রাঙিয়ে দিয়েছে।
এ অঞ্চলের কৃষকরা যেমন ব্যস্ত মাঠ থেকে ফসল কেটে সিদ্ধ করে শুকিয়ে গোলায় মজুদ করা নিয়ে অন্যদিকে নতুন ধানের রং বে রঙের পিঠা-পুলি তৈরী নিয়ে ব্যস্ত কৃষাণীরাও।

স্থানীয় কৃষকদের সঙ্গে আলাপকালে তারা জানান, আবহাওয়া প্রতিকূলে থাকা সত্বেও রোপা আমনের এমন বাম্পার ফলন পেয়ে আমরা খুশি। তবে স্থিতিশীল বাজার ও ন্যায্য মূল্য পাওয়ার দাবি উপকূলের কৃষকদের। তাদের ফসলের উপযুক্ত মূল্য না পেলে আগ্রহ হারাবে কৃষক পরিবার।





বুক ভরা অনেক কষ্ট নিয়ে একজন কৃষক বলেন, বিগত সময়ে রোপা আমন ধানের বাম্পার ফলন হলেও আমরা তা বিক্রি করে উপযুক্ত মূল্য পাইনি। তবে উপকূলীয় অঞ্চলের কৃষকেরা আশাবাদী, ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের হস্তক্ষেপে এ বছর ন্যায্য মূল্য ও স্থিতিশীল বাজার পাবে তারা।

কৃষি অফিস সূত্রে জানা গেছে, উপজেলায় আবাদি জমির পরিমাণ প্রায় ২৫ হাজার হেক্টর। আর তালিকাভুক্ত কৃষকের সংখ্যা প্রায় ৪০ হাজার। বিশেষ করে চর আফজল, টুমচর, চর রমিজ, চর আবদুল্যাতে রোপা আমনের ফলন বেশি হয়। এছাড়াও দেশের সবচেয়ে বেশি সয়াবিন এ অঞ্চলে উৎপাদন হয়ে থাকে। এ বছর রোপা আমনের আবাদি জমির পরিমাণ ২৩ হাজার ৭শ হেক্টর। এর মধ্যে ঘূর্ণিঝড় বুলবুলের কারণে রোপা আমনের ফসলী জমি আক্রান্ত হয়েছে ৩ হাজার ৫শ হেক্টর জমি।

উপ-সহকারী উদ্ভিদ সংরক্ষণ কর্মকর্তা জানান, কৃষকরা কৃষি অফিসে পরামর্শ করে সঠিক সময়ে প্রযুক্তির ব্যবহার নিশ্চিত করেছে বলেই রোপা আমনের এমন বাম্পার ফলন হয়েছে। কৃষি অফিস থেকে মাঠ পর্যায়ে তদারকি ও পরামর্শের ফলে এবার রোপা আমন মৌসুমে রোগবালাইও ছিল না। 

উপজেলা নির্বাহী অফিসার মো. আব্দুল মোমিন বলেন, চলতি বছর উপজেলার ২ হাজার ৭৭০ জন কৃষক থেকে কৃষি অফিসের সহযোগিতায় ২ হাজার ৪৭৬ মেট্রিক টন আমন ধান সংগ্রহ করবে খাদ্য অধিদপ্তর। একজন কৃষক থেকে সর্বোচ্চ ২ মেট্রিক টন আমন ধান সংগ্রহ করা হবে। প্রকৃত কৃষক যাতে বঞ্চিত না হয় সে দিকে নজরদারী করবে প্রশাসন। আগামী ১লা ডিসেম্বর থেকে ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত প্রকৃত কৃষকদের থেকে আমন ধান সংগ্রহ কার্যক্রম চলবে।
 
-এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft