For English Version
বৃহস্পতিবার, ২১ নভেম্বর, ২০১৯
হোম সারাদেশ

বালু খেকোদের দাপটে ঝুঁকিতে যমুনার বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ

Published : Friday, 8 November, 2019 at 12:50 PM Count : 83

বগুড়ার ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নে যমুনা নদীর শহড়াবাড়ী ঘাট ও চুনিয়াপাড়া এলাকায় যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্প ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের দাপটে ভাঙ্গন ঝুঁকিতে পড়েছে। প্রতিদিন শত শত বালু পরিবহনকারী ট্রাকের ধুলাবালিতে বিভিন্ন রোগ বালাইয়ে আক্রান্ত হচ্ছেন ভাঙ্গন কবলিত এলাকার হাজারো মানুষ। তবে এসব বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাচ্ছেন না তারা।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, ধুনট উপজেলার ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের পূর্ব পাশ দিয়ে বয়ে গেছে যমুনা নদী। প্রতি বছর নদী ভাঙনের কারণে হাজার হাজার একর আবাদি জমি ও শত শত পরিবারের বাড়িঘর ভাঙনের কবলে পড়ে বিলীন হয়ে যায়। এ কারণে যমুনার ভাঙন ঠেকাতে ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়নের শহড়াবাড়ী ঘাট এলাকা থেকে ভুতবাড়ী গ্রাম পর্যন্ত প্রায় শত কোটি টাকা ব্যয়ে নদীর ডান তীরে সংরক্ষণ প্রকল্প ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ নির্মাণ করেছে বগুড়া পানি উন্নয়ন বোর্ড। ওই প্রকল্পের শহড়াবাড়ী ঘাটের দক্ষিণ পাশে যমুনায় ড্রেজার বসিয়ে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করেন ভান্ডারবাড়ী ইউনিয়ন পরিষদের সাবেক সদস্য। এর ফলে যমুনা নদীর তীর সংরক্ষণ প্রকল্পের বিভিন্ন স্থানে দেবে ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে। এ সংক্রান্ত একটি সংবাদ বিভিন্ন জাতীয় ও স্থানীয় দৈনিক পত্রিকায় প্রকাশের পর গত দুই মাস আগে ধুনট উপজেলা কমিশনার (ভূমি) জিন্নাত রেহেনা ভ্রাম্যমাণ আদালত পরিচালনা করে ওই বালু নিলামের ঘোষণা করেন। পরে বগুড়া জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত নিলামে অংশ নিয়ে কোটি টাকার বালু মাত্র ১০ লাখ টাকা ক্রয় করেন হযরত আলী ও মাহমুদুল। সেই বালু প্রতি ট্রাক বিক্রি করছেন ৮শ থেকে ৯শ টাকায়।

এদিকে, প্রতিদিন শত শত বালু ভর্তি ট্রাক তীর সংরক্ষণ প্রকল্প ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধের ওপর দিয়ে চলাচল করছে। এতে ধীরে ধীরে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে সরকারের শত কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত যমুনা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ প্রকল্প ও বাঁধটি। 





চুনিয়াপাড়া গ্রামের জামাল হোসেন, চাঁন মিয়া ও আব্দুস সামাদ জানান, প্রতিদিন শত শত বালু ভর্তি ট্রাক চলাচল করায় যমুনা নদীর ডান তীর সংরক্ষণ প্রকল্প ও বন্যা নিয়ন্ত্রণ বাঁধ হুমকির মুখে পড়েছে। এছাড়া বালু পরিবহনকারী ট্রাকের ধুলাবালিতে এলাকাবাসী বিভিন্ন রোগ বালাইয়ে আক্রান্ত হচ্ছে। তাছাড়া পাকা ও কাঁচা সড়ক ভেঙ্গে যাওয়ায় জনসাধারণের ভোগান্তি দিন দিন বেড়েই চলেছে। এসব বিষয়ে অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার মিলছে না।

তবে বালু ব্যবসায়ী হযরত আলী ও সুমন মন্ডল কোন ক্ষতি হচ্ছে না বলে দাবি করেন।

এ বিষয়ে ধুনট উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) রাজিয়া সুলতানা বলেন, 'অবৈধ বালু ব্যবসায়ীদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত রয়েছে। বালু ব্যবসায়ীদের কারণে সরকারি কোন প্রকল্পের ক্ষতি হলে অবশ্যই আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

-এমএ/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft