For English Version
শনিবার, ২৩ নভেম্বর, ২০১৯
হোম অর্থ ও বাণিজ্য

পঞ্চগড়ে হুমকির মুখে ক্ষুদ্র চা শিল্প

Published : Wednesday, 16 October, 2019 at 3:01 PM Count : 480

চা বাগান নিয়ে চরম অনিশ্চয়তায় পড়েছে পঞ্চগড়ের ৫ হাজার ক্ষুদ্র চা চাষি। চা পাতার মূল্য বিড়ম্বনায় এ অবস্থার সৃষ্টি হওয়ায় বর্তমানে চাষিদের মধ্যে অস্থিরতা বিরাজ করছে। এ বিষয়ে কারো নিকট থেকে কোন সুরাহা না পাওয়ায় তাদের মধ্যে দেখা দিয়েছে হতাশা, ক্ষোভ ও অসন্তোষ।

তৃতীয় চা অঞ্চল হিসেবে স্বীকৃতি পাওয়া পঞ্চগড় জেলার সুনাম নষ্ট করতে সংশ্লিষ্টরা কৌশলগতভাবে চা পাতার দরপতন করিয়ে চাষিদের বিপর্যয়ের মুখে ঠেলে দেয়ার জন্য এখানকার চা শিল্প এখন হুমকির মুখে পড়েছে বলে অনেকে মনে করছেন।

গত ০৩ অক্টোবর বাংলাদেশ স্মল টি গার্ডেন ওনার্স এসোসিয়েশন কাঁচা চা পাতার ন্যায্যমূল্যসহ ৬ দফা দাবিতে মানববন্ধন, বিক্ষোভ সমাবেশ শেষে জেলা প্রশাসকের মাধ্যমে প্রধানমন্ত্রী বরাবর স্মারকলিপি দিয়েছে।

অব্যাহতভাবে চলা মূল্য বঞ্চণার একপর্যায়ে অভিযোগের প্রেক্ষিতে সর্বশেষ গত ১৪ জুলাই জেলা প্রশাসকের সম্মেলন কক্ষে কাঁচা চা পাতার মূল্য নির্ধারণ কমিটির এক সভায় প্রতি কেজি কাঁচা চা পাতার মূল্য ১৬ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হয়। সভায় চা কারখানার মালিক, চা বাগান মালিক ও সুধীজন উপস্থিত ছিলেন। 

এক্ষেত্রে কোনো চাষির পাতার মান ভাল না হলে ১০ শতাংশ হারে কর্তন করে চাষিদের মূল্য পরিশোধ করার সিদ্ধান্ত হয়। কিন্তু কারখানা কর্তৃপক্ষ নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে কাঁচা চা পাতা কেনায় চাষিদের উৎপাদন খরচই উঠছেনা। 

এছাড়া চা পাতা বিক্রির সময় নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে কম মূল্যে পাতা কেনার পাশাপাশি কারখানা কর্তৃপক্ষ ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কর্তন করছে। 

কাঁচা চা পাতার এমন দরপতনের জন্য চাষিরা কারখানা মালিকদের সিন্ডিকেটকে দায়ী করছেন। চাষিদের চা পাতার ভাউচারে কর্তনের হিসাব ও প্রতি কেজির মূল্য উল্লেখ না করে শুধুমাত্র মোট টাকা পরিশোধ করা হচ্ছে উল্লেখ করা হয়। এ ব্যাপারে কোন চাষি আপত্তি জানালে তার চা পাতা কারখানার মালিক নিতে অপরাগতা প্রকাশ করে।

এতে চা চাষিরা প্রতিনিয়ত লোকসান গুনলেও কারখানা মালিক কৌশলে কোটি কোটি টাকা উপরি আয় করছে বলে অনেকেই জানান। ২০১৮ সালে পঞ্চগড় জেলায় কাঁচা চা পাতার মূল্য ছিল কেজি প্রতি ৩০ থেকে ৩৫ টাকা। কিন্তু এ বছর কমতে কমতে ১৬ টাকা ৮০ পয়সায় এসে দাঁড়িয়েছে। এতে নতুন চাষিরা আগ্রহ হারিয়ে ফেলায় চায়ের চারা বিক্রিও বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে চারা উৎপাদনকারীরাও ক্ষতির মুখে পড়েছেন।

বর্তমানে পঞ্চগড় জেলার ১৫টি চা কারখানা কর্তৃপক্ষ প্রতি কেজি কাঁচা চা পাতার মূল্য মাত্র ১০ থেকে ১২ টাকা দেয়ায় চা বাগান মালিকদের অন্য খাত থেকে চা শ্রমিকদের মজুরী ও সার কিটনাশকের মূল্য পরিশোধ করতে হচ্ছে। অনেকে ক্ষোভে চায়ের গাছ থেকে কাঁচা চা পাতা কেটে ফেলে দিচ্ছেন। এ বিষয়ে চা চাষি ও কারখানা মালিকরা পরস্পরের বিরুদ্ধে অভিযোগ তুলেছে। 

চাষিরা জানায়, কারখানা মালিকরা সিন্ডিকেট করে কাঁচা চা পাতার মূল্য কমিয়েছে। 

এদিকে কারখানা মালিকরা বলছেন, ক্ষুদ্র চাষিরা নিয়ম অনুযায়ী কাঁচা পাতা না তোলার কারণে উৎপাদিত চায়ের মান কমে গেছে। তাই নিলাম মার্কেটে তৈরি চায়ের মূল্য কমে যাওয়ায় কাঁচা চা পাতার দাম কমানো হয়েছে।

অভিযোগ মতে, ভাল মানের চারা দিয়ে বাগান ও কাঁচা চা পাতা তোলার ব্যাপারে চাষিদের উদ্বুদ্ধ, প্রশিক্ষণ ও সচেতন করার জন্য টি বোর্ডের কর্মকর্তা-কর্মচারীদের কার্যকর তৎপরতা নেই। 

নিলাম বাজারে তৈরি চায়ের (মেড টি) দরপতনেই কাঁচা চা পাতার দরপতনের কারণ হিসেবে উল্লেখ করে কারখানা মালিকরা বলেন, কাঁচা চা পাতা ক্রয়ের ক্ষেত্রে কোন ধরনের সিন্ডিকেট নেই। এছাড়া প্রতি বৃন্তে সাড়ে চার পাতা পর্যন্ত চাষিদের বিক্রির নির্দেশনা থাকলেও চাষিরা কারখানাগুলোতে এর চেয়ে বেশি পুরানো পাতা সরবরাহ করায় এমন পরিস্থিতিরি সৃষ্টি হচ্ছে।

সংশ্লিষ্ট সূত্র জানায়, ‘নর্দান বাংলাদেশ প্রকল্পের’ আওতায় এখন পর্যন্ত পঞ্চগড় জেলায় মোট ৬ হাজার ৭৯২ একর জমিতে চা চাষ হয়েছে। চট্টগ্রাম ও শ্রীমঙ্গলের নিলাম বাজারে পঞ্চগড়ের চায়ের প্রতি বছর ৪৫টি করে নিলাম হয়। গত ২০ আগস্ট সর্বশেষ ১৫তম নিলাম হয়েছে। যেখানে এখানকার কারখানাগুলোর উৎপাদিত তৈরি চা ১৩৩ টাকা ৭৮ পয়সা কেজি গড় মূল্যে বিক্রি হয়েছে। অথচ গত বছরের ৪৫টি নিলাম বাজারে প্রতি কেজি তৈরি চায়ের গড় মূল্য ছিল ২৪৩ টাকা। 

চা কারখানাগুলোর হিসেব অনুযায়ী, প্রতি কেজি চা তৈরি করতে সাড়ে ৪ থেকে ৫ কেজি কাঁচা চা পাতার প্রয়োজন হয়। যার বাজার মূল্য প্রায় ৮০ টাকা। কারখানায় প্রতি কেজি চা উৎপাদনে গড়ে ৫৩ টাকা খরচ হয়। এতে প্রতি কেজি চা তৈরি করতে একটি কারখানায় মোট উৎপাদন খরচ হয় ১৩৩ টাকা। কারখানাগুলোতে উৎপাদন হওয়া এই তৈরি চায়ের উৎপাদন খরচ না ওঠায় এর প্রভাব কাঁচা চা পাতার ওপর পড়ছে বলে জানায় কারখানা সংশ্লিষ্টরা। 

তেঁতুলিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক কাজী মাহমুদুর রহমান (ডাবলু) বলেন, 'চা চাষিদের অবস্থা অনেকটা তৎকালীন নীল চাষিদের মত হয়েছে। কারণ চা কারখানার মালিকদের একতরফা সিদ্ধান্তে কাঁচা চা পাতার যে মূল্যে দিচ্ছে তা দিয়ে বাগানের সার-কীটনাশক ও পাতা তোলার শ্রমিক খরচও হয় না। আমি এ বিষয়ে পঞ্চগড় জেলা প্রশাসক ও বিভাগী কমিশনার মহোদয়ের সঙ্গে কথা বলেছি। তারা যেন বাণিজ্যমন্ত্রী মহদোয়ের সঙ্গে কথা বলে চা বাগান মালিকদের কাঁচা চা পাতার সঠিক মূল্য নির্ধারণের ব্যবস্থা করেন।'

তেঁতুলিয়া উপজেলার তিরনইহাট ইউনিয়নের ব্রম্মতল এলাকার চা চাষি আমিরুল ইসলাম বলেন, আমি ১৫ একর জমিতে চা চাষ করেছি। এখন চা নিয়ে আমাদের নাজেহাল অবস্থা। সময়মত বিক্রি করতে না পারলে চায়ের পাতা বৃদ্ধি পেয়ে নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। অনেকেই দা দিয়ে অতিরিক্ত বৃদ্ধি পাওয়া চা পাতা কেটে ফেলে দিচ্ছে। এছাড়া কারখানাগুলো ১২ টাকা কেজি দরের ওপর পাতা কিনছেনা। এক কেজি চা পাতা তুলতেই তো ৪ থেকে ৫ টাকা খরচ হয়। সেখানে লাভের আশা কিভাবে করবো। যে আশা আর স্বপ্ন নিয়ে চা চাষ শুরু করেছিলাম, সব স্বপ্নই আমাদের ভঙ্গ হয়ে যাচ্ছে।'

সদর উপজেলার ভীতরগড় এলাকার চা চাষি মো. সায়েদ আলী বলেন, 'চা নিয়ে আমরা খুবই দুশ্চিন্তার মধ্যে আছি। এক কেজি কাঁচা চা পাতা উৎপাদন করতে আমাদের পাতা সংগ্রহের মজুরী খরচসহ ১৬ থেকে ১৭ টাকা খরচ হয়। বর্তমানে কাঁচা চা পাতার মূল্য প্রতি কেজি ১৬ টাকা ৮০ পয়সা নির্ধারণ করা হলেও কারখানাগুলো মাত্র ১২ টাকা দরে ক্রয় করছে। সেখান থেকে আবার ভেজা ও সাড়ে চার পাতার বেশি থাকার অযুহাতে ১০ শতাংশ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত কর্তন করছে কারখানা কর্তৃপক্ষ। এভাবে চলতে থাকলে আমাদের মত ক্ষুদ্র চা চাষিদের পথে বসতে হবে। মন খারাপ করে অনেক চাষিই এখন চা বাগানের পরিচর্যাও করছে না।'

সদর উপজেলার মৈত্রী টি ইন্ডাস্টিজের জেষ্ঠ ব্যবস্থাপক মোজাহিদুল হান্নান নিপুন বলেন, 'আমার বর্তমানে ১২ টাকা কেজি দরে কাঁচা চা পাতা ক্রয় করছি। তবে কোন কর্তন করছিনা। আমাদের এক কেজি চা উৎপাদনে কারখানা ও কাঁচামালসহ ১৩০ টাকা থেকে ১৩৫ টাকা পর্যন্ত খরচ হয়। আর সেই চা নিলাম বাজারে তার চেয়েও কমে বিক্রি হচ্ছে। এছাড়া নিলাম বাজারে চায়ের চাহিদা কম থাকায় উৎপাদনের তুলনায় বিক্রিও কম হচ্ছে। এসব কারণেই এর প্রভাব কাঁচা চা পাতার দামে পড়েছে। এখানে কোন ধরনের সিন্ডিকেট নেই।'

গ্রীণ কেয়ার এ্যাগ্রো লিমিটেডের ব্যাবস্থাপক মঞ্জুর আলম বলেন, '৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে চা পাতা তোলার নিয়ম থাকলেও চাষিরা ৪০ দিন পর পর চা পাতা তোলেন। চাষিরা চা পাতার পরিপক্কতা ৪ থেকে ৫ না মেনে ১০-১২ এর  ওপরে পাতা সরবরাহ করছে। ফলে চায়ের মান কমে গেছে। এ কারণে নিলাম মার্কেটে তৈরি চায়ের দরপতন ঘটেছে। ফলে কাঁচা চা পাতার মূল্য পাচ্ছেনা চাষিরা। এছাড়া অতিরিক্ত মজুরী, সার ও কিটনাশক ব্যবহারের কারণে লোকসান গুনতে হচ্ছে চাষিদের। তবে অনেক চাষি এখন ৪ থেকে ৫ পাতা সরবরাহ করছে। আমরাও এর বেশি পাতা দিলে তা গ্রহণ করছিনা।'

এ বিষয়ে বাংলাদেশ টি ফ্যাক্টরি ওনার্স এসোসিয়েশনের ট্রেজারার ও তেঁতুলিয়ার বাংলা টি ম্যানুফ্যাকচারিং ইন্ডাস্ট্রির স্বত্বাধিকারী শেখ মো. শাহ আলম বলেন, 'আমরা বর্তমানে নির্ধারিত প্রতি কেজি ১৬ টাকা ৮০ পয়সা দরেই কাঁচা চা পাতা ক্রয় করছি। তবে ভেজা পাতা থাকলে সে ক্ষেত্রে ১০ শতাংশ কর্তন করা হয়। কাঁচা চা পাতার মূল্য কমে যাওয়ার পেছনে কোন সিন্ডিকেটের প্রভাব নেই। চা চাষিরাই তো আমাদের কারখানাগুলোর প্রাণ। তারা চা চাষ করেন বলেই আমাদের কারখানা স্থাপন করা। নিলাম বাজারে তৈরি চায়ের দাম কমে যাওয়ার কারণেই আমরা যেমন দুর্ভোগে আছি ঠিক তেমন পরিস্থিতির শিকার চাষিরাও। আশা করছি অচিরেই এই দুর্ভোগ কেটে গিয়ে চায়ের সুদিন ফিরে আসবে।'

বাংলাদেশ স্মল টি গার্ডেন ওনার্স এসোসিয়েশনের সভাপতি আমিরুল হক খোকন বলেন, 'বিদেশে চা আমদানিতে নিরুৎসাহিত করা, সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে চা প্রবেশ বন্ধ করা, ভারত থেকে শুল্কমূল্য চা প্রবেশাধিকার না দেয়া, কাঁচা চা পাতার ন্যায্যমূল্য নিশ্চিত করা, পঞ্চগড়ে সরকারিভাবে চা কারখানা স্থাপন ও একটি নিলাম মার্কেট করার দাবি জানান তিনি। 

চা চাষীরা জানান, পঞ্চগড়ের চা কারখানা মালিকদের সিন্ডিকেটে চরম দুর্ভোগ পড়েছে চাষীরা। মূল্য নির্ধারণ কমিটির দরও তারা মানছেন না। বছরের শুরুতে ৩৫ টাকা থেকে ৩৮ টাকা কেজিতে চা বিক্রি হলেও এখন তা নেমে এসেছে ১৪/১৫ টাকায়। এতে তাদের লোকসান গুণতে হচ্ছে। নতুন করে ভারত থেকে শুল্কমূল্য চা আমদানির গুঞ্জন শোনা যাচ্ছে। এমনটি হলে দেশের সমতলসহ চা শিল্প পুরোপুরি ধ্বংস হয়ে যাবে, ক্ষতিগ্রস্ত হবে লাখো চা চাষী ও শ্রমিকরা। বিশেষ করে সমতলের চা চাষীরা বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন।





বাংলাদেশ চা বোর্ড পঞ্চগড় আঞ্চলিক কার্যালয়ে কর্মরত নর্দান বাংলাদেশ প্রকল্পের পরিচালক ড. মোহাম্মদ শামীম আল মামুন বলেন, 'নিলাম বাজারে পঞ্চগড় জেলার চায়ের মূল্য হ্রাস পাওয়ায় কাঁচা চা পাতার দামে প্রভাব পড়েছে। চা উৎপাদনে গুণগত মান রক্ষা করতে পারলে এমন পরিস্থিতি থেকে উত্তরণ হতে পারে। তবে কারখানা মালিকদেরও সচেতন হতে হবে। তাদের সাড়ে চার পাতার ওপরে পাতা কেনা যাবেনা। এতে তৈরি চায়ের গুণগত মান নষ্ট হতে পারে।'

তিনি বলেন, 'ইচ্ছেমত যখন-তখন কারখানা বন্ধ করা হলে চাষিরা বিপদে পড়তে পারেন। নির্ধারিত মূল্যে যাতে কারখানাগুলো চাষিদের কাছ থেকে চা পাতা ক্রয় করেন সে জন্য কাঁচা চা পাতার মূল্য নির্ধারণ ও তদারকি কমিটির তদারকি অব্যাহত রয়েছে।'

তিনি আরও বলেন, কাঁচা চা পাতার মূল্য বর্তমানে ১৬ টাকা ৮০ পয়সা  ও ভেজা পাতা হলে ১০ শতাংশ কর্তনের সিদ্ধান্ত হলেও কারখানার মালিকরা সেই শর্ত এখনও বাস্তবায়ন করেনি। কারখানার মালিকদের অজুহাত আমাদের চা চাষিরা যে পরিমাপের পাতা সরবরাহ করছে তা নিলাম মার্কেটে দাম পাওয়া যায় না মর্মে চা পাতা কিনতে অনাগ্রহ দেখা দিয়েছে। তবে এই সমস্যা অল্পদিনের মধ্যে কেটে যাবে।

-এসআইএস/এমএ


« PreviousNext »



সর্বশেষ সংবাদ
সর্বাধিক পঠিত
Editor : Iqbal Sobhan Chowdhury
Published by the Editor on behalf of the Observer Ltd. from Globe Printers, 24/A, New Eskaton Road, Ramna, Dhaka.
Editorial, News and Commercial Offices : Aziz Bhaban (2nd floor), 93, Motijheel C/A, Dhaka-1000. Phone :9586651-58. Fax: 9586659-60, Advertisemnet: 9513663
E-mail: [email protected], [email protected], [email protected], [email protected],   [ABOUT US]     [CONTACT US]   [AD RATE]   Developed & Maintenance by i2soft