For English Version
শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৯
হোম জাতীয়

‘বিমান ভ্রমণ সহজতর করতে আমরা বদ্ধপরিকর’

Published : Wednesday, 23 October, 2019 at 1:27 PM Count : 118

ফাইল ছবি

ফাইল ছবি

প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বলেছেন, ‘বিমান ভ্রমণ নিরাপদ, আরামদায়ক ও সহজতর করতে আমরা বদ্ধপরিকর। এ জন্য আমরা শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে তৃতীয় টার্মিনাল স্থাপন করছি। এর কাজ ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। এটা বাস্তবায়িত হলে এখন আমরা যে পরিমাণ যাত্রীসেবা দিতে পারি, আগামীতে এর আড়াইগুণ বেশি অর্থাৎ বছরে প্রায় ১২ মিলিয়নের বেশি যাত্রীসেবা দেয়া সম্ভব হবে।’

বুধবার রাজধানীর সোনারগাঁও হোটেলে বাংলাদেশ বিমান এবং বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ আয়োজিত ষষ্ঠ আন্তর্জাতিক ফ্লাইট সেফটি সেমিনারে তিনি এসব কথা বলেন।

সেমিনারটি সফলভাবে আয়োজন করায় সবাইকে ধন্যবাদ দেন প্রধানমন্ত্রী। তিন দিনের এ আয়োজনে চার মহাদেশের ১৬টি দেশের প্রতিনিধিরা অংশ নেন।

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘বিমানের আধুনিকরণে কাজ করা হচ্ছে। এজন্য নতুন রাডার স্থাপন এবং বাংলাদেশ বিমানকে আধুনিকায়ন করা হচ্ছে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা বিশ্বের সঙ্গে আকাশ পথের যোগাযোগ স্থাপন করতে চাই। সে লক্ষ্য নিয়েই আমরা কাজ করে যাচ্ছি। আমরা আশা করি, নিউইয়র্ক, টরেন্টো, সিডনির মতো দূরবর্তী গন্তব্যে ফ্লাইট পরিচালনা করতে পারবো। এ ব্যাপারে আমরা আগ্রহী। এ লক্ষ্যে সিভিল এভিয়েশন কর্তৃপক্ষকে ক্যাটাগরি-১ এ উন্নতকরণের কাজ এগিয়ে চলছে।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘গত পৌনে ১১ বছরে বিমানবহরে আমরা বোয়িং কম্পানির চারটি অত্যাধুনিক ড্রিম লাইনারসহ মোট ১০টি বিমান সংযুক্ত করেছি। আরও দুটি ক্রয় করার প্রস্তুতি নিয়েছি।’

তিনি বলেন, ‘কক্সবাজার বিমানবন্দরকে আন্তর্জাতিক মানে উন্নীত করা এবং খুলনা বিভাগে আরও একটি বিমানবন্দর নির্মাণের পরিকল্পনা রয়েছে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা আমাদের পাশের দেশ যেমন- নেপাল, ভুটান ও ভারতের সঙ্গে বিমান যোগাযোগ আরও সহজতর করতে চাই। ওই দেশগুলোও যাতে প্রয়োজনে ব্যবহার করতে পারে এ জন্য সৈয়দপুর বিমানবন্দরকে একটি আঞ্চলিক বিমানবন্দর হিসেবে গড়ে তুলতে চাই। ইতোমধ্যে আমরা কাজ শুরু করেছি, যা আন্তর্জাতিকমানেরই একটি বিমানবন্দরে উন্নতি হবে।’

প্রধানমন্ত্রী বলেন, ‘আমাদের গৃহীত পদক্ষেপগুলো বিমান ভ্রমণকে আরও সহজতর করবে। পৃথিবীর আরও অনেক দেশের সঙ্গে নতুন নতুন রুট সৃষ্টিতে সহায়তা করবে। সেইসঙ্গে আমাদের পর্যটন শিল্পের দ্রুত বিকাশ ঘটবে বলে আমরা আশাবাদী।’





তিনি বলেন, ‘স্বাধীনতার পর থেকে বাংলাদেশ বিমানবাহিনী এবং বেসরকারি বিমান চলাচল কর্তৃপক্ষ সমন্বিতভাবে কাজ করে নিরাপদ বিমান উড্ডয়ন, অবতরণ নিশ্চিত করে যাচ্ছে। এতে আমাদের বিমান চলাচলের ক্ষেত্রে পারস্পরিক প্রশিক্ষণ ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনার এক অনন্য দৃষ্টান্ত সৃষ্টি হয়েছে। পর্যায়ক্রমে উন্নত যুদ্ধবিমান, র‌্যাডার ও অন্যান্য সরঞ্জামাদি ক্রয়ের মাধ্যমে বাংলাদেশ বিমানবাহিনীকে আরও শক্তিশালী করে গড়ে তোলা হবে। পাশাপাশি বাংলাদেশ বিমানকে আধুনিকীকরণের জন্য নানাভাবে কাজ করে যাচ্ছি। নতুন র‌্যাডার স্থাপন থেকে শুরু করে আরও অন্যান্য পদক্ষেপ আমরা নিচ্ছি।’

শেখ হাসিনা বলেন, ‘এ বছর ২৮ ফেব্রুয়ারি আমরা জাতীয় সংসদে বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান এভিয়েশন অ্যান্ড অ্যারো স্পেস বিশ্ববিদ্যালয় বিল পাস করেছি। আমরা এ শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান প্রতিষ্ঠা করছি, কারণ বিশ্বমানের এভিয়েশন শিক্ষা প্রদানের লক্ষ্য আমরা অর্জন করতে চাই। এটা হবে লালমনিরহাটে।’

তিনি বলেন, ‘আমরা ২০১১ সালে বঙ্গবন্ধু অ্যারোনোটিক্যাল সেন্টার স্থাপন করেছি। নিটক ভবিষ্যতে এ সেন্টারে যুদ্ধবিমানসহ ব্যবহৃত বিমানও মেরামত করা সম্ভব হবে বলে আমরা আশা রাখি।’

-এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft